পটুয়াখালীর নির্মাণাধীন রফতানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলের (ইপিজেড) প্রধান ফটকের সামনে থেকে আব্বাস সিকদার (২৫) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৯ অক্টোবার) দিবাগত রাত ২টার দিকে পটুয়াখালী সদর উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নের মহাসড়কের পাশ থেকে তার মরদেহ দেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত আব্বাস সিকদার আউলিয়াপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের পচাকোড়ালিয়া গ্রামের মো. রফিক সিকদারের ছেলে। তিনি সাবেক কলেজশিক্ষার্থী ছিলেন এবং বর্তমানে কোনো পেশায় যুক্ত ছিলেন না।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এলাকায় একটি মারামারির ঘটনার পর থেকে গত দুই দিন আব্বাস বাড়িতে ছিলেন না। শুক্রবার রাতে এক অটোরিকশাচালক আব্বাসের চাচা শাহজালালকে ফোনে জানান যে ইপিজেডের সামনে আব্বাস অসুস্থ অবস্থায় পড়ে আছেন। খবর পেয়ে স্বজনেরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে মৃত দেখতে পান।
এ ঘটনায় আব্বাসের পরিবার পরিকল্পিত হত্যার অভিযোগ তুলেছে। নিহতের বাবা রফিক সিকদার বলেন, আমি এলাকায় মেম্বার পদে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। ফেসবুকে প্রচার চালানোর পর থেকেই স্থানীয় একটি মহলের সঙ্গে আমাদের শত্রুতা বেড়ে যায়। সেই দ্বন্দ্বের জেরেই আমার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমি জড়োদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধারের সত্যতা নিশ্চিত করে পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে এবং তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সময়ের আলো/জোই