কর্মচারীর লকার থেকে উদ্ধার ২ কোটি রুপি, রয়েছে একাধিক বহুতল বাড়ি-ফ্ল্যাট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক

আয়ের উৎসের সাথে কোনো সংগতি নেই, অথচ গড়ে তুলেছেন সম্পদের পাহাড়। ভারতের ওড়িশা রাজ্যের কান্ধমাল জেলার বালিগুড়া সমন্বিত উপজাতি উন্নয়ন

2026-06-07T09:48:32+00:00
2026-06-07T09:48:50+00:00
 
  শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬,
১ কার্তিক ১৪৩৩
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
আন্তর্জাতিক
কর্মচারীর লকার থেকে উদ্ধার ২ কোটি রুপি, রয়েছে একাধিক বহুতল বাড়ি-ফ্ল্যাট
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: রোববার, ৭ জুন, ২০২৬, ৯:৪৮ এএম  আপডেট: ০৭.০৬.২০২৬ ৯:৪৮ এএম
সংগৃহীত ছবি
আয়ের উৎসের সাথে কোনো সংগতি নেই, অথচ গড়ে তুলেছেন সম্পদের পাহাড়। ভারতের ওড়িশা রাজ্যের কান্ধমাল জেলার বালিগুড়া সমন্বিত উপজাতি উন্নয়ন সংস্থার (আইটিডিএ) সহকারী নির্বাহী প্রকৌশলী বৈকুণ্ঠ নাথ বেহেরার বিরুদ্ধে এমনই এক চাঞ্চল্যকর দুর্নীতির অভিযোগ সামনে এসেছে। জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে তার ও তার পরিবারের সাথে সংশ্লিষ্ট ৯টি স্থানে একযোগে চিরুনি অভিযান চালিয়েছে ওড়িশা ভিজিল্যান্স বিভাগ।

ভুবনেশ্বরের বিশেষ ভিজিল্যান্স আদালতের পরোয়ানা নিয়ে চালানো এই অভিযানে এখন পর্যন্ত ওই প্রকৌশলীর পারিবারিক ব্যাংক লকার থেকে নগদ প্রায় ২ কোটি রুপি উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া বাড়ি তল্লাশির সময় আরও ২ লাখ ৬৬ হাজার রুপি জব্দ করা হয়। অভিযানটি এখনও চলমান রয়েছে এবং উদ্ধারকৃত সম্পদের পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সরকারি নথি অনুযায়ী, ১৯৯৯ সালে মাত্র ৬ হাজার রুপি মাসিক বেতনে জুনিয়র প্রকৌশলী হিসেবে চাকরিতে যোগ দিয়েছিলেন বৈকুণ্ঠ নাথ বেহেরা। চলতি বছরের শুরুতে তিনি সহকারী নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে পদোন্নতি পান। গত ২৫ বছরের চাকরিজীবনে বিভিন্ন উপজাতি উন্নয়ন সংস্থা ও প্রকৌশল বিভাগে দায়িত্ব পালনের আড়ালে তিনি অবৈধ সম্পদের এই পাহাড় গড়ে তোলেন।

ভিজিল্যান্সের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, ডেপুটি সুপার ও পরিদর্শকদের একটি বিশাল দল ভুবনেশ্বর, বালাসোর, জাজপুর এবং বালিগুড়ার বিভিন্ন স্থানে এই সমন্বিত অভিযান পরিচালনা করে। তদন্তকারীরা এখন পর্যন্ত এই প্রকৌশলী ও তার পরিবারের নামে ৫টি বহুতল ভবনের সন্ধান পেয়েছেন। এর মধ্যে ভুবনেশ্বরের নীলকণ্ঠ বিহার এলাকায় প্রায় ১০ হাজার ৫০০ বর্গফুট আয়তনের একটি চারতলা বিলাসবহুল প্রাসাদ রয়েছে। এছাড়া ভুবনেশ্বর এবং জাজপুর জেলায় আরও ৪টি আলিশান আবাসিক ভবন রয়েছে।

ভবন ছাড়াও ওড়িশার বিভিন্ন প্রাইম লোকেশনে ১৩টি মূল্যবান জমির প্লটের সন্ধান মিলেছে। যার মধ্যে ভুবনেশ্বরের সবচেয়ে ব্যয়বহুল এলাকাগুলোতেই রয়েছে ৭টি প্লট। বাকি জমিগুলো জাজপুর ও বারিপাদায় অবস্থিত।

ভিজিল্যান্স কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নগদ টাকা এবং স্থাবর সম্পত্তি ছাড়াও বৈকুণ্ঠ নাথের বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালঙ্কার, ব্যাংক আমানত, ডাক সঞ্চয়পত্র এবং বিভিন্ন আর্থিক সংস্থায় মোটা অঙ্কের বিনিয়োগের হদিস পাওয়া গেছে। বর্তমানে কারিগরি বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় এই সোনা ও স্থাবর সম্পত্তিগুলোর বাজারমূল্য নির্ধারণের কাজ চলছে।

  বিষয়:   ভারত  দুর্নীতি 


Advertisement
Loading...
Loading...
আন্তর্জাতিক- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: