বার্সেলোনার রক্ষণভাগে হঠাৎ তৈরি হয়েছে বড় শূন্যতা। সেভিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে আন্দ্রেয়াস ক্রিস্টেনসেনের চোটে প্রায় দেড় থেকে দুই মাসের জন্য মাঠের বাইরে থাকায় নতুন সমাধান খুঁজতে হচ্ছে কোচ হানসি ফ্লিককে। সেই জায়গায় আলোচনায় উঠে এসেছেন ১৯ বছর বয়সী ঘানিয়ান ডিফেন্ডার হাফিজ গারিবা।
আক্রার সাধারণ গলি থেকে উঠে আসা গারিবার ফুটবলে উত্থানটাও বেশ চমকপ্রদ। মারসেট অ্যাকাডেমির নজরে আসার পর স্পেনে পাড়ি জমান তিনি। তবে আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে শুরুতে বার্সেলোনার মূল একাডেমিতে সুযোগ হয়নি। খেলেছেন কাতালান চতুর্থ বিভাগের ক্লাব কোদোলারে। সেখানেই পারফরম্যান্স দিয়ে নজর কাড়েন রিয়াল মাদ্রিদ ও বার্সেলোনার।
শেষ পর্যন্ত বার্সেলোনার লা মাসিয়া প্রকল্পেই যোগ দেন এই তরুণ। রিয়ালের আগ্রহ থাকলেও বার্সার একাডেমি কর্তৃপক্ষের পরিকল্পনাই তাঁকে কাতালান ক্লাবে নিয়ে আসে।
১.৮৭ মিটার উচ্চতার বাঁ-পায়ের সেন্টার-ব্যাক গারিবার বড় শক্তি তার গতি ও শারীরিক সক্ষমতা। ছোট জায়গায় দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া, ট্যাকলিং এবং পেছন থেকে নিখুঁতভাবে বল বাড়ানোর দক্ষতাও রয়েছে তার। ফ্লিকের উচ্চ ডিফেন্সিভ লাইনের কৌশলে এই বৈশিষ্ট্যগুলো তাঁকে কার্যকর করে তুলতে পারে।
তরুণ এই ডিফেন্ডারের পথ অবশ্য সবসময় মসৃণ ছিল না। গ্রীষ্মের শুরুতে ভাইরাসজনিত অসুস্থতার কারণে ইংল্যান্ড ক্যাম্পে যেতে পারেননি। তবে সেখান থেকে ফিরে রিজার্ভ দলের অন্যতম নির্ভরযোগ্য খেলোয়াড় হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। এরই মধ্যে ফ্লিকের মূল দলের অনুশীলনেও সুযোগ পেয়েছেন তিনি।
ক্রিস্টেনসেনের অনুপস্থিতিতে তাই গারিবার দিকে নজর থাকবে বার্সেলোনার। তবে মূল দলে নিয়মিত সুযোগ পাওয়া এবং বড় ম্যাচে নিজেকে প্রমাণ করা এখনো তার সামনে বড় পরীক্ষা। সেই পরীক্ষায় কতটা সফল হন, সেটিই বলে দেবে বার্সার রক্ষণে এই তরুণ সত্যিই কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারেন।
সময়ের আলো/টিকে