সুষ্ঠু, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও স্বচ্ছ নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতিতে সলোমন দ্বীপপুঞ্জকে ৪৩ কোটি জাপানি ইয়েন, অর্থাৎ প্রায় ৩ কোটি ডলার সহায়তা দেবে জাপান। ২০২৮ সালে দেশটির যৌথ নির্বাচন আয়োজনের সক্ষমতা বাড়াতে এ অর্থ জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) মাধ্যমে ব্যবহার করা হবে।
জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এ সহায়তার আওতায় সলোমন দ্বীপপুঞ্জের নির্বাচন কমিশনকে কারিগরি পরামর্শ ও সহায়তা দেওয়া হবে। পাশাপাশি ভোটারদের সচেতনতা বাড়াতেও বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। এসব উদ্যোগের লক্ষ্য নির্বাচন পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনায় কমিশনের সক্ষমতা বাড়ানো এবং ভোটারদের অংশগ্রহণ আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক করা।
জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে থাকা সলোমন দ্বীপপুঞ্জের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করা আইনের শাসনভিত্তিক ‘মুক্ত ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক’ গড়ে তুলতে সহায়ক।
জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি জানিয়েছে, এই সহযোগিতা সলোমন দ্বীপপুঞ্জে গণতান্ত্রিক শাসন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের প্রতি জাপানের অঙ্গীকারকে আরও জোরদার করেছে। একই সঙ্গে সংস্থাটি বলেছে, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহায়তার ধারাবাহিকতায় এই সহযোগিতা দেশটির নির্বাচনব্যবস্থা শক্তিশালী করতে ভূমিকা রাখবে।
প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপদেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে জাপানের সাম্প্রতিক উদ্যোগের অংশ হিসেবেও এ পদক্ষেপকে দেখা হচ্ছে। এসব দেশকে ঘিরে চীনের প্রভাব বাড়ার প্রেক্ষাপটে অঞ্চলটিতে বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার হয়েছে।
এদিকে সলোমন দ্বীপপুঞ্জের নতুন প্রধানমন্ত্রী ম্যাথিউ ওয়ালে দায়িত্ব নেওয়ার পর অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের উদ্যোগ নিয়েছেন। জুনে অস্ট্রেলিয়া সফরের সময় তিনি চীনের সঙ্গে ২০২২ সালে করা নিরাপত্তা চুক্তি পর্যালোচনার কথা জানান। তবে তিনি একই সঙ্গে চীনকে গুরুত্বপূর্ণ বন্ধু ও উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে রাখার কথাও বলেছেন।
সময়ের আলো/জেডি