হুতিদের হামলার মধ্যে সৌদিকে কী বার্তা দিলো ইরান?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক

ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠীর ধারাবাহিক হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার মধ্যে সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান আল-সৌদের সঙ্গে ফোনালাপ করেছেন ইরানের

2026-10-12T15:11:26+00:00
2026-10-12T15:12:33+00:00
 
  সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬,
২৭ আশ্বিন ১৪৩৩
সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
আন্তর্জাতিক
হুতিদের হামলার মধ্যে সৌদিকে কী বার্তা দিলো ইরান?
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:১১ পিএম  আপডেট: ১২.১০.২০২৬ ৩:১২ পিএম
প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান আল-সৌদ এবং আব্বাস আরাগচি। ছবি : রয়টার্স
ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠীর ধারাবাহিক হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার মধ্যে সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান আল-সৌদের সঙ্গে ফোনালাপ করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। আলোচনায় তেহরানের বার্তা, সামরিক পদক্ষেপ নয়, রাজনৈতিক সমাধানই আঞ্চলিক সংকট নিরসনের একমাত্র পথ। একই সঙ্গে সৌদি আরব ও ইয়েমেনের মধ্যে সংলাপ শুরু এবং সমাধানে পৌঁছাতে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছে ইরান। সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থার বরাতে এই তথ্য জানিয়েছে আরব নিউজ।

ইরান-সমর্থিত হুতিরা সৌদি বিমানবন্দরে হামলা চালানোর পর দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রী মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলের সাম্প্রতিক উত্তেজনা বৃদ্ধি নিয়ে আলোচনা করেন। রোববার (১১ অক্টোবর) টেলিগ্রামে প্রকাশিত এক বার্তায় আরাগচি জোর দিয়ে বলেছেন, রাজনৈতিক সমাধানকে উপেক্ষা করে সামরিক পদ্ধতির ওপর জোর দিলে পরিস্থিতি আরও জটিল হবে।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আঞ্চলিক সংকটগুলোর কোনো সামরিক সমাধান নেই।’ এর আগে গত সপ্তাহে আরাগচি বলেছিলেন, ‘মার্কিন যুদ্ধের কোনো সামরিক সমাধান নেই। কেবল ন্যায্যতা ও নিরপেক্ষতার ওপর ভিত্তি করে আলোচনাই এই সংঘাতের অবসান ঘটাতে পারে।’

সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে আরাগচি বলেছেন, সৌদি আরব ও ইয়েমেনের মধ্যে সংলাপ শুরু করতে এবং একটি রাজনৈতিক সমাধানে পৌঁছাতে প্রয়োজনীয় যেকোনো সাহায্য দিতে প্রস্তুত ইরান।


রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কয়েক দফা প্রাণঘাতী হামলায় এ পর্যন্ত ২০ জন নিহত ও ৩ শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইয়েমেন সংঘাতে মার্কিন বাহিনীকে যুক্ত করার বিষয়টি তার বিবেচনাধীন রয়েছে।

প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিনের দ্বিধাদ্বন্দ্ব সত্ত্বেও ইরান ও সৌদির কূটনৈতিক সম্পর্ক টিকে রয়েছে এবং ২০২৩ সালে চীনের মধ্যস্থতায় স্বাক্ষরিত চুক্তির অধীনে পুনর্বহাল করা দূতাবাসগুলো চালু রয়েছে। সেই যুগান্তকারী চুক্তির আগে, ৭ বছরের কূটনৈতিক সম্পর্কচ্ছেদ আঞ্চলিক ছায়াযুদ্ধকে উসকে দিয়েছিল।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে আগ্রাসন চালায়। এর পর থেকে তেহরানের সঙ্গে রিয়াদের সম্পর্কের অবনতি ঘটে। এই হামলার পর, তেহরান এবং তাদের মিত্ররা পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলজুড়ে মার্কিন সামরিক সম্পদ এবং অবকাঠামোর ওপর হামলা চালিয়েছে, যার মধ্যে সৌদি আরবের তেলক্ষেত্রও রয়েছে।

গত মার্চে প্রিন্স ফয়সাল ইরানকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন, সৌদি আরব ও প্রতিবেশী উপসাগরীয় রাষ্ট্রগুলোতে তাদের হামলার সহ্যসীমা সীমিত। তেহরানকে তাদের কৌশল ‘পুনর্বিবেচনা’ করার আহ্বান জানিয়েছিলেন তিনি।

সময়ের আলো/মহু
  বিষয়:   হুতি  হামলা  সৌদি আরব  ইরান  সময়ের আলো 


Advertisement
Loading...
Loading...
আন্তর্জাতিক- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: