জিম্বাবুয়ে সফরের শুরু থেকে ব্যাটিং ব্যর্থতাই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হয়ে দাঁড়িয়েছে। একমাত্র টেস্ট, ওয়ানডে সিরিজ পেরিয়ে সেই ধারাবাহিকতা বজায় ছিল প্রথম টি-টোয়েন্টিতেও। বুলাওয়েতে সিরিজের প্রথম ম্যাচে ১৭১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশ ১৩৮ রানে গুটিয়ে গিয়ে বুধবার কুইন্স স্পোর্টস ক্লাবে ৩২ রানের হার দিয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরু করে সফরকারীরা।
আজ একই ভেন্যুতে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে মুখোমুখি হবে দুই দল। সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচে জয়ের বিকল্প নেই বাংলাদেশের সামনে। অন্যদিকে জয় পেলেই ২০২২ সালের পর প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতবে জিম্বাবুয়ে।
প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপে ধস নামান জিম্বাবুয়ের দুই পেসার রিচার্ড এনগারাভা ও ব্লেসিং মুজারাবানি। দুজনই নেন চারটি করে উইকেট। তবে শুধু টি-টোয়েন্টিতেই নয়, পুরো সফরজুড়েই এই দুই পেসারের সামনে ভুগেছে বাংলাদেশের ব্যাটাররা। বাংলাদেশের সিনিয়র সহকারী কোচ মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন মনে করেন, এনগারাভা ও মুজারাবানিকে খেলতে ব্যাটারদের আরও ভালো পরিকল্পনা নিয়ে নামতে হবে।
প্রথম টি-টোয়েন্টিতে হারের পর তিনি বলেন, জিম্বাবুয়ের এই দুই বোলারের উচ্চতা অনেক বেশি। তাই যেকোনো উইকেট থেকেই তারা অতিরিক্ত বাউন্স আদায় করতে পারে। পরের ম্যাচের আগে আমাদের মূল চিন্তার জায়গা হওয়া উচিত, কীভাবে এই দুজনকে সামলানো যায়। কারণ প্রথম ম্যাচে ওরাই ৮টি উইকেট নিয়েছে।
নিজেদের মাঠে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের পর টানা পাঁচটি টি-টোয়েন্টিতে হেরেছে বাংলাদেশ। সালাউদ্দিনের মতে, সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো একই ভুল বারবার করেও সেখান থেকে শিক্ষা না নেওয়া।
তিনি বলেন, আমরা প্রতিটি ম্যাচই জেতার জন্য মাঠে নামি। তবে আমাদের ব্যাটারদের নির্দিষ্ট কয়েকজন বোলারের বিপক্ষে আরও কৌশলী হতে হবে। তাহলেই আমরা ভালো করতে পারব। কিন্তু আমরা নিয়মিত একই ভুল করে যাচ্ছি। এর মানে, আমরা ভুল করেও শিক্ষা নিচ্ছি না। পরিস্থিতির সঙ্গে আমাদের মানিয়ে নিতেই হবে।
প্রথম টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশ ৩৪ রানের মধ্যে হারায় প্রথম তিন উইকেট। এরপর ৮ রানে শেষ পাঁচ উইকেট হারিয়ে ১৩০ থেকে মাত্র ১৩৮ রানে হয় অলআউট।
এই ব্যর্থতার দিনে তিন বছর পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরা ইয়াসির আলী রাব্বী একাই যা লড়েছেন। অভিষেক ফিফটিকে নিয়ে যান ৫৪ রান পর্যন্ত। শেখ মাহেদী হাসানের সঙ্গে তার ৫২ রানের জুটিই ছিল বাংলাদেশের ইনিংসের একমাত্র লড়াইয়ের বার্তা।
সময়ের আলো/আআ