সাতক্ষীরার জেলা দেবহাটা উপজেলার বসন্তপুর ও নওয়াপাড়া গ্রামে পাগলা মহিষের আক্রমণে তিন বছরের শিশুসহ অন্তত সাতজন গুরুতর আহত হয়েছেন। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ভোরের দিকে এই আকস্মিক হামলার ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জবাই করার উদ্দেশ্যে একটি মহিষকে দেবহাটা বাজারে নেওয়ার সময় রশিতে টান পড়ে সেটি হাত থেকে ছুটে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে গ্রামবাসী মহিষটিকে আটকাতে গেলে এটি আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং একের পর এক পথচারী ও স্থানীয় লোকজনের ওপর এলোপাতাড়ি আক্রমণ চালায়। মহিষের এই আকস্মিক তাণ্ডবে পুরো এলাকায় মুহূর্তের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
এই আকস্মিক হামলায় আহতরা হলেন, বসন্তপুর গ্রামের ইসলাম সরদারের ছেলে ও মাংস ব্যবসায়ী মিজান সরদার, আব্দুল গফফারের স্ত্রী বেবি খাতুন, এবাদুল গাজীর ছেলে সিরাজুল ইসলাম, সিরাজুল ইসলামের ছেলে অয়ন আহমেদ, সিরাজুল ইসলামের স্ত্রী সীমা পারভীন এবং নওয়াপাড়া গ্রামের বাশার।
এসময় স্থানীয়রা দ্রুত এগিয়ে এসে আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে দেবহাটা উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরবর্তীতে আঘাতের তীব্রতা ও অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। আহতদের অনেকের শরীরে গুরুতর আঘাতের কারণে শরীরে গভীর ক্ষত সৃষ্টি হয়। এমন আকস্মিক ঘটনায় পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
পরে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় মহিষটিকে আটক করা সম্ভব হয়।
সময়ের আলো/এনএন