তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের উদ্যোগে গঠিত ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’তে যোগ দিতে ছয়টির বেশি দেশ আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলে জানিয়েছেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ ইসহাক দার।
শুক্রবার এক বক্তব্যে ইসহাক দার জানান, গত আগস্টে গঠিত এই প্রতিরক্ষা জোটের প্রকৃতি সম্পূর্ণ আত্মরক্ষামূলক। তবে নতুন কোনো দেশকে জোটে অন্তর্ভুক্ত করতে হলে তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তান— তিন দেশের সম্মতিই প্রয়োজন হবে।
গত আগস্টে মক্কায় তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তইয়্যব এরদোগান, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ চুক্তিটিতে স্বাক্ষর করেন।
চুক্তির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হলো— তিন দেশের যেকোনো একটি আক্রান্ত হলে সেটিকে পুরো জোটের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
এদিকে, জোটের উচ্চপর্যায়ের একটি বৈঠক শিগগিরই সৌদি রাজধানী রিয়াদে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এতে তিন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও সেনাপ্রধানরা অংশ নেবেন। সৌদি আরবকে লক্ষ্য করে হুথি বিদ্রোহীদের হামলার মধ্যে এই বৈঠককে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সম্প্রতি নিউইয়র্কে ইরানের কর্মকর্তাদের সঙ্গেও বৈঠক করেন ইসহাক দার। সেখানে ইরানের পক্ষ থেকে সৌদি আরব ও হুথিদের মধ্যকার সংঘাতের অবসানের প্রত্যাশা জানানো হয়।
জবাবে ইসহাক দার বলেন, মুসলিম দেশ হিসেবে পাকিস্তান মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং এটি রক্ষায় তারা দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে। একই সঙ্গে ইরান দাবি করেছে, হুথি বা ইরাকি মিলিশিয়াদের সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই।
সময়ের আলো/ইউএমএইচ