প্রধানমন্ত্রীকে কেন চোখরাঙানি?

হা মীম কেফায়েত

মতামত

একটি সাইবার হামলায় যদি কোনো দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সব কম্পিউটার একসঙ্গে বিকল হয়ে যায়, সেটা অবশ্যই বড় ঘটনা। কিন্তু যদি

2026-06-10T14:57:56+00:00
2026-06-10T14:57:56+00:00
 
  বুধবার, ১০ জুন ২০২৬,
২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
মতামত
রেড টেলিফোন কাণ্ড
প্রধানমন্ত্রীকে কেন চোখরাঙানি?
হা মীম কেফায়েত
প্রকাশ: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ২:৫৭ পিএম   (ভিজিট : ১১)
গ্রাফিক : সময়ের আলো
একটি সাইবার হামলায় যদি কোনো দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সব কম্পিউটার একসঙ্গে বিকল হয়ে যায়, সেটা অবশ্যই বড় ঘটনা। কিন্তু যদি শুধু একটিমাত্র কম্পিউটার হ্যাক হয়, আর সেটিতে পারমাণবিক বোতামের অ্যাক্সেস কোড থাকে, তা হলে ক্ষতি কোনটায় বেশি? উত্তর সবাই জানেন। তবু আমরা প্রায়ই সংখ্যা দিয়ে বিপদ মাপি, গভীরতা দিয়ে নয়।

সচিবালয়ে সম্প্রতি যে ঘটনাটি ঘটেছে, সেটি সংখ্যায় সামান্য। মাত্র ৮ কেজি ২০০ গ্রাম তামার তার। ভাঙারিতে বিক্রি হয়েছে প্রতি কেজি ৬০০ টাকায়। মোট ৪ হাজার ৯২০ টাকা। একজন আউটসোর্সিং কর্মী, একজন ভাঙারি ব্যবসায়ী এবং একটি চুরির মামলা। কাগজে-কলমে বিষয়টি অতি সাধারণ। কিন্তু এই সংখ্যার আড়ালে যে প্রশ্নগুলো লুকিয়ে আছে, সেগুলো মোটেই সাধারণ নয়।

সচিবালয়ে শত শত টেলিফোন আছে। শত শত তার আছে। সেগুলো একযোগে চুরি হলে বলা যেত একটি সুযোগসন্ধানী দল ফাঁকা বাড়িতে ঢুকে যা পেয়েছে তাই নিয়েছে। কিন্তু এখানে তা ঘটেনি। এখানে কাটা হয়েছে একটি নির্দিষ্ট ক্যাবল। পুরোনো ১ নম্বর ভবন থেকে নতুন ১ নম্বর ভবন পর্যন্ত বিস্তৃত সেই কপার লাইনের মাধ্যমে সংযুক্ত ছিল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের লাল টেলিফোন, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের হটলাইন। বিটিসিএলের যুগ্ম সচিব পদমর্যাদার এক কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন, এই লাল টেলিফোনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে তাৎক্ষণিক সরাসরি কথা বলতে পারেন। এটি প্রধানমন্ত্রীর সবচেয়ে সংবেদনশীল যোগাযোগ-শিরা। আর সেই শিরাটিই কাটা হয়েছে। শুধু এই তথ্যটুকু জানলেই বোঝা যায়, ঘটনা কতটা গভীর।

এই পার্থক্যটা বোঝানোর জন্য একটি উপমা দেওয়া যেতে পারে। কেউ যদি ল্যাপটপের সব ফাইল মুছে দেয়, সেটা বড় ক্ষতি। কিন্তু কেউ যদি শুধু পাসওয়ার্ড ম্যানেজারটি চুপ করে কপি করে রেখে যায়, কিছুই মুছে না দেয়, তা হলে ভুক্তভোগী প্রথমদিকে বুঝতেও পারবেন না কী হারিয়েছেন। দ্বিতীয় ঘটনাটি বেশি বিপজ্জনক। কারণ সেখানে লক্ষ্য ধ্বংস নয়, লক্ষ্য সুবিধা অর্জন ও চক্রান্ত করা। এই ঘটনায়ও একই প্রশ্ন উঠছে। যে মানুষটি তার কাটলেন, তিনি কি জানতেন এই ক্যাবলের শেষ কোথায়?

ঘটনাটি ঘটেছে ২২ মে, ২০২৬। ঈদুল আজহার ছুটি। দেশ উৎসবে, অফিস বন্ধ, পাহারা স্বাভাবিকভাবেই শিথিল। সেই দিনটিই বেছে নেওয়া হয়েছিল। কাকতালীয় হতে পারে। কিন্তু পেশাদার নিরাপত্তার জায়গা থেকে কাকতালীয়তায় বিশ্বাস করা যায় না। কারণ ছুটির দিন বেছে নেওয়া মানে প্রতিক্রিয়ার সময় কমিয়ে দেওয়া। ধরা পড়ার আগেই কাজ সেরে ফেলা।

এরপর কেটে গেছে ১৩ দিন। একটি সূত্র জানাচ্ছে, বিটিসিএলের প্রকৌশলীরা টানা প্রায় ৭ ঘণ্টা কাজ করে লাইন পুনরুদ্ধার করেছেন। এই ৭ ঘণ্টা ধরে দেশের প্রধান নির্বাহীর সরাসরি যোগাযোগব্যবস্থার একটি অংশ কার্যত অচল অবস্থায় ছিল। কিন্তু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন এখানে সময় নিয়ে নয়, সচেতনতা নিয়ে।

প্রশ্ন হলো, লাইনটি বিচ্ছিন্ন হওয়ার বিষয়টি কি প্রধানমন্ত্রীর দফতর বা সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা কাঠামো প্রথম মুহূর্তেই জানতে পেরেছিল? নাকি অনেকটা সময় ধরে সেই হটলাইন নীরব ছিল এবং সেটি অচল হয়ে আছেÑ এই বাস্তবতা তখনও অজানা রয়ে গিয়েছিল? যদি দ্বিতীয়টি সত্য হয়, তা হলে প্রশ্ন আরও গভীর হয়। কতক্ষণ ধরে এই নীরবতা চলেছে এবং সেই সময়ে রাষ্ট্রের সবচেয়ে সংবেদনশীল যোগাযোগ ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ কার্যত অকার্যকর অবস্থায় ছিল কি না।

একটি সংকটময় মুহূর্ত কল্পনা করুন। যদি ওই সময় প্রধানমন্ত্রী রিসিভার তুলতেন এবং প্রান্তে কোনো সাড়া না পেতেন, যদি লাইন সম্পূর্ণ ডেড অবস্থায় থাকত, তা হলে সেই কয়েক সেকেন্ডের নীরবতা শুধু একটি প্রযুক্তিগত ত্রুটি হতো না বরং তা হয়ে উঠত রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার একটি গুরুতর প্রশ্ন। এই আশঙ্কাটিই সবচেয়ে অস্বস্তিকর এবং ঠিক এখানেই ঘটনাটির প্রকৃত গুরুত্ব আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

৪ জুন গ্রেফতার হয়েছেন আউটসোর্সিং কর্মী রঞ্জন চন্দ্র ও ভাঙারি ব্যবসায়ী রিজাকুল ইসলাম। ৫ জুন আদালত ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। তদন্তের ভার দেওয়া হয়েছে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটকে, সংক্ষেপে সিটিটিসিকে। 

এটি লক্ষণীয়। সাধারণ তার চুরির তদন্ত সাধারণত পুলিশ করে। সিটিটিসি করে না। সিটিটিসি নিজেও বলেছে, এই চুরির পেছনে একটি সংঘবদ্ধ চক্র জড়িত এবং মূল হোতাদের শনাক্তে তদন্ত চলছে। অর্থাৎ যারা তদন্ত করছেন, তারাও মনে করছেন এটি বিচ্ছিন্ন অপরাধ নয়।

এখন কিছু প্রশ্ন সরাসরি সামনে আনা দরকার, কারণ সেগুলোর উত্তরেই এই ঘটনার আসল স্বরূপ লুকিয়ে আছে।

রঞ্জন চন্দ্র কি নিজে থেকে জানতেন এই নির্দিষ্ট ক্যাবলের গন্তব্য? সচিবালয়ের একজন আউটসোর্সিং কর্মী সাধারণত এই তথ্য জানেন না। কারণ এই তথ্য টেকনিক্যাল এবং সংবেদনশীল। তা হলে কেউ কি তাকে বলেছিল কোন ছাদে যেতে হবে, কোন ক্যাবল কাটতে হবে? সেই কেউটি কে? এই প্রশ্নের সন্তোষজনক উত্তরই বলবে ঘটনাটি সত্যিকারের সাধারণ চুরি, নাকি পরিকল্পিত অপারেশন।

এই আউটসোর্সিং কর্মীকে কে নিয়োগ দিয়েছিল? কোন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে? সেই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কার যোগাযোগ? বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এসেছে মাত্র কয়েক মাস আগে। আগের সরকারের আমলে নিয়োগ পাওয়া শত শত আউটসোর্সিং কর্মী এখনও সচিবালয়ে কর্মরত। তাদের প্রত্যেকের বিষয়ে কি পুনরায় নিরাপত্তা যাচাই হয়েছে? না হলে এটি একটি বড় ফাঁক হয়ে আছে, যেটি প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তাব্যবস্থার জন্য অস্বস্তিকর।

আরেকটি প্রশ্ন টাইমিং নিয়ে। ১ মে, ২০২৬ জাতীয় নিরাপত্তা সমন্বয় কমিটি গঠিত হয়েছে। নতুন নিরাপত্তা কাঠামো তৈরি হচ্ছে, পুরোনো কাঠামো ভাঙা হচ্ছে। দুইয়ের মাঝের এই ক্রান্তিকাল সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ সময়। কমিটি গঠনের মাত্র ৩ সপ্তাহ যেতে না যেতেই এই ঘটনা। কেউ যদি নতুন নিরাপত্তাবলয়ের দুর্বল জায়গাগুলো খুঁজে বের করতে চায়, এই মুহূর্তটাই তার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন, এটা কি পূর্ণ আঘাত ছিল, না পরীক্ষামূলক আঘাত? মানে, দেখা হচ্ছে প্রতিক্রিয়া কেমন হয়, কতক্ষণে ধরা পড়ে, কে আসে, কোন দফতরে রিপোর্ট যায়? গোয়েন্দা পরিভাষায় এটাকে বলে ভালনারেবিলিটি ম্যাপিং। আজ তার কাটা হয়েছে। কাল কী আসতে পারে, সেটা জানতে হলে আজকের এই ঘটনাটির গভীরে যেতে হবে। কারণ কোনো সংঘবদ্ধ চক্র যদি দেশের প্রধান নির্বাহীর সবচেয়ে সংবেদনশীল যোগাযোগ লাইনকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে থাকে, তা হলে সেটি শুধু চুরি নয়, একটি বার্তাও। সেই বার্তা কার উদ্দেশ্যে, কারা পাঠিয়েছে এবং কেন, সেটিই এখন তদন্তের কেন্দ্রবিন্দু হওয়া উচিত। এই ঘটনাকে বিচ্ছিন্নভাবে দেখলে ভুল হবে। প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের ইতিহাস যারা জানেন, তারা এই তারের টুকরোটিকে শুধু তামার তার মনে করবেন না।

১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রামের সার্কিট হাউসে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এক সামরিক অভ্যুত্থানের সময় নিহত হন। ওই ঘটনায় সেনাবাহিনীর কিছু সদস্যের সম্পৃক্ততার কথা বিভিন্ন তদন্ত ও ইতিহাস আলোচনায় উঠে এসেছে। তার শাসনামলে একাধিক সামরিক অস্থিরতা ও অভ্যুত্থান চেষ্টার ঘটনা ঘটেছিল বলে বিভিন্ন সূত্রে উল্লেখ পাওয়া যায়, যদিও এসব ঘটনার সংখ্যা ও প্রকৃতি নিয়ে ভিন্ন মত রয়েছে। 

জিয়ার হত্যাকাণ্ডের বিচার পরবর্তী সময়ে সম্পন্ন হলেও বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক আলোচনা এখনও পুরোপুরি সমাপ্ত হয়নি। এই ঘটনাপ্রবাহ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হয়, যা পরবর্তী সময়ের রাজনৈতিক বাস্তবতাকেও প্রভাবিত করেছে। এই ইতিহাসের সুতো ধরেই বোঝা দরকার, এই পরিবারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে ভেতরের মানুষ ব্যবহারের ধারাটি কত পুরোনো।

এরপর জিয়াউর রহমানের ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকো মালয়েশিয়ায় মৃত্যুবরণ করেন ২০১৫ সালে। সেই মৃত্যুকে স্বাভাবিক মৃত্যু হিসেবে মেনে নিতে নারাজ দেশের বৃহৎ জনগোষ্ঠী। মামলা-হামলা, ছোট সন্তানের মৃত্যু ও বড় সন্তানের প্রবাসজীবনের দূরত্বে ক্রমাগত ক্লান্ত হতে থাকেন খালেদা জিয়া। অসুস্থ হলে চিকিৎসা গ্রহণের অধিকারও সীমিত করে তাকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়া হয়। এসব শুধু রাজনৈতিক নিপীড়ন নয়, একটি পরিবারকে মানসিকভাবে ভেঙে দেওয়ার পরিকল্পিত ফ্যাসিবাদী প্রচেষ্টা। আর এই প্রচেষ্টার ভিক্টিম ছিলেন তিনিও, যিনি আজ প্রধানমন্ত্রী।

তারেক রহমান প্রায় দেড় যুগ নির্বাসনে কাটিয়েছেন। মায়ের কষ্ট দূর থেকে দেখেছেন। ভাইয়ের মৃত্যুতে মাকে সশরীরে সান্ত্বনা দিতে পারেননি। দেশে ফিরলে গ্রেফতারের ভয় ছিল। বিচারবহির্ভূত মামলায় দীর্ঘ সাজা ঘোষিত হয়েছিল তার বিরুদ্ধে। আদালতের মাধ্যমে তার নাম সংবাদমাধ্যমে ছাপা ও সম্প্রচারের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। রাষ্ট্রীয় কাঠামো ব্যবহার করে একজন মানুষকে এভাবে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল। ২০২৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর তিনি দেশে ফিরেছেন। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনে জিতে প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। এপ্রিলে টাইম ম্যাগাজিনের প্রভাবশালী ১০০ জনের তালিকায় নাম উঠেছে। কিন্তু যারা এই পরিবারকে নিঃশেষ করতে চেয়েছিল, তারা কি সত্যিই থেমে গেছে বা থেমে আছে?

পতন ঘটলেই বা পলায়নে বাধ্য হলেই ফ্যাসিবাদ বিনষ্ট হয় না। সে পোশাক বদলায়। প্রকাশ্য গুলির বদলে ‘অদৃশ্য’ গুলি করে, তার কাটে। সরাসরি হামলার বদলে দৃশ্যমান নয় এমন ক্ষত তৈরি করে। সবচেয়ে ভয়ের বিষয়, বিদায়ি ব্যবস্থার যে মানুষগুলো এখনও রাষ্ট্রের ভেতরে ঘাপটি মেরে আছে, তাদের চেনা কঠিন। তারা কাজ করে, রিপোর্ট দেয়, সভায়ও বসে এবং সুযোগ খোঁজে এবং সুযোগের অপেক্ষায় বিনয়াবনতও হয়।

তাই আমার কথা নিরাপত্তায় নিয়োজিতদের কাছে। সংখ্যা দিয়ে বিপদ মাপবেন না। মাত্র ৮ কেজি তার, মাত্র ৪ হাজার টাকা, এই সংখ্যাগুলো আপনাকে ঘুম পাড়িয়ে দিতে পারে। জাগিয়ে রাখবে প্রশ্নগুলো। কার নির্দেশে, কোন তথ্যের ভিত্তিতে, কোন উদ্দেশ্যে এই নির্দিষ্ট তারটি কাটা হলো? রঞ্জন চন্দ্রের পেছনে তৃতীয় কেউ আছে কি না এবং সেই কেউ যদি থাকে, সে একা নাকি নেটওয়ার্কের অংশ?

একটি শত্রু পুরো বাড়ি আক্রমণের আগে দেখে নেয়, কোন দরজার তালা সবচেয়ে দুর্বল। রিমান্ড শেষে চার্জশিটে কার কার নাম আসে, সেটা দেখার অপেক্ষায় আছি। সচিবালয়ের প্রতিটি আউটসোর্সিং কর্মীর নিরাপত্তা যাচাই নতুন করে হওয়া দরকার। প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা মানে শুধু দেহরক্ষী নয়। তার চারপাশের প্রতিটি তার, প্রতিটি সংযোগ, প্রতিটি মানুষ। একটি ছোট তারও কোনো কারণ ছাড়া কাটা থাকা উচিত নয়।

এই পরিবার অনেক হারিয়েছে। তারেক রহমান পিতার হত্যা দেখেছেন, ভাইয়ের মৃত্যু দেখেছেন, বিধবা মায়ের দীর্ঘ কষ্ট দেখেছেন। এই ইতিহাস জেনে যারা তার নিরাপত্তায় আছেন, তাদের কাছে জাতির প্রত্যাশা একটাই। এই পরিবারটিকে আর কোনো বিপদে পড়তে দেবেন না।

মরিয়া শত্রু সবচেয়ে বিপজ্জনক এবং প্রধামন্ত্রীর সব শত্রু এখনও মরিয়া।

চিফ আর্টিস্ট, সময়ের আলো

এএডি/


Loading...
Loading...
মতামত- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: