উপেক্ষার বৃত্ত ভেঙে চর উন্নয়ন বোর্ড গঠনের দাবি

কায়সার রহমান রোমেল

সারাদেশ

বর্ষা বিদায় নিলে তিস্তা-ব্রহ্মপুত্র-যমুনার উত্তাল স্রোত ধীরে ধীরে শান্ত হয়। দূর থেকে তখন গাইবান্ধার চরগুলোকে মনে হয় জলের বুকে ভাসমান

2026-06-07T16:25:07+00:00
2026-06-07T16:25:07+00:00
 
  রবিবার, ৭ জুন ২০২৬,
২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
রবিবার, ৭ জুন ২০২৬
সারাদেশ
উপেক্ষার বৃত্ত ভেঙে চর উন্নয়ন বোর্ড গঠনের দাবি
কায়সার রহমান রোমেল
প্রকাশ: রোববার, ৭ জুন, ২০২৬, ৪:২৫ পিএম   (ভিজিট : ১৩)
নানাবিধ ফসলে সমৃদ্ধ চর অঞ্চল। ছবি : সময়ের আলো
বর্ষা বিদায় নিলে তিস্তা-ব্রহ্মপুত্র-যমুনার উত্তাল স্রোত ধীরে ধীরে শান্ত হয়। দূর থেকে তখন গাইবান্ধার চরগুলোকে মনে হয় জলের বুকে ভাসমান সবুজ দ্বীপ। শরতের হালকা বাতাসে ঢেউ তোলে সাদা কাশফুল। হেমন্তের ভোরে কুয়াশা কাটতেই পলিমাটির বুকে রোদের ঝিলিক পড়ে মিষ্টি কুমড়ার হলুদ ফুল ঝলমল করে ওঠে, সারি সারি পেঁয়াজ-রসুনের চারা মাথা তোলে, বাদামখেতে কৃষকের ব্যস্ত পদচারণায় মুখরিত হয় মাঠ। সব মিলিয়ে প্রকৃতির নিজ হাতে সাজানো যেন এক অপার সম্ভাবনার ভূখণ্ড। কিন্তু এই সৌন্দর্যের আড়ালে লুকিয়ে আছে এক দীর্ঘ উপেক্ষা ও বঞ্চনার ইতিহাস। সেই উপেক্ষার বৃত্ত ভেঙে চর উন্নয়ন বোর্ড গঠনের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ, সদর, ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলায় তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র ও যমুনাবেষ্টিত ১৬৫ টি চর ও দ্বীপচরে বাস প্রায় ৫ লাখ মানুষের। সারা দেশে ৩২ টি জেলার ১০০ টি উপজেলায় প্রায় ১৫ লাখ পরিবারে বসবাস করেন ৬০ লাখ চরবাসী। অথচ স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত এই বিশাল জনগোষ্ঠী থেকে গেছে জাতীয় পরিকল্পনার বাইরে। পার্বত্যাঞ্চলের জন্য পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড আছে, হাওড়াঞ্চলের জন্য আলাদা কর্তৃপক্ষ আছে, কিন্তু চরের জন্য নেই কিছুই। 

চরাঞ্চলে সবার বাড়িতেই থাকে ৪ থেকে ৫ টি গবাদি পশু।

চরাঞ্চলে সবার বাড়িতেই থাকে ৪ থেকে ৫ টি গবাদি পশু।


গাইবান্ধার দুর্গম গুপ্তমণি চরের বাসিন্দা ও ইউপি সদস্য মহির উদ্দিন বলেন, ‘চারপাশে থই-থই পানি, মাঝখানে জেগে থাকা বালুচর। বর্ষায় ভাসতে হয় বন্যার জলে, গ্রীষ্মে লড়তে হয় খরার সঙ্গে। তারওপর ভাঙন যুক্ত হলে সব হারিয়ে পথে বসতে হয়।’ এই বাস্তবতা কেবল গুপ্তমণি চরের নয়, সারা দেশের চরের চিত্র একই।

পরিসংখ্যান বলছে, দেশের মোট জনসংখ্যার ২৪.৩ শতাংশ দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করলেও চরাঞ্চলে অতি-দারিদ্র্যের হার ১২.৯ শতাংশ। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বাসস্থান- সব মৌলিক অধিকার থেকে প্রায় বঞ্চিত এই মানুষেরা। চরের প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থার চিত্র এখনও করুণ। বাল্যবিবাহ ও নারী নির্যাতনের হার চরাঞ্চলে সবচেয়ে বেশি। পরিবার ও পরিবারের বাইরে স্বীকৃতি ও মর্যাদার প্রশ্নে চরের নারীরা এখনও অনেক পিছিয়ে। অথচ চরের কৃষি উৎপাদনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখেন এই নারীরাই। সংবিধানের ১৯ (১) অনুচ্ছেদে সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতার যে প্রতিশ্রুতি, চরবাসীর জীবনে তার ছায়া পড়েনি আজও।

বাংলাদেশের মোট ভূমির প্রায় ১০ শতাংশ চরভূমি। তীব্র নদীভাঙন, বন্যা, খরাসহ বহু ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বেকারত্ব মোকাবিলা করেই বছরের প্রায় পুরো সময় ধরে চরের মানুষকে বেঁচে থাকতে হয়। ফসল উৎপাদনের সুযোগ কম থাকা, দুর্গম যোগাযোগব্যবস্থা, সরকারি মৌলিক সেবার অপর্যাপ্ততা, কর্মসংস্থানের স্বল্পতা— সব মিলিয়ে এই সংগ্রাম জন্মাবধি। তবু এই চরের মাটিতেই লুকিয়ে আছে অপার সম্ভাবনা। পল্লী উন্নয়ন একাডেমির তথ্য বলছে, দেশে প্রায় ৩৬ লাখ একর চরভূমির মধ্যে ১০ লাখ একর ইতোমধ্যে চাষের আওতায় এসেছে। কেবল ভুট্টা চাষ থেকেই ১৪ হাজার কোটি টাকা আয় সম্ভব। মরিচ, পাট, বাদামসহ অন্যান্য ফসল মিলিয়ে বছরে ২৫ হাজার কোটি টাকার ফসল উৎপাদন করা যায়। প্রায় প্রতিটি পরিবারেই রয়েছে ৪ থেকে ৫ টি গবাদিপশু। বিস্তীর্ণ চারণভূমিতে গরু-মহিষ-ছাগলের অবাধ বিচরণ। মৎস্য সম্পদেও ভরপুর এই জনপদ।


নদ-নদীবেষ্টিত গাইবান্ধার ৪ টি উপজেলার চরগুলোতে বছরে ২০ টির বেশি প্রজাতির ফসল উৎপাদিত হয়। চলতি মৌসুমে ২ হাজার হেক্টরের বেশি জমিতে ভুট্টা আবাদ হয়েছে। বাদাম চাষেও কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে। প্রায় ২ হাজার ৭৫ হেক্টর জমিতে বাদাম আবাদ হয়েছে এবার। প্রতি একরে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা খরচ হলেও আয় প্রায় দ্বিগুণ।

সাঘাটার হাসিলকান্দি চরের কৃষক তাজুল ইসলাম বলেন, ‘ফসলের অভাব নেই। কিন্তু কাঁচা ভুট্টাই বিক্রি করতে হয়। এখানে প্রক্রিয়াজাত করার সুযোগ থাকলে আরও বেশি দাম পেতাম।’

সদর উপজেলার কুন্দেরপাড়া চরের কৃষক আবদুল মান্নান বলেন, ‘মানুষ যদি আসে, আমাদের খেত দেখে, ফসল নেয়— তাহলে আমাদের আয়ও বাড়বে।’

সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ করলে চরাঞ্চল হতে পারে বাংলাদেশের অর্থনীতির নতুন চালিকাশক্তি।

সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ করলে চরাঞ্চল হতে পারে বাংলাদেশের অর্থনীতির নতুন চালিকাশক্তি।


চরের বিপুল কৃষি উৎপাদন এখনও মূল্য সংযোজনের সুযোগ পাচ্ছে না। ফুলছড়িতে সপ্তাহে ২ দিনের হাটে কোটি টাকার লাল মরিচ বিক্রি হয়, কিন্তু স্থানীয়ভাবে গুঁড়া বা প্যাকেটজাত করার কোনো সুবিধা নেই। দুধ উৎপাদন বাড়লেও কোল্ড চেইন না থাকায় ন্যায্যমূল্য মেলে না। সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণের অভাবে কৃষকের ঘামের ফসল চলে যায় মধ্যস্বত্বভোগীদের পকেটে। উৎপাদনে পিছিয়ে নেই চরের মানুষ- পিছিয়ে আছে শিল্পায়ন ও মূল্য সংযোজনে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ভুট্টাভিত্তিক পশুখাদ্য কারখানা, মরিচ প্রক্রিয়াজাত ও প্যাকেটজাত শিল্প এবং দুগ্ধ প্রক্রিয়াজাত ইউনিট গড়ে তোলা গেলে চরাঞ্চলের অর্থনীতিতে গুণগত পরিবর্তন আসতে পারে। ভুট্টা থেকে সাইলেজ ও প্রস্তুত পশুখাদ্য, মরিচ থেকে প্যাকেটজাত গুঁড়া ও মশলা, দুধ থেকে পাস্তুরিত প্যাকেট দুধ, দই, পনির ও ঘি- এই পণ্যগুলো যদি চরের মাটিতেই তৈরি হয়ে বাজারে যায়, তাহলে কাঁচামাল আর বাইরে পাঠাতে হবে না। একটি মাঝারি কারখানা সরাসরি ও পরোক্ষভাবে শতাধিক মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি করতে সক্ষম। এতে নারী শ্রমশক্তির অংশগ্রহণ বাড়বে, তরুণ উদ্যোক্তারা এগিয়ে আসবেন। চরের ফসল যদি চরের মাটিতেই প্রস্তুত পণ্য হয়ে বাজারে যায়, তবেই কেবল প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব।

চরের সম্ভাবনা কেবল কৃষি ও শিল্পেই সীমাবদ্ধ নয়। দেশের সব চর-দ্বীপচর ঘিরে গড়ে উঠতে পারে কৃষি পর্যটন বা এগ্রো-ট্যুরিজমের এক নতুন দিগন্ত। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা জিইউকে'র প্রধান নির্বাহী ও চর গবেষক এম. আবদুস সালাম বলেন, ‘শহরের মানুষ সকালে খেত পরিদর্শন করবে, কৃষকের সঙ্গে মাঠে নেমে ফসল তুলবে, দুপুরে খাবে খেতের টাটকা সবজি, বিকেলে নৌভ্রমণ করবে এবং সূর্যাস্ত দেখবে চরপাড়ে দাঁড়িয়ে- এই অভিজ্ঞতাভিত্তিক ভ্রমণই কৃষি পর্যটনের মূল আকর্ষণ হতে পারে।’


গাইবান্ধার ফুলছড়ির বালাশীঘাট ইতোমধ্যেই একটি পরিচিত নদীকেন্দ্রিক ভ্রমণস্থল। নিরাপদ জেটিঘাট, পরিকল্পিত নৌভ্রমণ ও আবাসন সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে বালাশীঘাটকে কেন্দ্র করে চরভিত্তিক পর্যটনের স্পট তৈরি সম্ভব। মৌসুমি কৃষি মেলা, পাখি পর্যবেক্ষণ, হোমস্টে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের স্টাডি ট্যুর- এসব উদ্যোগ জাতীয় পর্যায়ে আগ্রহ তৈরি করতে পারে। কৃষিবিদ সাদেকুল ইসলাম মনে করেন, চরের অর্গানিক পণ্যকে ব্র্যান্ডিং করা গেলে পর্যটকরা সরাসরি খেত থেকে টাটকা সবজি ও ফল কিনতে পারবেন। এতে কৃষকের লাভ বাড়বে, মধ্যস্বত্বভোগী কমবে। কৃষি পর্যটনের সবচেয়ে বড় শক্তি স্থানীয় মানুষের অতিথিপরায়ণতা। অনেক পরিবার হোমস্টে চালুর আগ্রহ দেখাচ্ছে। এতে নারীরা ঘরে তৈরি পিঠা, দুধজাত পণ্য ও হস্তশিল্প বিক্রির সুযোগ পাবেন; তরুণরা যুক্ত হবে গাইড ও উদ্যোক্তা হিসেবে।

সম্ভাবনার এই ছবির উল্টো পিঠে রয়েছে কিছু বাস্তব চ্যালেঞ্জ। লেখক ও গবেষক অধ্যাপক জহুরুল কাইয়ুম বলেন, ‘যোগাযোগব্যবস্থা এখনও সবচেয়ে বড় বাধা। অধিকাংশ চরে যেতে হয় নৌকায়। বর্ষায় স্রোত তীব্র থাকে, শুষ্ক মৌসুমে নাব্যতা কমে যায়। পাকা রাস্তা, নিরাপদ জেটিঘাট, জরুরি চিকিৎসা সুবিধা, মানসম্মত আবাসন- সবই সীমিত।’

পরিবেশ আন্দোলন গাইবান্ধার সভাপতি ওয়াজিউর রহমান রাফেল যোগ করেন, ‘প্রতি বছর নদীভাঙনে বসতি ও ফসলি জমি বিলীন হয়। অনিয়মিত বন্যা ও আকস্মিক স্রোত বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ঝুঁকির ধারণা তৈরি করে। পরিকল্পিত নদীশাসন ও টেকসই অবকাঠামো ছাড়া চরাঞ্চলের উন্নয়ন সম্ভব নয়।’

বিভিন্ন দাতাগোষ্ঠী ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংগঠনের সহযোগিতায় স্থানীয় উন্নয়ন সংগঠনগুলো বিভিন্ন চরে প্রকল্পভিত্তিক কিছু কাজ করলেও তার মাত্রা ও ব্যাপ্তি বড় নয়, স্থায়িত্বশীলতা নিয়েও প্রশ্ন আছে। সরকারের পক্ষ থেকে চরের মানুষের উন্নয়নে আজ পর্যন্ত সমন্বিত কোনো কর্মসূচি বা কর্মকৌশল নেওয়া হয়নি।

এই বাস্তবতায় সচেতন নাগরিক ও বিশেষজ্ঞরা একটি দাবিতে একমত- চর উন্নয়ন বোর্ড বা কর্তৃপক্ষ গঠন। তারা বলছেন, ‘বিপুল অর্থনৈতিক সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও স্বাধীনতার পর থেকে চরাঞ্চল রয়ে গেছে মূল পরিকল্পনার বাইরে। ফলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও উন্নত যোগাযোগব্যবস্থার অভাবে পিছিয়ে থাকছে ৬০ লাখ চরবাসী। একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা এবং চর উন্নয়ন বোর্ড গঠন করা হলে চরের দারিদ্র্য বহুলাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব।’

গাইবান্ধা জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিক বলেন, ‘পার্বত্য ও হাওরাঞ্চলের জন্য আলাদা কর্তৃপক্ষ আছে। কিন্তু চরের জন্য কিছুই নেই। সরকারের উচিত চর উন্নয়ন বোর্ড গঠন করা। তাহলে চরের কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদকে কাজে লাগিয়ে দেশের অর্থনীতি চাঙ্গা করা সম্ভব।’

প্রবীণ রাজনীতিক শাজাহান খান আবু বলেন, ‘অতীতে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন বোর্ড গঠিত হলেও তার কোনো কার্যকারিতা নেই। যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, কৃষিপণ্যের বাজারজাতকরণ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে পরিকল্পিত উদ্যোগ দরকার।’

গাইবান্ধার জেলা প্রশাসক মাসুদুর রহমান মোল্লা জানান, সম্প্রতি ডিসি সম্মেলনে উত্তরাঞ্চলের উন্নয়ন নিয়ে আলোচনায় চরাঞ্চলও স্থান পেয়েছে। প্রাণিসম্পদ ও মৎস্য খাতে বেশ কিছু প্রকল্প নিয়ে কাজ চলছে। 

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে ও দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে হলে চরের মানুষকে মূলধারার উন্নয়নে আনতেই হবে। কৃষি বিভাগ, পানি উন্নয়ন বোর্ড, স্থানীয় সরকার ও পর্যটন সংস্থার সমন্বিত উদ্যোগে একটি বাস্তবমুখী পরিকল্পনা নিতে হবে। সরকারি প্রণোদনা, সহজ ঋণ ও বিশেষ নীতিমালার মাধ্যমে বেসরকারি বিনিয়োগকে আকৃষ্ট করতে হবে। উঁচু স্থানে স্থাপনা, দুর্যোগসহনশীল নকশা ও সমবায়ভিত্তিক বিনিয়োগ মডেল গ্রহণ করলে ঝুঁকিও অনেকটা কমানো সম্ভব হবে।

চরবাসীরা এ দেশেরই মানুষ। তারা কেন অধিকারবঞ্চিত থাকবে? এসব চরভূমি ও ৬০ লাখ মানুষের এই জনপদকে যদি পরিকল্পনার আলোয় আনা যায়, তাহলে এই চরভূমিই হয়ে উঠতে পারে বাংলাদেশের অর্থনীতির নতুন চালিকাশক্তি। সেই স্বপ্ন পূরণে দরকার শুধু দূরদর্শী পরিকল্পনা ও রাজনৈতিক সদিচ্ছা। চরের মাটিতে উন্নয়নের বীজ বোনার এখনই সময়।

/মহু


  বিষয়:   চর উন্নয়ন বোর্ড  গাইবান্ধা  রংপুর  চর 


Loading...
Loading...
সারাদেশ- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: