কুড়িগ্রামে বৃষ্টির অভাবে শুকিয়ে যাচ্ছে আমন খেত

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

সারাদেশ

বৃষ্টির দেখা নেই, চলছে কাঠফাঁটা রোদ। বর্ষাকাল শেষ, এখন ভাদ্রমাস। দীর্ঘদিন বৃষ্টি না থাকায় কুড়িগ্রামের বিভিন্ন এলাকার আমন খেত শুকিয়ে

2026-08-30T14:49:38+00:00
2026-08-30T14:49:38+00:00
 
  রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬,
১৫ ভাদ্র ১৪৩৩
রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬
সারাদেশ
কুড়িগ্রামে বৃষ্টির অভাবে শুকিয়ে যাচ্ছে আমন খেত
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
প্রকাশ: রোববার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ২:৪৯ পিএম 
বৃষ্টির দেখা নেই, আমন খেত শুকিয়ে চৌচির হয়ে যাচ্ছে। ছবি : সময়ের আলো
বৃষ্টির দেখা নেই, চলছে কাঠফাঁটা রোদ। বর্ষাকাল শেষ, এখন ভাদ্রমাস। দীর্ঘদিন বৃষ্টি না থাকায় কুড়িগ্রামের বিভিন্ন এলাকার আমন খেত শুকিয়ে যাচ্ছে। কোথাও কোথাও জমিতে ফাটল ধরেছে। এতে ধানগাছের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি ফলন নিয়ে শঙ্কায় পড়েছেন কৃষকরা।

জেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে কুড়িগ্রামে এক লাখ ১০ হাজার ৫৫০ হেক্টর জমিতে আমন চাষ হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রা ছিল এক লাখ ২১ হাজার ৬০০ হেক্টর জমি।

সরেজ‌মি‌ন ঘুরে দেখা গেছে, কুড়িগ্রাম সদর, রাজারহাট, উলিপুর ও চিলমারী উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, নিচু জমির কিছু অংশে পানি থাকলেও উঁচু জমিগুলো একেবারে শুকিয়ে গেছে। কোথাও কোথাও মাটি সাদা হয়ে ফেটে গেছে। পানির অভাবে ধানগাছও বিবর্ণ হয়ে পড়েছে।

চিলমারী উপজেলার থানাহাট ইউনিয়নের মজারটারী গ্রামের কৃষক আলী আকবর, মোখলেছুর ও নাজমুল হক জানান, পানির অভাবে সময়মতো সার দিতে পারেন‌নি। পরে শুকনো জমিতেই সার দিতে হয়েছে। সার না গলার কারণে ছেউতি দিয়ে জমিতে পানি দিচ্ছেন।


উলিপুর উপজেলার নতুন অনন্তপুর গ্রামের কৃষক জয়নাল আবেদীন এ প্রতিনিধিকে বলেন, আমন ধান চাষ করার উপযুক্ত সময়ই পানির সংকট দেখা দেয়। সেচ দিয়ে চারা রোপণ করেছি। এরপর আর জমিতে পানি দিতে পারিনি।

একই এলাকার আরেক কৃষক ফুল বাবু মিয়া বলেন, পানির অভাবে জমি শুকিয়ে যাচ্ছে। বৃষ্টির অপেক্ষায় আছি। পানি না থাকায় ধানগাছও ঠিকমতো বাড়ছে না।

এদিকে পানি সংকটের পাশাপাশি আমন মৌসুমে সার নিয়েও কৃষকদের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে। সরকারি বরাদ্দ থাকলেও প্রয়োজনের সময় ইউনিয়ন পর্যায়ে সার না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন অনেকে। এতে বেশি দামে খোলা বাজার থেকে সার কিনতে হচ্ছে কৃষকদের।

কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, কুড়িগ্রামে বিএডিসির আওতায় ১১৪ জন এবং বিসিআইসির আওতায় ৯৪ জন সার ডিলার রয়েছেন। প্রতি ইউনিয়নে বিএডিসির তিনজন ও বিসিআইসির একজন ডিলার থাকার কথা। তবে বাস্তবে কোথাও কোথাও এর ব্যতিক্রম রয়েছে।

কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, আপাতত সারের সংকট নেই। ডিলাররা আগাম সেপ্টেম্বরে সার উত্তোলন করতে পারবেন। তবে পানির অভাবে কৃষকরা কিছুটা সমস্যায় পড়েছেন। এ সপ্তাহেই বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। বৃষ্টি হলে পানির সমস্যা সমাধান হবে।

সময়ের আলো/এনএন/জোই


  বিষয়:   কুড়িগ্রাম  শুকিয়ে যাচ্ছে  আমন খেত  বৃষ্টির দেখা নেই  কাঠফাঁটা  রোদ  সময়ের আলো 


Loading...
Loading...
সারাদেশ- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: