স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের (এলজিইডি) আওতাধীন সিরাজগঞ্জের তাড়াশে আঞ্চলিক সড়কে খানাখন্দের কারণে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এছাড়াও প্রতিনিয়ত ছোট-বড় গাড়ি উল্টিয়ে ঘটছে দুর্ঘটনা।
বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে বৃষ্টিপাতের কারণে সড়কের পিচ, খোয়া ও মাটি উঠে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় খানাখন্দ। এতে তাড়াশ-নওগাঁ আঞ্চলিক সড়কের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। তাতে করে ভোগান্তি বেড়েছে সাধারণ মানুষের।
সরজমিনে দেখা যায়, তাড়াশ থেকে নওগাঁ আঞ্চলিক সড়কের মহিষলুটি মৎস্য আড়ত কেন্দ্র করে প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মাছ ক্রয়- বিক্রয় করতে আসেন শত শত মৎস্য ব্যবসায়ীরা। সেখানে ট্রাক, পিকআপ, নসিমনসহ নানান গাড়ি যাতায়াত করে। এর ফলে খানাখন্দভরা সড়কে গাড়ি উল্টে ঘটছে দুর্ঘটনা।
মহিষলুটি মহাসড়কের উঠার সংযোগস্থলে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় যাতায়াত করা মানুষ ও যানবাহনগুলো উঠতে পারে না সহজেই। এছাড়া মহিষলুটি মৎস্য আড়ত থেকে নওগাঁর সড়কে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।
খানাখন্দ ও বড় বড় গর্তের কারণে এসব সড়কে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও পণ্যবাহী যান চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। সড়ক সংস্কার না হওয়ায় কৃষকরা সময়মতো ফসল বাজারে নিতে পারছেন না।
স্থানীয় ব্যবসায়ী রুহুল আমীন বলেন, আমি নিজেও অটোরিকশা করে যাওয়ার পথে উল্টে গিয়ে কোমরে ব্যথা পেয়েছি। তাছাড়া স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, গর্ভবতী নারী ও মুমূর্ষু রোগীদের হাসপাতালে নেওয়ার ক্ষেত্রেও চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। যাত্রীদের গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত ভাড়া।
স্থানীয় দিঘী গ্রামের মাসুদ রানা জানান, সড়কজুড়ে অসংখ্য খানাখন্দ ও বড় গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় যাতায়াত করা মানুষজন ও যানবাহনগুলোর দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে প্রায় দিন। তাই দ্রুত সড়কটিতে সংস্কার করার জন্য দাবি জানাচ্ছি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর (এলজিইডি) তাড়াশ উপজেলা প্রকৌশলী মো. ফজলুল হক বলেন, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে ওই সড়কের দুপাশে ঢালাই দিয়ে কাজ করা হবে।
সময়ের আলো/এনএন