সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার পিটাইটিকর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা বিউটি রাণী পালের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিও নিয়ে এখনও কোনো তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়নি। প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে সরকারি কর্মচারী আচরণবিধি বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারসংক্রান্ত নীতিমালার কোনো সুস্পষ্ট লঙ্ঘন হয়েছে বলেও মনে করছে না সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিলেট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাখাওয়াত এরশেদ।
তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস প্রাথমিকভাবে খোঁজখবর নিয়েছে। এ পর্যন্ত তদন্ত কমিটি গঠনের প্রয়োজনীয়তা দেখা যায়নি। সরকারি কর্মচারী আচরণবিধি বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারসংক্রান্ত নীতিমালার সুস্পষ্ট কোনো লঙ্ঘনের তথ্যও পাওয়া যায়নি।
ভিডিওটি ঘিরে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করা এবং সাইবার বুলিংয়ের শিকার হওয়ার অভিযোগ তুলেছেন প্রধান শিক্ষিকা বিউটি রাণী পাল। এ ঘটনায় শুক্রবার (২৪ জুলাই) ফেঞ্চুগঞ্জ থানায় তিনি একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফেঞ্চুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান।
জিডিতে অনিবন্ধিত অনলাইন সংবাদমাধ্যম 'ফেঞ্চুগঞ্জ প্রতিদিন' এবং প্রবাসী আসিফ আহমদ ইকবাল হিরণের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হয়রানি ও মানহানিকর প্রচারণার অভিযোগ আনা হয়েছে।
এর আগে প্রধান শিক্ষিকার একটি গানের রিল ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। পরে বিষয়টি নিয়ে শিক্ষক, লেখক, সাংবাদিক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিন্ন ভিন্ন মতামত প্রকাশ করেন। তবে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্তৃপক্ষ বলছে, এ পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী প্রশাসনিক তদন্তের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়নি।
সময়ের আলো/আতা