পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধ, তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও হত্যা

গজারিয়া (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি

সারাদেশ

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় হালিমা আক্তার (১৯) নামে এক তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যার ঘটনার রহস্য উন্মোচন করেছে পিবিআই মুন্সীগঞ্জ। পাওনা

2026-05-31T22:03:34+00:00
2026-05-31T22:03:34+00:00
 
  শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬,
৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
সারাদেশ
পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধ, তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও হত্যা
গজারিয়া (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি
প্রকাশ: রোববার, ৩১ মে, ২০২৬, ১০:০৩ পিএম 
ঘটনায় জড়িত ৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ছবি : সংগৃহীত
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় হালিমা আক্তার (১৯) নামে এক তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যার ঘটনার রহস্য উন্মোচন করেছে পিবিআই মুন্সীগঞ্জ। পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধ এবং সামাজিক মর্যাদাহানির আশঙ্কায় এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

​ঘটনায় জড়িত ৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- আবু কালাম (৪৮), জামাল হোসেন (৪৪), রাসেল মিয়া (৪৪) এবং আল আমিন প্রধান (৫০)। তারা সবাই গজারিয়ার বড় ভাটেরচর এলাকার বাসিন্দা।

শুক্রবার সকালে গজারিয়ার ফুলদী নদী থেকে হালিমা আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করে নৌ-পুলিশ। মরদেহটি পচন ধরায় প্রাথমিকভাবে পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পিবিআই মুন্সীগঞ্জের একটি ক্রাইম সিন টিম তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় ভিকটিমের পরিচয় শনাক্ত করে। 

নিহত হালিমা গজারিয়ার হোসেন্দী ইউনিয়নের জামালদী গ্রামের মহাসিন বেপারীর মেয়ে। এ ঘটনায় ভিকটিমের বোন হোসনেয়ারা আক্তার বৃষ্টি বাদী হয়ে গজারিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।


পিবিআই সূত্রে জানা যায়, ভিকটিম হালিমা অভিযুক্ত আবু কালামের কাছে ২৫ হাজার টাকা এবং রাসেলের কাছে ১০ হাজার টাকা পেতেন। এছাড়াও অভিযুক্ত জামালের সাথে হালিমার শারীরিক সম্পর্ক ছিল। তাদের অনৈতিক সম্পর্কের বিষয়টি জামালের এক আত্মীয় দেখে ফেলেছিলেন। এ বিষয়টি ফাঁস হয়ে এলাকায় সামাজিক সম্মান নষ্ট হওয়ার আশঙ্কায় অভিযুক্তরা হালিমাকে হত্যার সিদ্ধান্ত নেন। ​

রোববার বিকেলে মুন্সীগঞ্জের কোর্ট ইন্সপেক্টর সূত্রে জানা যায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন এবং আমলী আদালত-৫ এর বিজ্ঞ বিচারক জিনিয়া ইসলামের কাছে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন।

পিবিআই মুন্সীগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আসমা আরা জাহান জানান, ঘটনার ১৫ দিন আগেই অভিযুক্তরা হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে হালিমাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী গত ২৬ মে সন্ধ্যায় কৌশলে হালিমাকে বড় ভাটেরচর নদীর তীরে ডেকে আনা হয়। পরে নৌকায় করে নদীর ওপারে একটি ভুট্টা ক্ষেতের মাঝখানে নিয়ে তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করা হয়। একপর্যায়ে হালিমার পরনের প্যান্ট দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে লাশ নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। আসামিরা নিজেদের অপরাধ স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে।

/কেএইচও


  বিষয়:   পাওনা টাকা  বিরোধ  তরুণী  সংঘবদ্ধ ধর্ষণ  হত্যা 


Loading...
Loading...
সারাদেশ- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: