খুলনার দৌলতপুর এলাকার কাশীপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র জামে মসজিদে ঢুকে দুই মুসল্লিকে গুলি করার ঘটনায় পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। ঘটনার কয়েকদিন পার হলেও অভিযুক্তরা এখনও গ্রেপ্তার না হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ আরও বেড়েছে।
এর আগে ঘটনায় হেলমেট পরা কয়েকজন ব্যক্তি মসজিদে প্রবেশ করে লোকমান হাকিম (৪৮) ও ব্যবসায়ী আলম (৫৫) নামের দুই মুসল্লিকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। স্থানীয়দের দাবি, হামলাকারীরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে ঘটনাটি ঘটিয়েছে।
এ ঘটনায় আরমান, সাজ্জাদ ও মেহেদী ওরফে ‘কানা মেহেদী’র নাম উঠে এসেছে। এছাড়া স্থানীয়ভাবে সাবেক এক কাউন্সিলরের সম্পৃক্ততার অভিযোগও আলোচনায় রয়েছে, যদিও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
ভুক্তভোগী লোকমান হাকিম সময়ের আলোর প্রতিবেদককে জানান, তাকে পরিকল্পিতভাবে টার্গেট করেই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি ব্যক্তিগত ও জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরেই এ ঘটনা ঘটতে পারে বলে সন্দেহ করছেন এবং আরমানসহ কয়েকজনকে দায়ী করছেন।
স্থানীয় সূত্র বলছে, অভিযুক্তদের মধ্যে কয়েকজনের বিরুদ্ধে মাদক, অস্ত্র, চাঁদাবাজি ও হত্যাসহ একাধিক মামলা রয়েছে। তাদের প্রভাবশালী পরিচয়ের কারণে প্রকাশ্যে চলাফেরার অভিযোগও তুলেছেন এলাকাবাসী।
এ ঘটনায় দৌলতপুর থানার ওসি জানিয়েছেন, একজনকে আটক করা হয়েছে এবং বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। পুলিশের দাবি, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করা হয়েছে এবং তাদের ধরতে সর্বোচ্চ চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
অন্যদিকে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, হামলার পর থেকেই অভিযুক্তরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে পুরো এলাকায় এখনো আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়রা দ্রুত সব আসামিকে গ্রেপ্তার করে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
সময়ের আলো/এসএকে