ফুটবল বিশ্বে লিওনেল মেসির পরিচয় আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি হিসেবে। তবে নতুন এক বংশগত গবেষণায় উঠে এসেছে, চাইলে এই মহাতারকা ব্রাজিল জাতীয় দলের হয়েও খেলতে পারতেন!
ইতালীয় ইতিহাসবিদ ফিওরেনজো সান্তিনি তিন বছর ধরে চালানো এক গবেষণায় দাবি করেছেন, মেসির মায়ের পরিবারের শিকড় ব্রাজিলের সঙ্গে যুক্ত।
ইয়াহু স্পোর্টসের এক প্রতিবেদনে গ্লোবোর তথ্য উল্লেখ করে বলা হয়েছে, মেসির মাতৃপরিবারের এক পূর্বপুরুষ বিংশ শতাব্দীর শুরুতে ব্রাজিলের সাও পাওলো অঙ্গরাজ্যের রিবেইরাও প্রেতো শহরে জন্মগ্রহণ করেন।
পরে ১৯০৫ সালের দিকে ওই পরিবার আর্জেন্টিনার রোজারিও শহরে বসতি স্থাপন করে। এই বংশগত সূত্রের কারণে আইনগতভাবে ব্রাজিলের নাগরিকত্ব পাওয়ার সুযোগ ছিল মেসির। ফলে ইচ্ছা করলে ব্রাজিলের জার্সি গায়ে মাঠে নামার পথও তার সামনে খোলা ছিল।
শুধু ব্রাজিল নয়, পারিবারিক সূত্রে ইতালির হয়েও খেলার যোগ্যতা ছিল মেসির।
এছাড়া ১৩ বছর বয়সে স্পেনে পাড়ি দেওয়ার পর দেশটির নাগরিকত্ব পাওয়ায় স্পেন জাতীয় দলের হয়েও খেলার সুযোগ তৈরি হয়েছিল। স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশনও একসময় তাকে দলে ভেড়ানোর চেষ্টা করেছিল। তবে মেসি নিজের জন্মভূমি আর্জেন্টিনাকেই বেছে নেন।
স্পেনের সাবেক কোচ ভিসেন্তে দেল বস্কে জানিয়েছিলেন, মেসিকে স্পেনের হয়ে খেলানোর জন্য ফেডারেশন সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছিল। কিন্তু নিজের দেশের প্রতি ভালোবাসা থেকেই আর্জেন্টিনাকে বেছে নিয়েছিলেন এই তারকা।
গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, রোজারিওতে বসবাস শুরু করার পর মেসির মাতৃপরিবারের মূল পদবি ‘কোচ্চেত্তিনি’ পরিবর্তিত হয়ে ‘কুচ্চিত্তিনি’ হয়, যা পরবর্তীতে পরিবারের পরিচিত পদবি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
সময়ের আলো/এমকে