জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের সংগ্রহে থাকা গুরুত্বপূর্ণ নথি ও স্মারক ২০২৪ সালের জুলাই ও আগস্টের সংঘাতময় ঘটনাগুলোর সাক্ষ্য বহন করে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে ইউনেসকোর প্রতিনিধি ড. সুসান ভাইজ।
বুধবার (৭ আক্টোবর) জুলাই জাদুঘর পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বলেন। সুসান ভাইজের নেতৃত্বে ইউনেসকো বাংলাদেশের একটি প্রতিনিধিদল জুলাই জাদুঘর পরিদর্শনে যায়। তাদের স্বাগত জানান জাদুঘরের মহাপরিচালক এহ্সান মাহমুদ।
এ সময় তার সঙ্গে ইউনেসকো বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের মতবিনিময় হয়। সেখানে শিক্ষা, গবেষণা ও ঐতিহ্য সংরক্ষণে ইউনেসকোর সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি।
এহ্সান মাহমুদ বলেন, ‘আমরা জুলাই জাদুঘরকে শুধু পরিদর্শনের জায়গা হিসেবে নয়, বরং ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি রক্ষা এবং গবেষণার ক্ষেত্র হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। এই কাজ এগিয়ে নিতে ইউনেসকোর সঙ্গে আমরা যৌথভাবে কাজ করার ব্যাপারে আগ্রহী।’
ইউনেসকো বাংলাদেশ অফিসের প্রধান সুসান ভাইজ জুলাই জাদুঘরের বিভিন্ন গ্যালারি ঘুরে দেখেন। পরে তিনি বলেন, জাদুঘরটিতে এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি ও স্মারক সংগ্রহে রাখা হয়েছে, যা ২০২৪ সালের জুলাই ও আগস্টের সংঘাতময় ঘটনাগুলোর সাক্ষ্য বহন করে।
সুসান ভাইজ আরও বলেন, জুলাই-আগস্টের ঘটনায় যাঁরা প্রাণ হারিয়েছেন এবং স্বজন হারিয়েছেন, তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এসব দলিল যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা উচিত।
জুলাই জাদুঘর পরিদর্শনের সময় ইউনেসকো বাংলাদেশের শিক্ষা বিভাগের প্রধান নরিহিদি ফুরুকাওয়া এবং সংস্কৃতি বিভাগের প্রধান কিযী তাহনিন উপস্থিত ছিলেন।
সময়ের আলো/এসএকে