গাজীপুরের কালিয়াকৈরে হরমোনজনিত কারণে এক নারী শিক্ষার্থীর শারীরিক পরিবর্তন ঘটে মেয়ে থেকে ছেলেতে রূপান্তরিত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে পুরো এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ওই শিক্ষার্থী স্থানীয় একটি স্কুল থেকে এবার এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন।
মঙ্গলবার (৩ জুলাই) মৌচাক কামরাঙ্গাচালা এলাকায় এ খবর ছড়িয়ে পড়লে তাকে একনজর দেখতে বাড়িতে হাজারো মানুষের ঢল নামে।
ওই শিক্ষার্থীর বাবার নাম আবদুল কাইয়ুম দেওয়ান। মেয়ে হিসেবে তার পূর্বের নাম ছিল কেয়া আক্তার। শারীরিক পরিবর্তনের পর বর্তমানে তার নতুন নাম রাখা হয়েছে আব্দুর কাবির দেওয়ান।
পরিবার ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, ওই শিক্ষার্থী স্থানীয় ধানসিঁড়ি পাবলিক স্কুলে ‘কেয়া আক্তার’ নামে পড়াশোনা করে আসছিলেন এবং এবার বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন। হরমোনজনিত কারণে তার শারীরিক অবস্থার পরিবর্তন ঘটলে বিষয়টি জানাজানি হয়। মঙ্গলবার সকাল থেকেই তার বাড়ির সামনে উৎসুক জনতার ভিড় জমে। মুহূর্তেই বিষয়টি পাড়ামহল্লাসহ বিভিন্ন মাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। তবে শিক্ষার্থী ও তার পরিবারের দাবি, গত ২০২৫ সালের শেষের দিকে এই শারীরিক পরিবর্তন শুরু হয়। লোকলজ্জার ভয়ে এতদিন বিষয়টি তারা গোপন রেখেছিলেন।
ধানসিঁড়ি পাবলিক স্কুলের প্রধান শিক্ষক নুরুল ইসলাম বলেন, কয়েক দিন আগে আমাদের ওই শিক্ষার্থীর মেয়ে থেকে ছেলেতে রূপান্তরের বিষয়টি আমরা জানতে পেরেছি। সে এতদিন ‘কেয়া’ নামেই আমাদের প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করেছে।
সময়ের আলো/জোই