স্মার্টফোন কেবল যোগাযোগের মাধ্যম নয়, আমাদের ব্যক্তিগত ও আর্থিক তথ্যের মূল ভান্ডার। তাই ফোন হারিয়ে যাওয়ার মতো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি ঘটার আগেই তথ্যের সুরক্ষায় কিছু পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। তা হলো—
‘ফাইন্ড মাই’ বা ‘ফাইন্ড হাব’ সক্রিয় রাখা : অ্যান্ড্রয়েড বা আইফোনের লোকেশন ট্র্যাকিং সুবিধা চালু রাখুন। এতে দূর থেকেই হারিয়ে যাওয়া ফোনের অবস্থান জানা, তা লক করা বা ডেটা মুছে ফেলা সম্ভব।
শক্তিশালী পিন ও স্টোলেন ডিভাইস প্রটেকশন : ১-২-৩-৪ বা জন্মতারিখের মতো সহজ পিন ব্যবহার না করে শক্তিশালী পাসকোড ব্যবহার করুন। আইফোন ব্যবহারকারীরা অতিরিক্ত নিরাপত্তার জন্য ‘Stolen Device Protection’ চালু রাখুন।
লক স্ক্রিনে নোটিফিকেশন গোপন রাখা : ব্যাংকের ওটিপি, পাসওয়ার্ড বা ব্যক্তিগত বার্তা যেন ফোন লক থাকা অবস্থায় স্ক্রিনে ভেসে না ওঠে, সেভাবে নোটিফিকেশন সেটিংস পরিবর্তন করুন।
গুরুত্বপূর্ণ অ্যাপে বাড়তি লক : ব্যাংকিং ও এমএফএস অ্যাপের পাশাপাশি ই-মেইল, অথেনটিকেটর ও পাসওয়ার্ড ম্যানেজারের মতো সংবেদনশীল অ্যাপগুলোতে অ্যাপ-লক বা প্রাইভেট স্পেস ব্যবহার করুন।
নিয়মিত ব্যাকআপ নেওয়া : ছবি, পরিচিতি ও গুরুত্বপূর্ণ ফাইলের জন্য ক্লাউড ব্যাকআপ সক্রিয় রাখুন এবং নিয়মিত ডেটা ব্যাকআপ হচ্ছে কি না তা পরীক্ষা করুন।
বিকল্প অ্যাকাউন্ট রিকভারি ব্যবস্থা : টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশনের বিকল্প রিকভারি কোডগুলো ফোনের ভেতরে না রেখে নিরাপদ কোনো স্থানে বা খাতায় লিখে সংরক্ষণ করুন।
আইএমইআই নম্বর নোট করে রাখা : প্রতিটি ফোনের আইএমইআই নম্বর ডায়াল করে (*#০৬#) জেনে নিন এবং তা ফোনের বাইরে কোথাও আলাদাভাবে লিখে রাখুন। ফোন চুরির পর আইনি পদক্ষেপে এটি অত্যন্ত দরকারি।
আর্থিক তথ্যের নিরাপত্তা : নোটপ্যাডে ব্যাংকিং পাসওয়ার্ড বা কার্ডের পিন লিখে রাখবেন না। ফোন হারালে দ্রুত ব্যাংক ও এমএফএস হেল্পলাইনে যোগাযোগের নম্বরগুলো সংরক্ষণ করুন।
সময়ের আলো/প্রিন্ট/জেডি