ম্যাচজুড়ে সুযোগের পর সুযোগ নষ্ট, পোস্টে লেগে ফিরে আসা শট আর গোলের জন্য দীর্ঘ অপেক্ষা- সব নাটকীয়তার অবসান ঘটল একেবারে শেষ মুহূর্তে। বদলি হিসেবে মাঠে নামা আমাদ দিয়ালো ৯০ মিনিটে গোল করে আইভরি কোস্টকে এনে দেন গুরুত্বপূর্ণ জয়। তার একমাত্র গোলে ইকুয়েডরকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করেছে আফ্রিকার দলটি।
সোমবার (১৫ জুন) ফিলাডেলফিয়ায় অনুষ্ঠিত ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছিল ইকুয়েডর।
প্রথমার্ধে কয়েকটি দারুণ সুযোগও তৈরি করে দক্ষিণ আমেরিকার প্রতিনিধিরা। তবে ভাগ্য তাদের পক্ষে ছিল না। এনার ভ্যালেন্সিয়া প্রতিপক্ষের ভুল কাজে লাগিয়ে ভালো অবস্থানে বল পেলেও লক্ষ্যভ্রষ্ট হন। পরে জন ইয়েবোহ ও অ্যালান মিন্দার নেওয়া দুটি শট যথাক্রমে ক্রসবার ও পোস্টে আঘাত করে ফিরে আসে।
আরও পড়ুন
আইভরি কোস্টও বসে ছিল না। তরুণ ইয়ান দিয়োমান্দের গতি ও দক্ষতায় ডান প্রান্ত দিয়ে একের পর এক আক্রমণ গড়ে ওঠে। কিন্তু শেষ মুহূর্তে সঠিক ফিনিশিংয়ের অভাবে গোলের দেখা পাচ্ছিল না দলটি। নিকোলা পেপের কয়েকটি প্রচেষ্টাও ব্যর্থতায় শেষ হয়।
বিরতির পর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধীরে ধীরে নিজেদের হাতে নেয় আইভরি কোস্ট। দিয়োমান্দে একাধিকবার প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগে আতঙ্ক ছড়ালেও লক্ষ্যভেদ করতে পারেননি। এলি ওয়াহির একটি শটও ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে।
অন্যদিকে ইকুয়েডরও পাল্টা আক্রমণে বিপজ্জনক ছিল। গনসালো প্লাতা ও এনার ভ্যালেন্সিয়ার সমন্বয়ে তৈরি হওয়া একটি সুযোগ অল্পের জন্য গোল হয়নি। এছাড়া দূরপাল্লার শটে গোলরক্ষক ইয়াহিয়া ফোফানাকে পরীক্ষায় ফেলেছিলেন প্লাতা।
যখন ম্যাচটি গোলশূন্য ড্রয়ের দিকেই এগোচ্ছিল, তখনই আসে সিদ্ধান্ত নির্ধারণী মুহূর্ত। উইলফ্রিড সিঙ্গোর দুর্দান্ত দৌড় ও নিখুঁত ক্রস থেকে বল পেয়ে ডি-বক্সের প্রান্তে দাঁড়িয়ে অসাধারণ এক শটে জাল খুঁজে নেন আমাদ দিয়ালো। শেষ বাঁশি বাজার আগমুহূর্তে করা সেই গোলেই উল্লাসে মাতে আইভরি কোস্ট শিবির।
এএডি/