ঈদুল আযাহা উপলক্ষে টানা ৭ দিনের ছুটি শেষে আজ থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রফতানি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এতে বন্দরে পুরোনো প্রাণ চঞ্চলতা ফিরে এসেছে। তবে বন্দরের কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে দুই দেশের পাসপোর্টধারী যাত্রীদের পারাপার স্বাভাবিক ছিল।
সোমবার (১ জুন) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ভারতীয় পণ্যবাহী ট্রাক বন্দরে প্রবেশের মধ্য দিয়ে সকল কার্যক্রম শুরু হয়েছে। অন্যদিকে ঈদের ছুটি শেষে বন্দর এলাকায় ব্যবসায়ীদের আনাগোনা শুরু হয়েছে, এতে বন্দরে প্রাণ চঞ্চলতা দেখা দিয়েছে।
সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, সকাল থেকে শ্রমিকরা বন্দর এলাকায় আসছেন এবং তারা বন্দরে প্রবেশ করেন। এদিকে বিভিন্ন স্থান থেকে ছেড়ে আশা পণ্য বহনকারী ট্রাক বন্দরে প্রবেশ করতে দেখা গেছে।
হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি মো. সোহরাব হোসেন বলেন, ‘ঈদ উপলক্ষে টানা সাতদিন বন্ধ থাকার পরে আজ স্থলবন্দরের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এতে বন্দরে কর্মচঞ্চলতা ফিরে আসবে। সেই সাথে ব্যবসায়ী ও শ্রমিকদের আয় বাড়বে। পাশাপাশি সরকারের রাজস্ব আয় বৃদ্ধি পাবে।’
হিলি আমদানি-রফতানিকারক গ্রুপের সভাপতি শাখাওয়াত হোসেন শিল্পী বলেন, ‘ঈদুল আযহা উপলক্ষে ব্যবসায়ীদের সিদ্ধান্তে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি ৭ দিন বন্ধ রাখা হয়েছিল। সোমবার সকাল থেকে ফের দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রফতানি শুরু হয়েছে।’
হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের অফিসার ইনচার্জ মো. আরিফুল ইসলাম বলেন, ‘হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও এ ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে দুই দেশের পাসপোর্ট যাত্রী পারাপার স্বাভাবিক ছিল। ঈদের দিনেও আমরা যাত্রী পারাপারের কাজ করেছি। আজ এখন পর্যন্ত ৫১জন যাত্রী পারাপার হয়েছে। সারাদিনে প্রায় ১৫০ জন যাত্রী পারাপার হবে বলে আশা করছি।’
/কেএইচও