জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের নবনিযুক্ত পরিচালক (ক্রীড়া) জাহেদ পারভেজ চৌধুরীকে ফুলেল সংবর্ধনা জানিয়েছে বাংলাদেশ টেবিল টেনিস ফেডারেশন।
গতকাল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে তার অফিস কক্ষে এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন টেবিল টেনিস ফেডারেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট খোন্দকার হাসান মুনীর সুমন এবং সাধারণ সম্পাদক সাইদুল হক সাদীসহ ফেডারেশনের অন্য শীর্ষ কর্মকর্তারা।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে টেবিল টেনিস ফেডারেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট খোন্দকার হাসান মুনীর সুমন বলেন, ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পরিচালক (ক্রীড়া) পদে একজন ক্রীড়াবিদকে মনোনীত করার বিষয়টি পুরো ক্রীড়াঙ্গনকে আনন্দিত ও উদ্দীপ্ত করেছে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, নতুন পরিচালক অত্যন্ত সুনিপুণভাবে ক্রীড়াঙ্গন ও ক্রীড়াবিদদের সুবিধা-অসুবিধাগুলো অনুধাবন এবং সমাধান করবেন। এ সময় টেবিল টেনিস ভেন্যুর মানোন্নয়নের ওপর বিশেষ জোর দিয়ে তিনি বলেন, টেবিল টেনিস ভেন্যুটি আন্তর্জাতিক মানে রূপান্তর করতে হলে অনুশীলনের জায়গার সম্প্রসারণ প্রয়োজন। ভেন্যুর পাশের খালি জায়গাটি টেবিল টেনিস ও ব্যাডমিন্টনকে যৌথভাবে বরাদ্দ দিলে সেখানে একটি হোস্টেল, একটি জিম এবং দুটি পৃথক প্র্যাকটিস গ্রাউন্ড নির্মাণ করা সম্ভব হবে।
তিনি বলেন, অতীতে টেবিল টেনিস দল কমনওয়েলথ গেমসের কোয়ার্টার ফাইনাল খেলা এবং সাউথ এশিয়ান জুনিয়রে স্বর্ণপদক অর্জনের মতো দারুণ সাফল্য অর্জন করা সত্ত্বেও মাত্র ২৫ লাখ টাকা বার্ষিক বরাদ্দ পেত। অথচ তুলনামূলক কম সফল অনেক ফেডারেশন ৭০, ৮০ বা ৯০ লাখ টাকা পর্যন্ত বরাদ্দ পেয়ে থাকে। বিষয়টি পুনর্বিবেচনার জন্য তিনি নতুন পরিচালকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল হক সাদী নিজের ক্রীড়াবিদ জীবনের কথা স্মরণ করে বলেন, আমি নিজে একজন খেলোয়াড় ছিলাম। তাই একজন সাবেক খেলোয়াড়ের এই গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত হওয়া আমার জন্য অত্যন্ত আনন্দের ও গর্বের বিষয়।
সব বক্তব্য শুনে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের নবনিযুক্ত পরিচালক (ক্রীড়া) জাহেদ পারভেজ চৌধুরী বলেন, টেবিল টেনিসসহ বিভিন্ন খেলাধুলা এবং এর মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম সম্পর্কে তার স্পষ্ট ধারণা রয়েছে। তিনি ক্রীড়াঙ্গনে একটি প্রকৃত ক্রীড়াবান্ধব পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এবং খুব দ্রুতই বর্তমানের সব বিশৃঙ্খলা দূর করার ঘোষণা দেন।
সময়ের আলো/প্রিন্ট/জেডি