মুকেশ আম্বানিকে পেছনে ফেলে আবারও ভারতের শীর্ষ ধনী ব্যক্তির জায়গা দখল করেছেন গৌতম আদানি। ২০২৬ সালের হুরুন ইন্ডিয়া রিচ লিস্টে আদানি ও তার পরিবারের মোট সম্পদের পরিমাণ দেখানো হয়েছে ৯২২ বিলিয়ন রুপি বা ৯ দশমিক ২২ লাখ কোটি রুপি।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত তালিকায় ৮৬৩ বিলিয়ন রুপি বা ৮ দশমিক ৬৩ লাখ কোটি রুপি সম্পদ নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান মুকেশ আম্বানি ও তার পরিবার।
জ্বালানি ও অবকাঠামাসহ বিভিন্ন খাতে ব্যবসা রয়েছে আদানির। তালিকায় তার ব্যবসায়িক ঘাঁটি হিসেবে ভারতের আহমেদাবাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যদিকে মুম্বাইভিত্তিক রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের মালিক আম্বানি রয়েছেন দ্বিতীয় অবস্থানে।
তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছেন ইস্পাত ব্যবসায়ী লক্ষ্মী নিবাস মিত্তাল ও তার পরিবার। তাদের মোট সম্পদের পরিমাণ ৩৩৯ বিলিয়ন রুপি বা ৩ দশমিক ৩৯ লাখ কোটি রুপি। লন্ডনভিত্তিক আর্সেলর মিত্তাল তার প্রধান ব্যবসা।
চতুর্থ স্থানে রয়েছেন ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের সঙ্গে যুক্ত সাইরাস এস পুনাওয়ালা ও তার পরিবার। তাদের সম্পদের পরিমাণ ৩০৩ বিলিয়ন রুপি।
এইচসিএলের রোশনি নাদার মালহোত্রা ও তার পরিবার ২৭৮ বিলিয়ন রুপি সম্পদ নিয়ে পঞ্চম অবস্থানে রয়েছেন। ষষ্ঠ স্থানে আদিত্য বিড়লা গ্রুপের কুমার মঙ্গলম বিড়লা ও তার পরিবার। তাদের সম্পদের পরিমাণ ২৬৯ বিলিয়ন রুপি।
সান ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজের দিলীপ সাংভি ২৬৫ বিলিয়ন রুপি নিয়ে সপ্তম এবং উইপ্রোর প্রতিষ্ঠাতা আজিম প্রেমজি ও তার পরিবার ২৬৩ বিলিয়ন রুপি নিয়ে অষ্টম অবস্থানে রয়েছেন।
বেদান্তা রিসোর্সেসের অনিল আগরওয়াল ও তার পরিবার ২০৮ বিলিয়ন রুপি নিয়ে নবম এবং টরেন্ট ফার্মাসিউটিক্যালসের সমীর মেহতা ও তার পরিবার ১৮৯ বিলিয়ন রুপি সম্পদ নিয়ে দশম স্থানে রয়েছেন।
তালিকায় কোটাক মাহিন্দ্রা ব্যাংকের উদয় কোটাক ১১৮ বিলিয়ন রুপি সম্পদ নিয়ে ১৫তম এবং ডিএলএফের রাজীব সিং ও তার পরিবার ১১০ বিলিয়ন রুপি নিয়ে ১৯তম অবস্থানে রয়েছেন। এছাড়া তালিকায় ভারতী এয়ারটেলের প্রতিষ্ঠাতা সুনীল মিত্তাল, টিভিএস মোটরের ভেনু শ্রীনিবাসন, এশিয়ান পেইন্টসের ইনা অশ্বিন দানি, জোহোর রাধা ভেম্বু এবং জেরোধার সহপ্রতিষ্ঠাতা নিখিল কামাথের নামও রয়েছে।
২০২৫ সালের তালিকার তুলনায় এবার বড় পরিবর্তন এসেছে। গত বছর ৯৫৫ বিলিয়ন রুপি পারিবারিক সম্পদ নিয়ে শীর্ষে ছিলেন মুকেশ আম্বানি। সে সময় ৮১৫ বিলিয়ন রুপি সম্পদ নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিলেন গৌতম আদানি।
সময়ের আলো/ইউএমএইচ