সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জীর মৃত্যু পেশাগত চ্যালেঞ্জটাকে দেখিয়ে দিয়েছে বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন। তার মতে, এটি অনাকাঙ্খিত দুর্ঘটনা নয়, এর শেকড় অনেক গভীরে। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বরিশাল নগরীর উত্তর মল্লিক রোডে পুলকের বাড়িতে গিয়ে শোকাহত স্বজনদের সান্ত্বনা দেওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।
এসময় সাংবাদিকদের জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, পুলকের সাথে আমার অনেক আগে থেকেই সম্পর্ক ও পরিচয়। আমি খুবই মর্মাহত ও বেদনা এখনো কাটিয়ে উঠতে পারিনি। তথ্য মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করার কারণে সাংবাদিক পেশা নিয়ে একটু ভিতরে ঢুকতে হয়েছে। সাংবাদিক পক্ষ ও মালিক পক্ষের স্বার্থ নিশ্চিত করে একটি ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন করবো। মালিক পক্ষের সাথে কথা বলেছি, সম্পাদক ও সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেছি। কিছুটা কাজ এগিয়ে দিয়ে এসেছি।
মন্ত্রী বলেন, আমাদের কাজটার সাথে এই মৃত্যুর সম্পর্ক রয়েছে। এই পেশা নিজেকে মর্যাদাবান করে। অন্যান্য পেশাতে নিজের ব্যক্তিগত স্বার্থই শুধু থাকে। কিন্তু সাংবাদিকতা পেশায় যারা জড়িত তারা বেতনের নিশ্চয়তা চায়, মর্যাদা চায়। আমি যদি সব কাজ করে আসতে পারতাম, তাহলে ভবিষ্যতে এই পরিস্থিতে কাউকে পড়তে হত না। আমি নীতিগতভাবে তিন পক্ষের নৈতিক সমর্থন তৈরি করে এসেছি।
তিনি আরও বলেন, পুলক আমাদের কাছে আর ফিরে আসবে না। শুধু প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করলেই হবে না, এটি ক্ষুদ্র অনাকাঙ্খিত দুর্ঘটনা নয়, এটির শিকড় অনেক দূরে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী গণমাধ্যমের ব্যাপাওর অনেক সচেতন। আমরা সবাই মিলে পুলকের পরিবারের দিকে খেয়াল রাখব। পুলকের মৃত্যু পেশাগত চ্যালেঞ্জটাকে দেখিয়ে দিয়ে গেছে।
জহির উদ্দিন স্বপন পুলক চ্যাটার্জীর স্ত্রী প্রিয়াংকা চ্যাটার্জী ও কন্যা প্রকৃতি চ্যাটার্জীর সাথে কথা বলেন এবং সার্বিক খোঁজখবর নেন।
এসময় বরিশাল মহানগর বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মীর জাহিদুল কবির, সাবেক সহ সম্পাদক আনোয়ারুল হক তারিণ, বরিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি আমিরুল ইসলাম খসরু ও সাধারণ সম্পাদক এসএম জাকির হোসেন, বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সভাপতি সুশান্ত ঘোষ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
সময়ের আলো/এনএন