ফিফা থেকে ৮ কোটি ৬০ লাখ ডলার পেতে পারে বাংলাদেশ

খেলা

বিশ্বকাপকে ঘিরে নতুন এক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে ফিফা। সংস্থাটির সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর নতুন পরিকল্পনা বিশ্ব ফুটবলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে।

2026-07-30T12:00:10+00:00
2026-07-30T12:00:10+00:00
 
  রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
১২ আশ্বিন ১৪৩৩
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
খেলা
ফিফা থেকে ৮ কোটি ৬০ লাখ ডলার পেতে পারে বাংলাদেশ
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ১২:০০ পিএম 
ছবি : সংগৃহীত
বিশ্বকাপকে ঘিরে নতুন এক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে ফিফা। সংস্থাটির সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর নতুন পরিকল্পনা বিশ্ব ফুটবলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। তবে এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের মতো ছোট ফুটবল ফেডারেশনগুলোর জন্য বড় অঙ্কের অর্থায়নের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

ফিফা বিশ্বকাপের বাণিজ্যিক কার্যক্রমে বেসরকারি বিনিয়োগ আনার পরিকল্পনা করছে। এ জন্য ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ নামে একটি নতুন সহযোগী প্রতিষ্ঠান গঠন করা হবে। এই প্রতিষ্ঠানের অধীনে ফিফার সব ধরনের বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

এর মধ্যে থাকবে বিশ্বকাপ ও ক্লাব বিশ্বকাপের সম্প্রচার স্বত্ব, স্পনসরশিপ, টিকিট বিক্রি, লাইসেন্সিং এবং অন্যান্য বাণিজ্যিক অধিকার।

ফিফা জানিয়েছে, নতুন প্রতিষ্ঠানের একটি ছোট অংশ বাইরের বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রি করা হবে। প্রতিষ্ঠানটির প্রাথমিক মূল্য ধরা হয়েছে ২০ বিলিয়ন ডলার। এর মাধ্যমে প্রায় ৪ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার সংগ্রহের লক্ষ্য রয়েছে।

এই অর্থ ব্যয় করা হবে নতুন ফিফা ফাস্ট-ফরোয়ার্ড কর্মসূচিতে। এ প্রকল্পের আওতায় বিশ্বজুড়ে ফুটবলের উন্নয়নে ১০ বিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে।

তবে ফিফা স্পষ্ট করেছে, নতুন প্রতিষ্ঠান গঠন হলেও এর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ সংস্থাটির হাতেই থাকবে। ফুটবলের পরিচালনা, প্রতিযোগিতা আয়োজন, ম্যাচসূচি নির্ধারণ এবং সব ধরনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা ফিফার কাছেই থাকবে। তবে পরিকল্পনাটি কার্যকর করতে হলে ফিফার ২১১ সদস্য দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন প্রয়োজন হবে।


বাংলাদেশের মতো দেশ কত অর্থ পেতে পারে?
বর্তমান ফিফা ফরোয়ার্ড কর্মসূচি অনুযায়ী, ২০২৭ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে প্রতিটি সদস্য দেশ ৮ মিলিয়ন ডলার পাওয়ার কথা।

কিন্তু নতুন পরিকল্পনা অনুমোদিত হলে সদস্য দেশগুলো শুরুতেই ঐচ্ছিক সুবিধা হিসেবে ২০ মিলিয়ন ডলার পাবে। এরপর ২০২৭-৩০ মেয়াদে আরও ২০ মিলিয়ন ডলার, ২০৩১-৩৪ মেয়াদে ২২ মিলিয়ন ডলার এবং ২০৩৫-৩৮ মেয়াদে ২৪ মিলিয়ন ডলার দেওয়া হবে। সব মিলিয়ে একটি সদস্য দেশ সর্বোচ্চ ৮৬ মিলিয়ন ডলার পেতে পারে।

বাংলাদেশের মতো যেসব ফুটবল ফেডারেশন উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনায় ফিফার অনুদানের ওপর অনেকটাই নির্ভরশীল, তাদের জন্য এই অর্থ বড় ধরনের সহায়তা হতে পারে।

ফিফা উদাহরণ হিসেবে কেপ ভার্দে ও কুরাসাওয়ের কথা উল্লেখ করেছে। সংস্থাটির দাবি, ফিফা ফরোয়ার্ড কর্মসূচির সহায়তায় দেশ দুটি নিজেদের ফুটবল অবকাঠামো ও সক্ষমতা উন্নত করতে পেরেছে এবং বিশ্বকাপে খেলার মতো প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানে পৌঁছেছে।

সময়ের আলো/এসএকে
  বিষয়:   ফিফা  কোটি  লাখ  ডলার  বাংলাদেশ  সময়ের আলো 


Advertisement
Loading...
Loading...
খেলা- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: