যুক্তরাজ্যের ব্যবসা ও বাণিজ্যবিষয়ক মন্ত্রী পিটার কাইল রোববার বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার সোমবার তার পদত্যাগের ঘোষণা দিতে যাচ্ছেন বলে বিশ্বাস করার মতো কোনো কারণ তিনি দেখছেন না।
স্কাই নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কাইল জানান, শুক্রবার তার সঙ্গে স্টারমারের একটি “খোলামেলা” আলোচনা হয়েছিল।
ব্রিটেনের দ্য অবজারভার পত্রিকা জানিয়েছে যে স্টারমার সোমবার পদত্যাগের ঘোষণা দিতে পারেন এবং তার সরে যাওয়ার সময়সূচি প্রকাশ করতে পারেন। তবে সরকারের একটি সূত্র বলেছে, প্রধানমন্ত্রী এখনও দেশ পরিচালনার কাজেই মনোযোগী রয়েছেন।
স্টারমারের পদত্যাগের সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে কাইল বলেন, এসব খবর সত্য বলে বিশ্বাস করার মতো কোনো তথ্য আমার কাছে নেই। আমি শুধু অনেক জল্পনা-কল্পনা দেখতে পাচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, আজও, যেমন আমি কিয়ারকে সব সময় দেখেছি, তিনি কঠোর পরিশ্রম করছেন। একই সঙ্গে তিনি এমন কিছু সময় বের করার চেষ্টা করছেন, যাতে বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতা, চ্যালেঞ্জ এবং আমাদের সামনে থাকা সুযোগগুলো নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করতে পারেন।
শুক্রবারের আলোচনার বিস্তারিত সম্পর্কে কাইল কিছু বলতে অস্বীকৃতি জানান। তবে তিনি বলেন, আলোচনা ছিল দীর্ঘ এবং একবারও তিনি নিজের স্বার্থের কথা বলেননি। সব সময়ই দেশের স্বার্থের কথাই বলেছেন।
গত কয়েক মাস ধরে স্টারমারের নেতৃত্বের ওপর যে চাপ তৈরি হচ্ছিল, তা শুক্রবার আরও বেড়ে যায়। কারণ তার প্রধান রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম পার্লামেন্টে একটি আসন জয় করেন, যার ফলে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে নেতৃত্বের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেওয়ার সুযোগ পান।
দ্য অবজারভারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্টারমার তার গ্রামীণ সরকারি বাসভবন চেকার্সে স্ত্রীকে নিয়ে বিষয়টি আলোচনা করছেন এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে পরিস্থিতি বিবেচনা করছেন। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, লেবার পার্টির জ্যেষ্ঠ নেতারা আশা করছেন যে প্রধানমন্ত্রী তার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে সোমবারের মধ্যেই স্পষ্ট বক্তব্য দেবেন।
/ইউএমএইচ