শেষ ছয় মিনিটে দুই গোল। একবার মনে হলো জয় নিশ্চিত ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের, পরক্ষণেই নাটকীয় সমতায় ফিরল এভারটন। রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত ২-২ গোলে ড্র হয়েছে দুই দলের ম্যাচ।
হিল ডিকিনসন স্টেডিয়ামে প্রথমার্ধে কোনো দলই গোলের দেখা পায়নি। ম্যাচের শুরুতে এভারটন বল দখলে এগিয়ে থাকলেও ধীরে ধীরে খেলায় ফেরে ইউনাইটেড। দুই দলই আক্রমণ সাজালেও গোলের মুখ খুলতে পারেনি।
বিরতির পর অবশ্য দ্রুতই ম্যাচের চিত্র বদলে যায়। দ্বিতীয়ার্ধ শুরুর বাঁশি বাজার পরপরই গোল করে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে এগিয়ে দেন ব্রায়ান মবেউমো। ৪৬ মিনিটে কোবি মাইনুর পাস থেকে ডি-বক্সের বাইরে থেকে বাঁ পায়ের শটে এভারটনের গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ডকে পরাস্ত করেন মবেউমো।
এরপর ম্যাচে সমতা ফেরাতে মরিয়া হয়ে ওঠে এভারটন। একের পর এক আক্রমণ চালালেও ইউনাইটেডের রক্ষণ ভাঙতে পারছিল না স্বাগতিকেরা। উল্টো ইউনাইটেডও ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ তৈরি করছিল।
শেষ পর্যন্ত ৮৩ মিনিটে কাঙ্ক্ষিত গোল পায় এভারটন। হ্যারি হ্যাকনির তৈরি করা সুযোগ কাজে লাগিয়ে ডান পায়ের শটে গোল করেন টি. জর্জ। তাতে ম্যাচে ১-১ সমতা ফেরে।
সমতা ফেরার পর দুই দলই জয়ের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। ৮৮ মিনিটে আবার এগিয়ে যায় ইউনাইটেড। বাঁ প্রান্ত থেকে লুক শয়ের নিখুঁত ক্রসে মাথা ছুঁইয়ে বল জালে পাঠান বেঞ্জামিন সেশকো। এতে ম্যাচের শেষ দিকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় সফরকারীরা।
কিন্তু ইউনাইটেডের সেই লিডও টেকেনি। যোগ করা সময়ের ষষ্ঠ মিনিটে দূরপাল্লার দুর্দান্ত শটে গোল করে এভারটনকে সমতায় ফেরান এ. মেইটল্যান্ড-নাইলস। ডান পায়ে বাইরে থেকে নেওয়া তাঁর শট ঠেকানোর কোনো সুযোগই দেননি ইউনাইটেড গোলরক্ষক সেনি লামেন্সকে।
এরপর আর কোনো গোল না হওয়ায় ২-২ সমতায় শেষ হয় ম্যাচ। বল দখলে সামান্য এগিয়ে ছিল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, ৫৫ শতাংশ সময় বল ছিল তাদের নিয়ন্ত্রণে। তবে শেষ পর্যন্ত এক পয়েন্ট নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয়েছে রুবেন আমোরিমের দলকে।
সময়ের আলো/টিকে