জিম্বাবুয়েতে ফিরছে শ্বেতাঙ্গ কৃষকেরা, বদলাচ্ছে জমির হিসাব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক

জিম্বাবুয়ের কৃষিজমিতে দুই দশক আগের ইতিহাস যেন নতুন করে ফিরে আসছে। তবে এবার চিত্রটি আগের মতো নয়। শ্বেতাঙ্গ কৃষকদের হাতে

2026-10-07T05:13:37+00:00
2026-10-07T05:13:37+00:00
 
  বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬,
২২ আশ্বিন ১৪৩৩
বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬
আন্তর্জাতিক
জিম্বাবুয়েতে ফিরছে শ্বেতাঙ্গ কৃষকেরা, বদলাচ্ছে জমির হিসাব
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১৩ এএম 
জিম্বাবুয়েতে ফিরছে শ্বেতাঙ্গ কৃষকেরা। ছবি : সংগৃহীত
জিম্বাবুয়ের কৃষিজমিতে দুই দশক আগের ইতিহাস যেন নতুন করে ফিরে আসছে। তবে এবার চিত্রটি আগের মতো নয়। শ্বেতাঙ্গ কৃষকদের হাতে নির্বিচারে জমি ফিরিয়ে দেওয়ার কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি সরকার। বরং পুরোনো ভূমি অধিগ্রহণের আইনি জটিলতা, বিদেশি বিনিয়োগের সুরক্ষা, ভুলভাবে অধিগৃহীত জমি এবং ভূমিসংস্কারের পরও জমিতে থেকে যাওয়া কৃষকদের অধিকার—সবকিছুকে আলাদা করে বিবেচনা করে নতুন নীতি নেওয়া হচ্ছে।

প্রেসিডেন্ট এমারসন নানগাগওয়ার সরকার চলতি বছর জমির মালিকানা নিয়ে একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর মধ্যে বিদেশি বিনিয়োগ চুক্তির আওতায় থাকা ৬৭টি খামার আগের বিদেশি মালিকদের ফিরিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ যেমন রয়েছে, তেমনি ভূমিসংস্কারের সময় ভুলভাবে অধিগ্রহণের তালিকায় চলে যাওয়া ৮৪০টি খামার কৃষ্ণাঙ্গ জিম্বাবুয়েবাসীর কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে। পাশাপাশি ২০০০ সালের ভূমিসংস্কারের পরও যেসব শ্বেতাঙ্গ কৃষক তাদের দখলে থাকা জমিতে রয়ে গেছেন, তাঁদের ওই জমি বা জমির অংশ কিনে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।

সরকারের বক্তব্য, এসব সিদ্ধান্তের অর্থ ২০০০ সালের ভূমিবণ্টন কর্মসূচি বাতিল করা নয়। বরং দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা বিভিন্ন আইনি বিরোধ নিষ্পত্তি এবং জমির মালিকানা নিয়ে অনিশ্চয়তা কমানোই এর উদ্দেশ্য।

যে বৈষম্য থেকে ভূমিসংস্কারের শুরু

জিম্বাবুয়ের জমি নিয়ে বর্তমান বিরোধের শিকড় দেশটির ঔপনিবেশিক ইতিহাসে। ব্রিটিশ শাসনের সময় দক্ষিণ রোডেশিয়া নামে পরিচিত দেশটিতে উর্বর ও উৎপাদনশীল কৃষিজমির বড় অংশ নিয়ন্ত্রণ করত শ্বেতাঙ্গ সংখ্যালঘু। বিপরীতে কৃষ্ণাঙ্গ সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠীর বড় অংশ জমির অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। অনেকে অপেক্ষাকৃত অনুর্বর এলাকায় বসবাস করতেন, আবার অনেকে শ্বেতাঙ্গ মালিকানাধীন খামারে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন।

ফলে জমি সেখানে শুধু কৃষি উৎপাদনের উপকরণ ছিল না; অর্থনৈতিক ক্ষমতা, সামাজিক অবস্থান এবং রাজনৈতিক প্রভাবের সঙ্গেও এর সরাসরি সম্পর্ক তৈরি হয়।

১৯৮০ সালে স্বাধীনতার পর জমির এই বৈষম্য দূর করা নতুন রাষ্ট্রের অন্যতম বড় রাজনৈতিক অঙ্গীকার হয়ে ওঠে। কিন্তু স্বাধীনতার পরপরই ব্যাপক আকারে জমি পুনর্বণ্টন সম্ভব হয়নি। ল্যাঙ্কাস্টার হাউস চুক্তির কাঠামোয় প্রথম পর্যায়ের ভূমিসংস্কার মূলত ‘বিক্রেতার সম্মতি ও ক্রেতার সম্মতি’ নীতির ওপর নির্ভর করেছিল। জমি কেনার ক্ষেত্রে ব্রিটেনের অর্থায়নও গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

এই প্রক্রিয়ায় কিছু জমি কৃষ্ণাঙ্গদের মধ্যে বণ্টন করা হলেও প্রত্যাশা অনুযায়ী বড় পরিসরে ভূমিহীন পরিবারকে জমি দেওয়া সম্ভব হয়নি। ফলে স্বাধীনতার প্রায় দুই দশক পরও জমির মালিকানায় ঐতিহাসিক বৈষম্য বহাল ছিল।

মুগাবে আমলে বদলে যায় নীতি

২০০০ সালে সেই পরিস্থিতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসে। সে বছর সরকার-সমর্থিত সাংবিধানিক গণভোটে প্রস্তাবিত সংবিধান প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পর মুক্তিযুদ্ধের প্রবীণ যোদ্ধা ও ক্ষমতাসীন জানু-পিএফের সমর্থকেরা শ্বেতাঙ্গ মালিকানাধীন খামার দখল শুরু করেন। পরে সরকার এই তৎপরতাকে দ্রুতগতির ভূমিসংস্কার কর্মসূচির অংশ হিসেবে গ্রহণ করে।

তৎকালীন প্রেসিডেন্ট রবার্ট মুগাবের সরকারের যুক্তি ছিল, ঔপনিবেশিক শাসনে কৃষ্ণাঙ্গদের কাছ থেকে কেড়ে নেওয়া জমি তাঁদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া স্বাধীনতার অসমাপ্ত কাজের অংশ। এই কর্মসূচির মাধ্যমে প্রায় তিন লাখ কৃষ্ণাঙ্গ পরিবার পুনর্বণ্টিত জমিতে পুনর্বাসিত হয় বলে সরকারি হিসাবে উল্লেখ করা হয়।

তবে ভূমি পুনর্বণ্টনের প্রক্রিয়াটি শুরু থেকেই বিতর্কিত ছিল। বহু শ্বেতাঙ্গ কৃষক তাঁদের খামার ও বসতবাড়ি হারান। উচ্ছেদের ঘটনায় বিভিন্ন স্থানে সহিংসতা ও ভয়ভীতির অভিযোগও ওঠে। একই সঙ্গে নতুন সুবিধাভোগীরা কীভাবে জমি পেলেন এবং উৎপাদন চালিয়ে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ, কৃষিযন্ত্র, প্রশিক্ষণ ও অন্যান্য সহায়তা কতটা পেয়েছিলেন, তা নিয়েও প্রশ্ন তৈরি হয়।

কৃষি সংকটের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে অর্থনীতি

ভূমিসংস্কারের আগে জিম্বাবুয়ে আফ্রিকার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কৃষিপণ্য উৎপাদক ছিল। তামাক, ভুট্টাসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্যের বাণিজ্যিক উৎপাদন এবং রপ্তানিতে দেশটির গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান ছিল। বড় বাণিজ্যিক খামারগুলোর উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার পর কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ, পরিবহন, রপ্তানি ও গ্রামীণ কর্মসংস্থানের ওপরও চাপ পড়ে।

তবে পরবর্তী অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের পুরো দায় শুধু ভূমিবণ্টনের ওপর দেওয়া যায় না। দুর্বল আর্থিক ব্যবস্থাপনা, মুদ্রানীতি, সরকারি ব্যয়ের সমস্যা, খরা, বিনিয়োগের ঘাটতি এবং আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞাসহ একাধিক কারণ জিম্বাবুয়ের সংকটকে তীব্র করে।

এই পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত হন কৃষি খাতের বিভিন্ন পক্ষ। অনেক কৃষ্ণাঙ্গ খামারশ্রমিক চাকরি হারান, গ্রামীণ ব্যবসায় ধাক্কা লাগে এবং কৃষিপণ্যের সরবরাহব্যবস্থায় সমস্যা তৈরি হয়। অন্যদিকে নতুন জমির মালিকদের অনেকেই ঋণ, সেচ, বীজ, সার ও কৃষিযন্ত্রের সংকটে উৎপাদন ধরে রাখতে পারেননি।

নানগাগওয়ার সময়ে নতুন সমীকরণ

২০১৭ সালে মুগাবে সরকারের পতনের পর ক্ষমতায় আসেন এমারসন নানগাগওয়া। তার সরকারের সামনে অর্থনীতি পুনরুদ্ধার, বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানো এবং পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের চ্যালেঞ্জ ছিল। এসব ক্ষেত্রেই ভূমি নিয়ে পুরোনো বিরোধ বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়।

সাবেক বাণিজ্যিক কৃষকদের ক্ষতিপূরণ, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আইনি সুরক্ষা এবং কৃষিজমিতে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের নিশ্চয়তা—এসব প্রশ্নের সমাধান ছাড়া আন্তর্জাতিক ঋণদাতা ও বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরানো কঠিন হয়ে পড়ে।

২০২০ সালে সাবেক বাণিজ্যিক কৃষকদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে ৩৫০ কোটি ডলারের ক্ষতিপূরণ চুক্তি করে সরকার। তবে এই অর্থ জমির মূল্য হিসেবে নয়, অধিগ্রহণের আগে খামারে করা ভবন, কূপ, সেচব্যবস্থা ও অন্যান্য উন্নয়নকাজের ক্ষতিপূরণ হিসেবে দেওয়ার কথা। জিম্বাবুয়ের সাংবিধানিক কাঠামোতেও অধিকাংশ সাবেক শ্বেতাঙ্গ কৃষকের ক্ষতিপূরণের অধিকার জমির বদলে জমিতে করা উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত।

২০২৫ সালে এই ক্ষতিপূরণ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়। তবে আর্থিক সংকটে থাকা সরকারের জন্য পুরো অর্থ পরিশোধ করা সহজ নয়। চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে সরকারি সংবাদমাধ্যমের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, কর্মসূচির আওতায় ৬২৩ জন দাবিদার নগদ অর্থ পেয়েছেন এবং তাঁদের জন্য বিপুল অঙ্কের সরকারি ট্রেজারি বন্ডও ইস্যু করা হয়েছে।

অন্যদিকে, আগস্টে ঘোষিত নতুন জমিনীতি আগের কিছু অধিগ্রহণের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার সুযোগ তৈরি করেছে। বিশেষ করে দ্বিপক্ষীয় বিনিয়োগ সুরক্ষা চুক্তির আওতায় থাকা ৬৭টি খামার ফেরত দেওয়ার উদ্যোগকে আন্তর্জাতিক আইনি দায় পূরণের অংশ হিসেবে দেখছে সরকার।

শ্বেতাঙ্গ কৃষকদের সবাই কি পুরোনো জমি ফিরে পাচ্ছেন?

না। বর্তমান নীতিতে সাবেক সব শ্বেতাঙ্গ কৃষককে তাদের আগের জমি ফিরিয়ে দেওয়ার কথা বলা হয়নি। বরং জমির আইনি অবস্থার ভিত্তিতে আলাদা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

প্রথম শ্রেণিতে রয়েছে ডেনমার্ক, জার্মানি, নেদারল্যান্ডস ও সুইজারল্যান্ডের নাগরিকদের মালিকানাধীন ৬৭টি খামার। দ্বিপক্ষীয় বিনিয়োগ সুরক্ষা চুক্তির আওতায় থাকায় এসব খামার আগের বিদেশি মালিকদের ফিরিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

দ্বিতীয় শ্রেণিতে রয়েছে ভূমিসংস্কারের সময় ভুল করে অধিগ্রহণের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়া ৮৪০টি খামার। এসব জমি কৃষ্ণাঙ্গ জিম্বাবুয়েবাসীর কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

তৃতীয় শ্রেণিতে রয়েছেন সেই শ্বেতাঙ্গ কৃষকেরা, যারা ২০০০ সালের ভূমিসংস্কারের পরও তাদের খামারে থেকে গেছেন এবং কৃষ্ণাঙ্গ সুবিধাভোগীদের সঙ্গে পাশাপাশি চাষাবাদ করছেন। তাঁদের ক্ষেত্রে বর্তমানে যে জমি বা জমির অংশ তাঁদের দখলে রয়েছে, সেটি কেনার সুযোগ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

অর্থাৎ, বর্তমান নীতির লক্ষ্য সরাসরি অতীতের ভূমিবণ্টন উল্টে দেওয়া নয়; বরং ভিন্ন ধরনের মালিকানা ও আইনি দাবিকে আলাদা করে সমাধান করা।

নতুন করে সংঘাতের আশঙ্কা

তবে জমির প্রশ্নটি জিম্বাবুয়েতে নিছক আইনি বিষয় নয়। বহু কৃষ্ণাঙ্গ মানুষের কাছে জমি স্বাধীনতা সংগ্রাম, জীবিকা ও আত্মমর্যাদার সঙ্গে জড়িত। ফলে ভূমিসংস্কারের মাধ্যমে জমি পাওয়া কৃষক কিংবা মুক্তিযুদ্ধের প্রবীণ যোদ্ধাদের একাংশের কাছে সাবেক মালিকদের জমিতে ফেরার সুযোগ সংবেদনশীল বিষয় হয়ে উঠতে পারে।

আল জাজিরার প্রতিবেদনে ভূমি দখলে অংশ নেওয়া এক প্রবীণ যোদ্ধার উদ্বেগও উঠে এসেছে। নতুন নীতির কারণে কোন জমির মালিকানা আবার পরিবর্তিত হবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তার আশঙ্কা রয়েছে। বর্তমান জমি ব্যবহারকারীদের জন্য বিষয়টি শুধু মালিকানার কাগজ নয়; এর সঙ্গে তাদের বিনিয়োগ, পরিবার এবং ভবিষ্যৎ জীবিকাও জড়িত।

তবে নতুন করে সংঘাত তৈরি হবেই—এমনটিও বলা যায় না। জমির দাবির আইনি ভিত্তি স্পষ্ট করা, প্রকৃত সুবিধাভোগীদের অধিকার নিশ্চিত করা এবং বর্তমান কৃষকদের সঙ্গে স্বচ্ছভাবে আলোচনা করার মাধ্যমে বিরোধ কমানোর সুযোগ রয়েছে। বিপরীতে, রাজনৈতিক প্রভাব কিংবা অস্পষ্ট সিদ্ধান্ত জমি নিয়ে পুরোনো উত্তেজনাকে আবার সামনে আনতে পারে।

জমি ফিরলেই কি কৃষি ঘুরে দাঁড়াবে?

জিম্বাবুয়ের জন্য আরেকটি বড় প্রশ্ন হলো, জমির মালিকানা নির্ধারণের পর কৃষি উৎপাদন কীভাবে বাড়ানো হবে। একটি খামার পরিচালনার জন্য শুধু জমির মালিকানা যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন বিনিয়োগ, শ্রম, সেচ, বীজ, সার, কৃষিযন্ত্র, বাজার এবং দীর্ঘমেয়াদি নীতিগত নিশ্চয়তা।

তাই শ্বেতাঙ্গ কৃষক কিংবা কৃষ্ণাঙ্গ কৃষক—যে পক্ষের হাতেই জমি থাকুক, এসব সহায়তা ছাড়া উৎপাদন বাড়ানো কঠিন। ভূমিসংস্কারের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য এবং কৃষির অর্থনৈতিক বাস্তবতার মধ্যে সমন্বয় করাই এখন জিম্বাবুয়ে সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।

দেশটির বর্তমান জমিনীতি তাই শুধু সাবেক মালিকদের ফিরে আসার গল্প নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে ঔপনিবেশিক আমলের ভূমিবৈষম্য, স্বাধীনতার পর অপূর্ণ ভূমিসংস্কার, মুগাবে আমলের দ্রুতগতির জমি পুনর্বণ্টন, ক্ষতিপূরণের দীর্ঘ প্রক্রিয়া এবং বিদেশি বিনিয়োগ ফেরানোর চেষ্টা।

দুই দশক আগে যে ভূমিসংস্কার জিম্বাবুয়ের গ্রামীণ অর্থনীতির চেহারা বদলে দিয়েছিল, তার প্রভাব এখনো কাটেনি। নতুন নীতির মাধ্যমে সরকার সেই পুরোনো বিরোধের কিছু অংশ মেটানোর চেষ্টা করছে। কিন্তু এই প্রক্রিয়ায় ঐতিহাসিক ন্যায়বিচার, বর্তমান কৃষকদের অধিকার, বিনিয়োগের নিশ্চয়তা এবং কৃষি উৎপাদনের স্বার্থ—সবগুলোকে কতটা একসঙ্গে রক্ষা করা যায়, তার ওপরই নির্ভর করবে জিম্বাবুয়ের ভূমি প্রশ্নের পরবর্তী অধ্যায়। 

সময়ের আলো/জেডি 
  বিষয়:   জিম্বাবুয়ে  শ্বেতাঙ্গ কৃষক  জমির হিসাব  সময়ের আলো 


Advertisement
Loading...
Loading...
আন্তর্জাতিক- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: