রাষ্ট্রের কোনো প্রতিষ্ঠানে অসৎ গোষ্ঠী, দুর্নীতিচক্র বা অনৈতিক সিন্ডিকেটকে প্রতিষ্ঠিত হতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকার একটি হোটেলে ‘অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের আইন কর্মকর্তাদের প্রসিকিউটরিয়াল নৈতিকতার নীতি ও অনুশীলন জোরদারকরণ’ শীর্ষক দুই দিনব্যাপী কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধবিষয়ক দফতর ইউএনওডিসির দক্ষিণ এশিয়া আঞ্চলিক কার্যালয় কর্মশালাটির আয়োজন করে। এতে সহযোগিতা করছে ইউএনডিপি বাংলাদেশ।
কর্মশালায় অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের ১৬০ জন আইন কর্মকর্তা অংশ নিচ্ছেন। পেশাগত সততা, স্বাধীনতা, মানবাধিকার ও আইনের শাসনের প্রতি আইন কর্মকর্তাদের অঙ্গীকার জোরদার করাই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।
অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘সমগ্র বিচার ব্যবস্থার প্রতি একটি দৃঢ় ও সুস্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে- কোনো রকম ঘুষ, দুর্নীতি ও অনিয়মের আশ্রয় এই অফিসে হবে না।’
আদালতের কার্যক্রম নস্যাৎ, কারসাজি কিংবা দুর্নীতির উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রের মামলা পরিচালনায় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা বরদাশত করা হবে না বলেও জানান তিনি। প্রয়োজনে ফৌজদারি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের ব্যবস্থার সুযোগ নিয়ে বাংলাদেশের গরিব মানুষের টাকা বিদেশে পাচার করা হয়। অনেক ক্ষেত্রে আমাদের কর্মকর্তাদের যোগসাজশ বা আদালতে তাদের দুর্বলতার ক্ষেত্রেও ওয়াকিবহাল আছি। আমরা মনে করি, দেশের মানুষের অর্থ বিদেশে পাচারের সঙ্গে যারা জড়িত, এক্ষেত্রে আমাদের অফিস বা সুপ্রিম কোর্টের কোনো শৈথিল্য যদি থেকে থাকে, আমরা শক্তভাবে অ্যাড্রেস করব।’
কর্মশালায় প্রসিকিউটরদের নৈতিকতা, রিমান্ড, সাক্ষ্য-প্রমাণ, ভুক্তভোগী ও সাক্ষীর সুরক্ষা এবং পুলিশ-প্রসিকিউশন সমন্বয়সহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে।
সময়ের আলো/এমকে