ভোলার মনপুরা উপজেলার বিচ্ছিন্ন চরাঞ্চল ৫ নম্বর কলাতলী ইউনিয়ন ও কাজির চরের প্রায় ৫ হাজার মানুষের দীর্ঘদিনের যাতায়াত দুর্ভোগের অবসান ঘটেছে। এলাকা দুটির একমাত্র সংযোগ সড়কের রিপন হাওলাদার বাজার উত্তর পাশসংলগ্ন খালের ওপর নিজস্ব অর্থায়নে সেতু নির্মাণ করে দিয়েছেন মনপুরা উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক ও আসন্ন ৫ নম্বর কলাতলী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মামুন মিঞা। সেতুটির পাশে ‘রিপন হাওলাদার বাজার নূরানী ও হাফিজিয়া মাদরাাসা’ অবস্থিত হওয়ায় এখন কোমলমতি শিক্ষার্থীসহ সর্বস্তরের মানুষের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ৫ নম্বর কলাতলী ও কাজির চরের অধিবাসীদের যাতায়াত ও দৈনন্দিন কেনাকাটার মূল কেন্দ্র রিপন হাওলাদার বাজার। বাজারসংলগ্ন খালের ওপর সেতু না থাকায় কাজির চর ও কলাতলীর প্রায় ৫ হাজার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে চরম ভোগান্তির শিকার হয়ে আসছিলেন। বিশেষ করে রিপন হাওলাদার বাজার উত্তর পাশে অবস্থিত নূরানী ও হাফিজিয়া মাদরাসার শিশুশিক্ষার্থীদের প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে হতো। বর্ষা মৌসুমে এলাকার কৃষক, ব্যবসায়ী, অসুস্থ রোগী ও শিক্ষার্থীদের কষ্ট সীমাহীন পর্যায়ে পৌঁছাত। বহু জনপ্রতিনিধি আশ্বাস দিলেও সেতুটি নির্মিত হয়নি।
অবশেষে চরাঞ্চলের অবহেলিত মানুষের এই কষ্ট দূর করতে এগিয়ে আসেন চেয়ারম্যান প্রার্থী মামুন মিঞা। তিনি সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে টেকসই সেতুটি নির্মাণ করে দেন। সেতুটি চালু হওয়ায় কাজির চর ও ৫ নম্বর কলাতলীর হাজার হাজার মানুষ এবং মাদরাসার শিক্ষার্থীদের যাতায়াত সহজ ও নিরাপদ হয়েছে। এলাকার যোগাযোগব্যবস্থায় এসেছে ইতিবাচক পরিবর্তন।
নতুন সেতু পেয়ে আনন্দ প্রকাশ করে স্থানীয় বাসিন্দা মিজানুর রহমান বলেন, ৫ নম্বর কলাতলী ও কাজির চরের মানুষের রিপন হাওলাদার বাজারে আসা-যাওয়ার একমাত্র পথ এটি। পাশে মাদরাসা থাকায় ছোট ছেলেমেয়েদের নিয়ে সবসময় ভয়ে থাকতে হতো। চেয়ারম্যান প্রার্থী মামুন মিঞা নিজ খরচে সেতুটি করে দেওয়ায় আমাদের জীবনের বড় একটি ঝুঁকি ও কষ্ট দূর হলো।
এ বিষয়ে মামুন মিঞা বলেন, ৫ নম্বর কলাতলী ও কাজীর চরের মানুষের যাতায়াতের একমাত্র পথ এটি। বিশেষ করে রিপন হাওলাদার বাজার নূরানী ও হাফিজিয়া মাদরাসার শিশুশিক্ষার্থীদের যাতায়াতের কষ্ট দেখে আমি সিদ্ধান্ত নিই নিজ অর্থায়নে সেতুটি তৈরি করার। জনপ্রতিনিধি হওয়ার চেয়ে মানুষের সেবা করাই আমার মূল উদ্দেশ্য। এলাকাবাসীর উপকারে আসতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত।
সময়ের আলো/আতা