স্পিরুলিনা : ভবিষ্যৎ খাদ্যের নতুন দিশা

ড. শহীদুল ইসলাম

মতামত

স্পিরুলিনার গল্প আমাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দেয়। গবেষণায় সফল হওয়া যথেষ্ট নয়; সেই গবেষণাকে শিল্পে, শিল্পকে বাজারে এবং বাজারকে বৈশ্বিক

2026-08-08T06:58:12+00:00
2026-08-08T06:58:12+00:00
 
  শনিবার, ৮ আগস্ট ২০২৬,
২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
শনিবার, ৮ আগস্ট ২০২৬
মতামত
স্পিরুলিনা : ভবিষ্যৎ খাদ্যের নতুন দিশা
ড. শহীদুল ইসলাম
প্রকাশ: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৫৮ এএম 
গ্রাফিক : সময়ের আলো
স্পিরুলিনার গল্প আমাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দেয়। গবেষণায় সফল হওয়া যথেষ্ট নয়; সেই গবেষণাকে শিল্পে, শিল্পকে বাজারে এবং বাজারকে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় নিয়ে যেতে পারলেই প্রকৃত সাফল্য আসে। বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা বহু বছর আগে যে ভিত্তি তৈরি করেছিলেন, এখন সময় এসেছে সেই ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে নতুন প্রজন্মের একটি জ্ঞাননির্ভর খাদ্যশিল্প গড়ে তোলার। বিশ্ব যখন ভবিষ্যতের খাদ্য খুঁজছে, তখন বাংলাদেশের সামনে একটি বিরল সুযোগ রয়েছে।

বিশ্বের খাদ্যব্যবস্থা আজ এক অভূতপূর্ব পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। একসময় খাদ্য উৎপাদনের মূল লক্ষ্য ছিল ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য নিশ্চিত করা। কিন্তু একবিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয় দশকে এসে সেই ধারণা দ্রুত বদলে যাচ্ছে। এখন শুধু খাদ্য উৎপাদন করলেই হবে না; সেই খাদ্য হতে হবে পুষ্টিকর, নিরাপদ, পরিবেশবান্ধব এবং টেকসই। জলবায়ু পরিবর্তন, কৃষিজমির সংকোচন, পানির ঘাটতি, জীববৈচিত্র্যের ক্ষয়, খাদ্য অপচয় এবং বৈশ্বিক পুষ্টিহীনতা- সব মিলিয়ে বিশ্ব এমন এক বাস্তবতার মুখোমুখি, যেখানে প্রচলিত কৃষি ও খাদ্য উৎপাদন পদ্ধতির পাশাপাশি নতুন সমাধান খুঁজে বের করা অপরিহার্য হয়ে উঠেছে।

এ কারণেই আজ বিশ্বের বড় বড় খাদ্য কোম্পানি, গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং বিনিয়োগকারীরা বিকল্প প্রোটিন, মাইক্রোঅ্যালগি, প্রিসিশন ফারমেন্টেশন, সেলুলার কৃষি, কার্বন ডাই-অক্সাইড থেকে খাদ্য উৎপাদন এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক খাদ্য প্রযুক্তিতে শত শত কোটি ডলার বিনিয়োগ করছে। ইউরোপ, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, জাপান ও সিঙ্গাপুরে নতুন নতুন খাদ্য প্রযুক্তি কোম্পানি গড়ে উঠছে। এমনকি বহু আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারী বিশ্বাস করে, আগামী দুই দশকে খাদ্য প্রযুক্তি খাত বিশ্বের অন্যতম বড় শিল্পে পরিণত হবে।

এই বৈশ্বিক পরিবর্তনের মধ্যে বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো- আমরা কি শুধুই বিদেশের উদ্ভাবন অনুসরণ করব, নাকি এমন কোনো ক্ষেত্র রয়েছে যেখানে আমরা অনেক আগেই কাজ শুরু করেছিলাম? বিস্ময়কর হলেও সত্য, বিশ্বের অন্যতম আলোচিত টেকসই খাদ্য উপাদান স্পিরুলিনা নিয়ে বাংলাদেশে গবেষণা শুরু হয়েছিল প্রায় চার দশক আগে। শুধু গবেষণাই নয়, স্থানীয় পরিবেশে চাষ, উৎপাদন প্রযুক্তি উন্নয়ন, পাইলট স্কেলে উৎপাদন এবং উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজও সম্পন্ন হয়েছিল। কিন্তু নানা কারণে সেই গবেষণা আজও একটি বৃহৎ শিল্পে রূপ নিতে পারেনি।

বাংলাদেশে স্পিরুলিনার ইতিহাস তাই শুধু একটি অণুজীবের গল্প নয়; এটি একটি সম্ভাবনার গল্প, একটি অপূর্ণ স্বপ্নের গল্প এবং একই সঙ্গে ভবিষ্যতের নতুন সম্ভাবনারও গল্প।

স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জগুলোর একটি ছিল খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা। খাদ্য উৎপাদন ধীরে ধীরে বাড়লেও শিশু, নারী এবং নিম্নআয়ের মানুষের মধ্যে প্রোটিন ও মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টের ঘাটতি দীর্ঘদিন ধরে একটি জাতীয় সমস্যা ছিল। সে সময় দেশের বিজ্ঞানীরা এমন একটি খাদ্য উৎসের সন্ধান করছিলেন, যা অল্প জায়গায় উৎপাদন করা যায়, উৎপাদন ব্যয় কম, পুষ্টিমান অত্যন্ত বেশি এবং স্থানীয় পরিবেশে চাষ করা সম্ভব। এই প্রয়োজন থেকেই বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (বিসিএসআইআর) স্পিরুলিনা নিয়ে গবেষণার উদ্যোগ গ্রহণ করে।

বাংলাদেশে স্পিরুলিনা গবেষণার সঙ্গে সবচেয়ে বেশি যে নামটি উচ্চারিত হয়, তিনি হলেন বিজ্ঞানী ড. ফ্লোরা জাইবুন মজিদ। তার নেতৃত্বে বিসিএসআইআরের গবেষকরা স্পিরুলিনার স্থানীয় উৎপাদন, পুষ্টিমান, চাষাবাদ পদ্ধতি এবং উৎপাদন ব্যয় কমানোর প্রযুক্তি নিয়ে দীর্ঘদিন কাজ করেন। সে সময় পৃথিবীর খুব অল্প কয়েকটি দেশই স্পিরুলিনাকে ভবিষ্যতের খাদ্য হিসেবে গুরুত্ব দিচ্ছিল। বাংলাদেশ সেই অল্প কয়েকটি দেশের একটি ছিল। এ দৃষ্টিকোণ থেকে বলা যায়, আমাদের গবেষকরা সময়ের অনেক আগেই ভবিষ্যতের একটি প্রযুক্তি নিয়ে কাজ শুরু করেছিলেন।

স্পিরুলিনা আসলে কী? অনেকেই এটিকে শৈবাল বলে থাকেন, যদিও বৈজ্ঞানিকভাবে এটি সায়ানোব্যাকটেরিয়া বা নীল-সবুজ অণুজীবের একটি দল। এটি সূর্যালোক, পানি এবং কিছু খনিজ উপাদান ব্যবহার করে খুব দ্রুত বৃদ্ধি পায়। প্রচলিত ফসলের তুলনায় এর বৃদ্ধি অনেক দ্রুত এবং একই পরিমাণ জমি থেকে তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি প্রোটিন উৎপাদন করা সম্ভব।

স্পিরুলিনার সবচেয়ে বড় শক্তি এর পুষ্টিগুণ। শুকনো স্পিরুলিনায় সাধারণত ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত প্রোটিন থাকে। তুলনা করলে দেখা যায়, গরুর মাংসে প্রোটিন প্রায় ২৫ শতাংশ, ডালে প্রায় ২২ শতাংশ এবং সয়াবিনে প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ। অর্থাৎ প্রোটিনের দিক থেকে স্পিরুলিনা বিশ্বের অন্যতম সমৃদ্ধ খাদ্য উৎস। শুধু প্রোটিনই নয়, এতে রয়েছে ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স, বিটা-ক্যারোটিন, আয়রন, ম্যাগনেশিয়াম, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম এবং বিভিন্ন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এ কারণেই একে অনেক সময় ‘সুপারফুড’ বলা হয়। তবে শুধু পুষ্টিমান বেশি হলেই কোনো খাদ্য শিল্পে পরিণত হয় না। সেটিকে এমনভাবে উৎপাদন করতে হয় যাতে উৎপাদন খরচ কম হয় এবং সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে থাকে। বিসিএসআইআরের বিজ্ঞানীদের সবচেয়ে বড় অর্জন ছিল এখানেই।

সে সময় আন্তর্জাতিকভাবে ব্যবহৃত স্পিরুলিনার কালচার মিডিয়া ছিল ব্যয়বহুল এবং বিদেশ থেকে আমদানি করতে হতো। ফলে বাংলাদেশে বড় আকারে উৎপাদন অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক হওয়ার সম্ভাবনা ছিল কম। এই সমস্যার সমাধান করতে বিসিএসআইআরের গবেষকরা স্থানীয়ভাবে সহজলভ্য রাসায়নিক ব্যবহার করে নতুন কালচার মিডিয়া তৈরি করেন। ইফ-১, ইফ-২, ইফ-৩, ইফ-৪ এবং ইফ-৫ নামে পরিচিত এই দেশীয় ফর্মুলেশনগুলো উৎপাদন ব্যয় কমিয়ে আনে এবং বাংলাদেশের পরিবেশে স্পিরুলিনা চাষকে আরও বাস্তবসম্মত করে তোলে।

এই গবেষণার আরেকটি বড় দিক ছিল প্রযুক্তিকে গবেষণাগারে সীমাবদ্ধ না রাখা। বিসিএসআইআর পাইলট স্কেলে উৎপাদন শুরু করে, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ দেয় এবং ছোট আকারের কংক্রিটের ট্যাঙ্ক ও পুকুরে স্পিরুলিনা চাষের বাস্তব মডেল তৈরি করে। লক্ষ্য ছিল- গ্রামীণ পর্যায়েও যেন কম খরচে স্পিরুলিনা উৎপাদন সম্ভব হয়। অনেক উদ্যোক্তা এই প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে সীমিত আকারে বাণিজ্যিক উৎপাদনও শুরু করেন। বাজারে স্পিরুলিনা পাউডার, ট্যাবলেট এবং ক্যাপসুল পাওয়া যায়।

কিন্তু এখানেই বাংলাদেশের গল্পে একটি মোড় আসে। গবেষণায় সাফল্য এলেও সেই সাফল্য বড় শিল্পে রূপ নিতে পারেনি। গবেষণাগার থেকে কারখানায়, কারখানা থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছানোর যে দীর্ঘ যাত্রা, সেখানে আমরা পিছিয়ে পড়ি। গবেষণা প্রতিষ্ঠান প্রযুক্তি তৈরি করলেও শিল্প খাত থেকে বড় বিনিয়োগ আসেনি। ভোক্তাদের মধ্যেও স্পিরুলিনা সম্পর্কে সচেতনতা ছিল সীমিত। ফলে উৎপাদন ছোট পরিসরেই আটকে থাকে।

আজ পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। যে স্পিরুলিনা একসময় শুধু স্বাস্থ্য-পরিপূরক হিসেবে পরিচিত ছিল, সেটিই এখন বিশ্বের অন্যতম আলোচিত খাদ্য উপাদান। আন্তর্জাতিক খাদ্য কোম্পানিগুলো আর শুধু স্পিরুলিনা পাউডার বিক্রি করছে না; তারা স্পিরুলিনা থেকে উচ্চমূল্যের প্রোটিন, ক্লোরোফিল, ফাইকোসায়ানিন, প্রাকৃতিক নীল ও সবুজ রং এবং বিভিন্ন কার্যকর খাদ্য উপাদান উৎপাদন করছে। এগুলো ব্যবহার হচ্ছে আইসক্রিম, স্মুদি, স্পোর্টস নিউট্রিশন, গামি, শিশু খাদ্য, উদ্ভিদভিত্তিক বিকল্প মাংস, দুগ্ধজাত পণ্য এবং স্বাস্থ্যকর পানীয় তৈরিতে।

অর্থাৎ বিশ্বের দৃষ্টিভঙ্গি বদলে গেছে। স্পিরুলিনা আর শুধু একটি খাদ্য-পরিপূরক নয়; এটি এখন একটি শিল্প কাঁচামাল, একটি কার্যকর খাদ্য উপাদান এবং ভবিষ্যতের খাদ্য প্রযুক্তির অন্যতম ভিত্তি। প্রশ্ন হলো, যে দেশ এই প্রযুক্তি নিয়ে বহু বছর আগে গবেষণা করেছিল, সেই বাংলাদেশ কি আবারও এই যাত্রায় নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ নিতে পারবে?

আমরা দেখেছি, কীভাবে প্রায় চার দশক আগে বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ স্পিরুলিনা নিয়ে গবেষণার মাধ্যমে দেশের খাদ্য প্রযুক্তিতে এক নতুন সম্ভাবনার সূচনা করেছিল। স্থানীয় পরিবেশে চাষাবাদ, উৎপাদন প্রযুক্তি উন্নয়ন এবং কম খরচে কালচার মিডিয়া তৈরির মতো গুরুত্বপূর্ণ সাফল্যও অর্জিত হয়েছিল। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এত সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও কেন বাংলাদেশে স্পিরুলিনা একটি শক্তিশালী শিল্পে পরিণত হলো না? এর পেছনে একক কোনো কারণ নয়, বরং একাধিক কারণ একসঙ্গে কাজ করেছে। 

গত দুই দশকে স্পিরুলিনার পরিচয় আমূল বদলে গেছে। একসময় এটি শুধু স্বাস্থ্য-পরিপূরক হিসেবে পরিচিত ছিল। বর্তমানে এটি একটি বহুমাত্রিক শিল্প কাঁচামালে পরিণত হয়েছে। বিশ্বের খাদ্য কোম্পানিগুলো এখন আর শুধু স্পিরুলিনা পাউডার বিক্রি করছে না; তারা স্পিরুলিনা থেকে উচ্চমূল্যের প্রোটিন, ক্লোরোফিল, ফাইকোসায়ানিন, ক্যারোটিনয়েড এবং অন্যান্য জৈব সক্রিয় উপাদান পৃথক করে বিভিন্ন খাদ্য ও পুষ্টিপণ্যে ব্যবহার করছে।

বাংলাদেশে বর্তমানে খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে। দেশে শতাধিক মাঝারি ও বড় খাদ্য কোম্পানি রয়েছে। তাদের অনেকেরই গবেষণা ও উন্নয়ন বিভাগ আছে। কিন্তু অধিকাংশ প্রতিষ্ঠান এখনও বিদেশি উপাদান, বিদেশি ফর্মুলেশন অথবা আন্তর্জাতিক উপাদান সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভরশীল। এটি স্বাভাবিক হলেও দীর্ঘমেয়াদে নিজস্ব গবেষণাভিত্তিক খাদ্য উপাদান তৈরি করতে না পারলে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকা কঠিন হবে।

স্পিরুলিনা হতে পারে সেই পরিবর্তনের একটি সূচনা। বাংলাদেশ যদি স্পিরুলিনা থেকে শুধু পাউডার নয়, বরং প্রোটিন এক্সট্র্যাক্ট, প্রাকৃতিক খাদ্য রং, ফাংশনাল ইনগ্রেডিয়েন্ট এবং নিউট্রাসিউটিক্যাল উপাদান উৎপাদন করতে পারে, তা হলে নতুন একটি শিল্প খাত গড়ে উঠতে পারে। এতে দেশীয় বাজারের পাশাপাশি রফতানির সুযোগও সৃষ্টি হবে।

স্পিরুলিনার গল্প আমাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দেয়। গবেষণায় সফল হওয়া যথেষ্ট নয়; সেই গবেষণাকে শিল্পে, শিল্পকে বাজারে এবং বাজারকে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় নিয়ে যেতে পারলেই প্রকৃত সাফল্য আসে। বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা বহু বছর আগে যে ভিত্তি তৈরি করেছিলেন, এখন সময় এসেছে সেই ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে নতুন প্রজন্মের একটি জ্ঞাননির্ভর খাদ্যশিল্প গড়ে তোলার।

বিশ্ব যখন ভবিষ্যতের খাদ্য খুঁজছে, তখন বাংলাদেশের সামনে একটি বিরল সুযোগ রয়েছে। আমাদের নিজস্ব গবেষণা, দক্ষ মানবসম্পদ, অনুকূল জলবায়ু এবং ক্রমবর্ধমান খাদ্যশিল্প- এই চারটি শক্তিকে একত্রিত করতে পারলে স্পিরুলিনা শুধু একটি গবেষণার বিষয় হয়ে থাকবে না; এটি হতে পারে বাংলাদেশের নতুন শিল্প বিপ্লবের অন্যতম চালিকাশক্তি। যে যাত্রার শুরু হয়েছিল প্রায় চার দশক আগে, সেটিকে পূর্ণতা দেওয়ার দায়িত্ব এখন আমাদের সবার।

লেখক : খাদ্য বিজ্ঞানী; ইনোভেশন ম্যানেজার, সালুটিভিয়া, বার্মিংহাম, যুক্তরাজ্য
মতামত লেখকের নিজস্ব

সময়ের আলো/এসএকে


  বিষয়:   স্পিরুলিনা  ভবিষ্যৎ  খাদ্য  সময়ের আলো 


Loading...
Loading...
মতামত- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: