কেমন মন্ত্রী দেখতে চাই?

শুভ কিবরিয়া

মতামত

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে যে নির্বাচন, সেই নির্বাচনে ব্যাপক জনরায় পেয়ে দেশ চালানোর দায়িত্ব পেয়েছে বিএনপি। সরকারের বয়স সাড়ে

2026-06-06T03:25:14+00:00
2026-06-06T03:25:14+00:00
 
  শনিবার, ৬ জুন ২০২৬,
২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শনিবার, ৬ জুন ২০২৬
মতামত
কেমন মন্ত্রী দেখতে চাই?
শুভ কিবরিয়া
প্রকাশ: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ৩:২৫ এএম   (ভিজিট : ৭)
গ্রাফিক : সময়ের আলো
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে যে নির্বাচন, সেই নির্বাচনে ব্যাপক জনরায় পেয়ে দেশ চালানোর দায়িত্ব পেয়েছে বিএনপি। সরকারের বয়স সাড়ে তিন মাস পেরিয়ে গেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত সরকারের মন্ত্রিসভায় নতুন পুরোনো মিলিয়ে ২৫ জন মন্ত্রী, ২৩ জন প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন। মন্ত্রীর মর্যাদায় উপদেষ্টা ৫ জন, প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় উপদেষ্টা ৫ জন, প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় বিশেষ সহকারী ৩ জনকে নিয়ে চলছে এই সরকার। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে গঠিত বাংলাদেশের ২৪তম মন্ত্রিসভা দায়িত্ব নিয়েছে ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। এই সরকারের সময়কালে একটি সংসদ অধিবেশন চলেছে। সামনে আছে বাজেট অধিবেশন।

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসে জুলাই গণঅভ্যুত্থান একটি যুগান্তকারী ঘটনা। এটি শুধু একটি সরকারের পতন বা আরেকটি দলের ক্ষমতায় আসার পথ তৈরি করেনি; বরং রাষ্ট্র, রাজনীতি এবং শাসনব্যবস্থা সম্পর্কে জনগণের দৃষ্টিভঙ্গিতে মৌলিক পরিবর্তন এনেছে। দীর্ঘদিন ধরে কেন্দ্রীভূত ক্ষমতা, দলীয়করণ, প্রশাসনিক অস্বচ্ছতা এবং রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতাভিত্তিক রাষ্ট্র পরিচালনার বিরুদ্ধে যে ক্ষোভ সমাজে জমা হচ্ছিল, জুলাই সেই ক্ষোভকে রাজনৈতিক ভাষা দিয়েছে। সেই পটভূমিতে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় আসীন হয়েছে। রাজনৈতিক অঙ্গনে ইতিমধ্যে মন্ত্রিসভা পুনর্বিন্যাস ও নতুন মুখ অন্তর্ভুক্তির আলোচনা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমেও সরকারের কর্মদক্ষতা বাড়াতে মন্ত্রিসভায় পরিবর্তনের সম্ভাবনার কথা উঠে এসেছে। এই প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন উঠছে- কেবল দলীয় ভারসাম্য রক্ষার জন্য নয়, বরং রাষ্ট্র সংস্কারের লক্ষ্য পূরণে, তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি নতুন রাজনৈতিক বিন্যাস গড়ে তোলার জনআকাক্সক্ষা পূরণে কেমন হওয়া উচিত নতুন মন্ত্রিসভা? আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো- কেমন ব্যক্তির মন্ত্রী হওয়া উচিত? কারণ জনগণ এখন কেবল দলবদল চায় না; তারা রাষ্ট্র পরিচালনার সংস্কৃতিরও পরিবর্তন দেখতে চায়।

বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে মন্ত্রী নির্বাচন হয়েছে প্রধানত রাজনৈতিক আনুগত্য, সাংগঠনিক অবদান, দলের মধ্যে আর্থিক ক্ষমতায় শক্তিমত্তা, দলীয় প্রধানের ওপর প্রভাব রাখতে পারে এমন আন্তর্জাতিক কানেকশন, দলের দুর্দিনে দলীয় প্রধানের সহায়তাকারী, কিংবা দলের আঞ্চলিক রাজনৈতিক ভারসাম্যের ভিত্তি বিবেচনায়। কিন্তু জুলাই-পরবর্তী বাস্তবতায় জনগণের প্রত্যাশা ভিন্ন। এখন প্রয়োজন এমন একটি মন্ত্রিসভা, যেখানে রাজনৈতিক পরিচয়ের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হবে দক্ষতা; যেখানে মিডিয়ায় মুখ দেখানোর চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হবে আমলাতন্ত্রকে পরিচালনার যোগ্যতা; যেখানে সিদ্ধান্ত গ্রহণ হবে তথ্যভিত্তিক ও ফলাফলমুখী।
আরও পড়ুন

সরকারের প্রথম তিন মাসেই স্পষ্ট হয়েছে যে, সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ অর্থনীতি। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, কর্মসংস্থান, বৈদেশিক বিনিয়োগ, ব্যাংকিং সংস্কার এবং রাজস্ব আহরণ- সবখানেই দ্রুত ফল দেখানোর চাপ রয়েছে। মানুষ চায় বিদ্যুতের দাম না বাড়ুক, কর না বাড়ুক, ভ্যাট কমুক, আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি ভালো হোক, কর্মসংস্থান বাড়ুক, অর্থনীতির প্রাণপ্রবাহ সচল থাকুক। 
মানুষের চাওয়া হচ্ছে সব মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীরা স্বার্থ সংঘাত বা কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্টের ঊর্ধ্বে থাকুন। জনপ্রত্যাশা হচ্ছে, রাজনৈতিক বক্তৃতার চেয়ে অর্থনৈতিক বাস্তবতা বেশি বোঝেন এমন মানুষ দায়িত্ব পাক সরকার পরিচালনার।

মন্ত্রিসভায় নতুন মুখ বলতে শুধু নতুন রাজনীতিবিদ নয়, বরং নতুন চিন্তার মানুষকে বোঝানো উচিত। যারা কথায় কথায় রাজনৈতিক খুঁটির জোর দেখান, সবাইকে ধমকান, যারা বাঁশের চেয়ে কঞ্চি বড় বলে প্রতিভাত, যাদেরকে মানুষ ফ্যাসিবাদী জমানার অর্থলোলুপদের নিকটতম লোক ভাবেন- এমন ব্যক্তিরা সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকলে সরকারের অজনপ্রিয় হতে সময় লাগবে না। মন্ত্রিসভা পুনর্গঠনে তাই এসব বিবেচনা গুরুত্ব পাওয়া উচিত।

জুলাই গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের জনগণকে নতুন এক রাজনৈতিক প্রত্যাশা উপহার দিয়েছে। সেই প্রত্যাশা পূরণ করতে হলে মন্ত্রিসভা পুনর্গঠন কেবল ব্যক্তি বদলের ঘটনা হতে পারে না; এটি হতে হবে রাষ্ট্র পরিচালনার নতুন দর্শনের প্রতিফলন। সেই চাহিদা পূরণে আজকের বাংলাদেশে প্রয়োজন এমন মন্ত্রী- যারা সৎ, দক্ষ, জবাবদিহিমূলক, সংস্কারমুখী এবং যারা জনগণের ভাষা বোঝেন, সময়ে সময়ে দেয়ালের লিখন পড়ে রাজনৈতিক গতিপ্রকৃতি ও জনবিবেচনা বুঝতে সক্ষম। 

বিএনপি সরকারের চ্যালেঞ্জ হচ্ছে তাকে শুধু নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি পূরণই নয়, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মূল আকাক্সক্ষাগুলোকেও বাস্তব রূপ দিতে পারার সাহস দেখাতে হবে। ফ্যাসিবাদী হাসিনার বিচার নিশ্চিত করা, ফ্যাসিবাদী আমলের লুটপাটের অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধার ও ওই পাপের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের আইনি শাস্তি সুনিশ্চিত করার কঠিন কাজটি সম্পন্ন করা। রাজনৈতিক সংস্কারে কোনো কারচুপি বা লোকদেখানো কাজ বিএনপির জন্য হবে আত্মঘাতী। এ ক্ষেত্রে কোনোরকম মিথ্যাচার বা মোনাফেকি আখেরে বিপদ ডেকে আনতে পারে। দেশ ও দলের এই ভবিষ্যৎ বুঝতে পারে এমন ব্যক্তিদের তাই মন্ত্রিসভায় আনা উচিত, যারা দেশের স্বার্থে নেতার ভুলকে ধরিয়ে দিতেও পিছপা হবেন না। 

বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল জনবহুল বহুমাত্রিক সমস্যার রাষ্ট্রে অর্থনীতি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, জ্বালানি, আইসিটি কিংবা ডিজিটাল অবকাঠামোর মতো জটিল খাত পরিচালনায় শুধু রাজনৈতিক জনপ্রিয়তা যথেষ্ট নয়। মন্ত্রিসভায় এমন ব্যক্তিদের প্রয়োজন- যারা সংশ্লিষ্ট খাত সম্পর্কে বাস্তব জ্ঞান রাখেন, নীতিনির্ধারণ ও বাস্তবায়নের অভিজ্ঞতা আছে, তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেন, প্রশাসনের সঙ্গে কাজ করার সক্ষমতা রাখেন।

রাজনীতিতে নৈতিকতার প্রশ্ন নতুন নয়। কিন্তু ফ্যাসিবাদী শাসনের বিরুদ্ধে জুলাই অভ্যুত্থানের পরে এটি অন্যতম রাজনৈতিক ইস্যুতে পরিণত হয়েছে। দুর্নীতিমুক্ত ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি এখানে নতুন ইমেজ হিসেবে গুরুত্ব পেয়েছে। জনগণ এখন এমন মন্ত্রী দেখতে চায়- যাদের বিরুদ্ধে বড় ধরনের দুর্নীতির অভিযোগ নেই; যাদের জীবনযাপন ও সম্পদের উৎস নিয়ে প্রশ্ন কম; যারা ক্ষমতাকে ব্যক্তিগত সম্পদ সৃষ্টির মাধ্যম মনে করেন না। মনে রাখতে হবে এখনকার জনমানসে রাষ্ট্র পরিচালনার বৈধতা শুধু আইনি ক্ষমতা থেকে আসে না; আসে নৈতিক গ্রহণযোগ্যতা থেকেও। সুতরাং মন্ত্রিসভার সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক সম্পদ হতে পারে বিশ্বাসযোগ্যতা। শুধু সৎ ও দুর্নীতিমুক্ত থাকার কথা বললেই হবে না, মন্ত্রিসভার সদস্যদের চলন-বলন, আয়-ব্যয়ের দৃশ্যমানতাতেও সেটার প্রতিফলন থাকতে হবে।

এই বিপুল জনপ্রত্যাশার মধ্যে রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপির নিজস্ব কিছু সংকটও আছে। গত দুই দশক কার্যত বিএনপির নেতাকর্মীরা ক্ষমতার মসনদ থেকে দূরে। ফ্যাসিবাদী জমানায় মামলা-হামলা-গুম-খুনতো মোকাবিলা করতে হয়েছেই, উপরন্তু তাদের জীবন-জীবিকাও বিপুলভাবে বিপর্যস্ত হয়েছে। অর্থনৈতিক-সামাজিক-পারিবারিক-মানসিক বহুবিধ বিপর্যয়ের ক্ষতি তারা বহন করেছেন। এরকম পরিস্থিতির মধ্যে সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ মেজরিটিতে নিরঙ্কুশ ক্ষমতা হাতে পেয়ে দলের নিজস্ব বিন্যাসেও ক্ষমতার পালাবদল ঘটেছে। দলের বহু ত্যাগী কর্মীর বদলে একদল নতুন মুখ ক্ষমতাধর হয়ে উঠেছেন। দেশের মধ্যে যারা রাজনৈতিক যুদ্ধে ছিলেন তারা ভাবেন তারাই দলের প্রাণভোমরা। আবার দলীয় প্রধানের নির্বাসনি জীবনের সুদীর্ঘ সময়ে তিনি যাদের নিয়ে লড়েছেন, তারা এই জনবিন্যাসে অচেনা। 

ফলে দেশ ও বিদেশের দুই ধারার বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে সাম্য ও সুস্থিতি আনার চাপও সইতে হচ্ছে দলকে। দলের বিপুলসংখ্যক কর্মীর সবাইকেই অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে পুনর্বাসনও প্রায় অসম্ভব একটা কাজ। ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান যতই রক্তাক্ত অভিজ্ঞতা আনুক না কেন, এটা দলীয় কর্মীদের বৈষয়িক ভাবনা-রাজনৈতিক উন্নতির আকাক্সক্ষাকে পেছনে ফেলে সামষ্টিকভাবে নৈতিক, ত্যাগী করে তুলতে পেরেছে সেটাও ভাবা সঠিক কাজ নয়। ফলে দল ক্ষমতায় থাকায় তাদেরকে শুধু আদর্শবাদের কথা শুনিয়ে দেশ গড়ার কাজে পাওয়া যাবে- এটা বাস্তবসম্মত ভাবনা নয়। সরকার ও দলের মধ্যে তাই দরকার একটা নতুন ব্যালেন্স, নতুন কর্মসূচি, নতুন ইকোসিস্টেম তৈরি। অন্যদিকে বিএনপির রাজনৈতিক বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে আওয়ামী লীগের ফিরে আসার হুংকার ও প্রচেষ্টা। স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক চাপ উপেক্ষা করে বিএনপি সেটাকে কীভাবে মোকাবিলা করে সেটাও একটা বড় বিবেচনা। রাজনৈতিক বিপদে সংসদের বিরোধী দল বা জোটকে কাছে রাখাও একটা বড় চ্যালেঞ্জ।

এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হচ্ছে জনগণকে সঙ্গে রাখা। সেটা সম্ভব একমাত্র সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও জনসেবাকে সঠিকভাবে ডেলিভারি দেওয়ার কারিশমা দেখানোর মধ্যে। শেখ হাসিনা ফিরবে কি ফিরবে না এটা নির্ভর করে এই সরকার তার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি, জুলাই প্রতিশ্রুতি, সংস্কারের প্রতিশ্রুতি কতটা মেটাতে পারে তার ওপর। আর এই কাজগুলোর একটা বড় অংশ নির্ভর করছে সরকারের মন্ত্রিসভা কতটা পারফর্ম করছে, কতটা জনসেবা ডেলিভারি করছে সেটার ওপর। তাই শুধু প্রধানমন্ত্রীর বন্দনা, প্রশংসা, চাটুকারিতা নয়, দরকার মন্ত্রীদের মন্ত্রণালয় পরিচালনায় সফল হওয়া। 

চলমান মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী-উপদেষ্টাদের মধ্যে অনেকেই বাকপটু, ক্ষ্যাপা, মিডিয়ায় সরব, জনপ্রত্যাশার চাপ সামলাতে অক্ষম, অনেকেই ম্রিয়মাণ, অনেকেই আমলাতন্ত্রকে সামলাতে অপারগ, অনেকেরই নিজস্ব বিপুল ব্যবসার সঙ্গে রাষ্ট্রীয় স্বার্থসংঘাত জনমনে প্রশ্ন তুলতে পারে- তাদের বিষয়ে সতর্ক হওয়ার সুযোগ আছে প্রধানমন্ত্রীর। আবার নতুন যারা আসবেন তারা যদি জনভাষ্য বুঝতে অপারগ হন, টকশোর উত্তেজনায় মন্ত্রণালয় চালান তা হলেও বিপদ। সুতরাং বিএনপির জন্য দেশ চালানো খুব সহজ কাজ নয়। তাই প্রধানমন্ত্রীর ভাষায়, ‘বিএনপি সরকার এক কঠিন ও গুরুত্বপূর্ণ সময়ে দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। তাই এমন সময়ে হেসে-খেলে চললে দেশ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের অপূরণীয় ক্ষতি হবে।’

সিনিয়র সাংবাদিক, রাজনৈতিক বিশ্লেষক

এএডি/


  বিষয়:   কেমন  মন্ত্রী  শুভ কিবরিয়া 


Loading...
Loading...
মতামত- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: