কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে এক তরুণীকে আটকে রেখে দলবেঁধে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে পাঁচ ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় মোখলেছুর রহমান মিঠু (৩৫) নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। একইসঙ্গে ভুক্তভোগী তরুণীকে উদ্ধার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাতে উপজেলার নলেয়া রশিদ মোড় এলাকা থেকে ওই তরুণীকে উদ্ধার করা হয়। শুক্রবার বিষয়টি নিশ্চিত করেন ভূরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিম উদ্দিন।
গ্রেফতার মিঠু রশিদ মোড় এলাকার বাসিন্দা। অভিযোগে জড়িত অন্যরা হলেন, লিটন মিয়া, নাইনুল ইসলাম, ফুল মিয়া ওরফে ফুলবর এবং আল আমিন। তারা উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।
ওসি আজিম উদ্দিন বলেন, ভুক্তভোগী তরুণীর বাড়ি মুন্সিগঞ্জ জেলায়। গত ২৫ সেপ্টেম্বর চর ভূরুঙ্গামারী ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামের সামাদের ঘাট এলাকায় নাচ-গানের জন্য তাকে আরও দুই তরুণীর সঙ্গে নিয়ে আসা হয়।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সেখানে চায়ের আড্ডার দোকানের আড়ালে অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার অভিযোগ রয়েছে। পরে ওই দুই তরুণী চলে গেলেও ভুক্তভোগী সেখানে থেকে যান।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে তাকে আটকে রেখে মিঠুসহ অন্যরা নিয়মিত সামাদের ঘাটসংলগ্ন কাশফুলের খেতে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করতেন। এ সময় তার কাছ থেকে ৫ হাজার ৬০০ টাকা ও একটি অ্যান্ড্রয়েড ফোন নিয়ে নেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।
বাড়ি ফেরার মতো টাকা না থাকায় বৃহস্পতিবার ওই ব্যক্তিদের কাছে টাকা চাইতে নলেয়া রশিদ মোড়ে যান তরুণী। সেখানে টাকা না দেওয়া নিয়ে তাদের সঙ্গে বাক্বিতণ্ডা হলে বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসে।
পরে স্থানীয়দের খবর পেয়ে ভূরুঙ্গামারী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তরুণীকে উদ্ধার করে এবং মোখলেছুর রহমান মিঠুকে গ্রেফতার করে।
ওসি আজিম উদ্দিন বলেন, এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ছাড়া ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
সময়ের আলো/জোই