রাশিয়ার ভূখণ্ডে সরাসরি হামলা হলে পরিস্থিতি অনুযায়ী দেশের হাতে থাকা ‘সব অস্ত্র’ ব্যবহারের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তবে ইউরোপের কোনো দেশে হামলার পরিকল্পনা মস্কোর নেই বলেও পুনর্ব্যক্ত করেছেন তিনি।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) এবিসি নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
বৃহস্পতিবার ভালদাই ক্লাবের পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক ফোরামে বক্তব্য দেন পুতিন। সেখানে তিনি বলেন, রাশিয়া ইউরোপীয় দেশগুলোর সঙ্গে যুদ্ধ শুরু করতে চায় না। তবে রুশ ভূখণ্ডে সরাসরি হামলা হলে তার জবাব দেওয়া হবে।
পুতিনের দাবি, রাশিয়ার সঙ্গে সম্ভাব্য যুদ্ধের প্রস্তুতির কথা বলে ইউরোপ ও পশ্চিমা দেশগুলো উত্তেজনা বাড়াচ্ছে। বাল্টিক সাগরে সামরিক মহড়া এবং রুশ জাহাজ জব্দের মতো কর্মকাণ্ডও পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
এর আগে কালিনিনগ্রাদ নিয়ে ন্যাটোকে সতর্ক করেছিল মস্কো। রাশিয়ার মূল ভূখণ্ড থেকে অঞ্চলটিকে বিচ্ছিন্ন করার কোনো চেষ্টা হলে তা প্রতিহত করতে পারমাণবিক অস্ত্রসহ সব ধরনের অস্ত্র ব্যবহারের সম্ভাবনার কথা জানিয়েছিল রুশ কর্তৃপক্ষ।
আয়ারল্যান্ডে রাশিয়ার দূতাবাসও মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে একই ধরনের সতর্কবার্তা দেয়। মস্কোর দাবি, কালিনিনগ্রাদ ঘিরে বিমান ও নৌ অবরোধের প্রস্তুতি নিচ্ছে ন্যাটো। তবে এমন অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছে রাশিয়া।
ভালদাই ফোরামে পুতিন বলেন, রাশিয়াকে ভয় দেখানোর প্রচেষ্টার প্রতিক্রিয়াই তার এই সতর্কবার্তা। কালিনিনগ্রাদ বা রাশিয়ার অন্য কোনো ভূখণ্ডে সরাসরি হামলা হলে ‘অনিবার্যভাবে এবং তাৎক্ষণিকভাবে’ সব ধরনের অস্ত্র ব্যবহারের বিষয়টি সামনে আসবে।
সময়ের আলো/এমকে