গ্রাফিক : সময়ের আলো সামুদ্রিক পরিবেশের ভারসাম্য অক্ষুণ্ন রেখে সুনীল অর্থনীতির বিকাশে পরিবেশবান্ধব চাষের প্রসার হাতিয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হতে পারে। বিশেষ করে কম খাদ্যস্তরের সামুদ্রিক প্রজাতি চাষের পদ্ধতিতে পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রেখে উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব। হাতিয়ার অগভীর উপকূলীয় এলাকা ও পলিযুক্ত চরাঞ্চলে পরিবেশের ক্ষতি কমিয়ে সামুদ্রিক কাঁকড়া ও সবুজ ঝিনুক চাষের সম্ভাবনা রয়েছে।
নদী ও সমুদ্রের মিলনভূমি হাতিয়া দ্বীপ প্রকৃতির হাতে আঁকা সম্ভাবনার এক মানচিত্র। অথচ সেই সম্ভাবনাকে টেকসই উন্নয়নের চালিকাশক্তিতে রূপান্তর করার কাজ এখনও অনেক বাকি। বঙ্গোপসাগর ও মেঘনা নদীর মোহনায় অবস্থিত ২ হাজার ১০০ বর্গকিলোমিটারেরও বেশি আয়তনের এই দ্বীপে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে।
তবে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্রমবর্ধমান প্রভাবে দ্বীপটির মানুষকে প্রতিনিয়ত টিকে থাকার সংগ্রাম করতে হচ্ছে। হাতিয়ার উত্তরাঞ্চলে ভূমিক্ষয় ঘটলেও দক্ষিণে রয়েছে উর্বর চরাঞ্চল ও সমৃদ্ধ বাস্তুতন্ত্র। এসব প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য উপকূলীয় জীবনযাত্রাকে করেছে বৈচিত্র্যময়। প্রায় সাড়ে সাত লাখ মানুষের ৬৩ শতাংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষি, গবাদি পশু পালন ও মৎস্য আহরণের ওপর নির্ভরশীল।
তাই হাতিয়াকে শুধু একটি দুর্গম ও দুর্যোগপ্রবণ দ্বীপ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে উপকূলীয় অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে এর। বারবার নদীভাঙনে ভিটেমাটি হারানো মানুষের দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক স্বাবলম্বিতা নিশ্চিত করতে সমুদ্রসম্পদের সমন্বিত ও টেকসই ব্যবহার অপরিহার্য।
সামুদ্রিক পরিবেশ সুরক্ষার মাধ্যমে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন ও উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের সমন্বিত ধারণাই হলো সুনীল অর্থনীতি। সামুদ্রিক পরিবেশের ভারসাম্য অক্ষুণ্ন রেখে সুনীল অর্থনীতির বিকাশে পরিবেশবান্ধব চাষের প্রসার হাতিয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হতে পারে। বিশেষ করে কম খাদ্যস্তরের সামুদ্রিক প্রজাতি চাষের পদ্ধতিতে পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রেখে উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব। হাতিয়ার অগভীর উপকূলীয় এলাকা ও পলিযুক্ত চরাঞ্চলে পরিবেশের ক্ষতি কমিয়ে সামুদ্রিক কাঁকড়া ও সবুজ ঝিনুক চাষের সম্ভাবনা রয়েছে। বাণিজ্যিকভাবে সামুদ্রিক শৈবাল চাষও দ্বীপটির অর্থনীতিতে পরিবর্তন আনতে পারে।
উলভা, গ্রাসিলারিয়া ও হাইপনিয়া প্রজাতির শৈবাল পুষ্টিগুণসম্পন্ন। দেশীয় বাজারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক খাদ্য, ওষুধ ও প্রসাধন শিল্পেও এসব শৈবালের চাহিদা রয়েছে। হাতিয়ার উপযোগী জলাশয়ে পরিকল্পিতভাবে শৈবাল চাষ সম্প্রসারণ করা গেলে উপকূলীয় অঞ্চলে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। শৈবালের কার্বন শোষণের ক্ষমতা জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব প্রশমনেও সহায়তা করতে পারে।
চরাঞ্চলের বিস্তীর্ণ প্রাকৃতিক চারণভূমি ভেড়া ও মহিষ পালনের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করেছে। এ সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে দুগ্ধজাত পণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণের আধুনিক কারখানা গড়ে তোলা যেতে পারে। এ ছাড়া যেসব নিম্ন চরাঞ্চলে লবণাক্ত পানির প্রভাব তুলনামূলক কম, সেখানে ম্যানগ্রোভ বন সংরক্ষণের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে হাঁস পালন ও পরিবেশবান্ধব খাঁচায় মাছ চাষের উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে।
পরিকল্পিতভাবে এসব কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা গেলে ভূমির বহুমুখী ব্যবহার নিশ্চিত হবে এবং স্থানীয় কৃষিভিত্তিক অর্থনীতির বিকাশ ত্বরান্বিত হবে। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সামুদ্রিক অর্থনীতির টেকসই বিকাশে সুনীল বন্ড ও জলবায়ু অর্থায়নের মতো উদ্ভাবনী পদ্ধতি নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে। হাতিয়ার সম্ভাবনা কাজে লাগাতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের পাশাপাশি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দীর্ঘমেয়াদি সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি। স্থানীয় পর্যায়ে পরিবেশ সচেতনতা তৈরি, দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা এবং সামুদ্রিক সম্পদের ন্যায্য বণ্টন নিশ্চিত করা গেলে দ্বীপটির অর্থনীতি নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলতে পারে।
সামুদ্রিক অর্থনীতির সুফল পেতে আধুনিক ও নির্ভরযোগ্য যোগাযোগব্যবস্থা গড়ে তোলাও অপরিহার্য। এর অন্যতম প্রধান শর্ত নিরাপদ ও নিয়মিত নৌযোগাযোগ। মূল ভূখণ্ড থেকে ভৌগোলিক বিচ্ছিন্নতার কারণে হাতিয়ার বাসিন্দাদের যাতায়াত এখনও ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের ট্রলারের ওপর নির্ভরশীল।
এ পরিস্থিতির উন্নয়নে হাতিয়া চ্যানেলে নিয়মিত খননের মাধ্যমে নৌপথের নাব্যতা বজায় রাখা জরুরি। একই সঙ্গে নামার বাজার, তমরদ্দি ও জাহাজমারা ঘাটে সারা বছর ব্যবহারযোগ্য আধুনিক পন্টুন, জেটি ও যাত্রী টার্মিনাল নির্মাণ করতে হবে। নোয়াখালীর মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে নৌযোগাযোগ নিরাপদ করতে নদীপথের তথ্যব্যবস্থা চালু এবং রাতে নৌযান চলাচলের জন্য আধুনিক দিকনির্দেশক ব্যবস্থা স্থাপন করা প্রয়োজন।
সামুদ্রিক অর্থনীতির বিকাশে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহও গুরুত্বপূর্ণ। মৎস্য প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা পরিচালনার জন্য জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডের সংযোগ সম্প্রসারণের পাশাপাশি সৌরবিদ্যুৎ, সমুদ্রের বায়ুশক্তি ও অন্যান্য নবায়নযোগ্য জ্বালানির সমন্বয়ে বিদ্যুৎব্যবস্থা গড়ে তোলা যেতে পারে। নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত হলে মাছ আহরণের পর সংরক্ষণ ও হিমায়িতকরণ শিল্পের বিকাশ ত্বরান্বিত হবে।
উচ্চগতির ইন্টারনেট সম্প্রসারণ করা গেলে উৎপাদকরা সরাসরি আঞ্চলিক বাজারের সঙ্গে যুক্ত হতে পারবেন, তাৎক্ষণিকভাবে বাজারদর জানতে পারবেন এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের ওপর নির্ভরতা কমাতে পারবেন। বাণিজ্যিক সম্ভাব্যতা যাচাই করে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব ও অবকাঠামো উন্নয়নে অর্থায়ন সুবিধা কাজে লাগিয়ে বেসরকারি বিনিয়োগ আকর্ষণ করা গেলে যোগাযোগব্যবস্থার আধুনিকায়নও ত্বরান্বিত হবে।
সামুদ্রিক অর্থনীতির সুফল প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছে দিতে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা এবং নারী ও তরুণদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা অপরিহার্য। হাতিয়ার প্রায় সাড়ে সাত লাখ মানুষের মধ্যে নারী ও কর্মক্ষম তরুণের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য। উপযুক্ত কারিগরি প্রশিক্ষণের অভাবে তাদের অনেকেই স্থানীয় অর্থনীতিতে যথাযথ অবদান রাখতে পারছেন না।
বিশ্বব্যাংক ও ওয়ার্ল্ডফিশের সহায়তায় পরিচালিত ইকোফিশ প্রকল্পের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে উপকূলীয় নারীদের আয় এবং পুষ্টিবিষয়ক দল কিংবা ক্ষুদ্র সঞ্চয় সংঘের আওতায় সংগঠিত করা যেতে পারে। মৎস্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, স্বাস্থ্যসম্মত সৌরচালিত যন্ত্রে উন্নত মানের শুঁটকি তৈরি, পুষ্টিকর মাছের গুঁড়া উৎপাদন এবং শৈবালজাত পণ্য তৈরির আধুনিক কৌশল বিষয়ে প্রশিক্ষণ নারীদের স্বাবলম্বী হতে সহায়তা করবে।
এ ছাড়া স্থানীয় কাঁচামালনির্ভর পরিবেশবান্ধব হস্তশিল্প তৈরি, নার্সারি গড়ে তোলা, উন্নত জাতের হাঁস-মুরগি পালন এবং উৎপাদিত পণ্যের অনলাইন বিপণন বিষয়ে প্রশিক্ষণ স্থায়ী আয়ের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে। নতুন উদ্যোক্তাদের ডিজিটাল লেনদেন ও ব্যবসায়িক ব্যবস্থাপনায় প্রশিক্ষণ দেওয়া গেলে তাদের আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বাড়বে এবং বাজারে সরাসরি প্রবেশের সুযোগ তৈরি হবে।
একই সঙ্গে কারিগরি প্রশিক্ষণকেন্দ্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে স্থানীয় তরুণদের সামুদ্রিক পণ্য পরিবহন, নৌপরিবহন, জাহাজ পরিচালনা ও নৌযান চালনার কাজে দক্ষ করে তোলা সম্ভব। এ ধরনের অন্তর্ভুক্তিমূলক উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে হাতিয়ার সামুদ্রিক অর্থনীতি জাতীয় অর্থনীতিতে অবদান রাখার পাশাপাশি সামাজিক সমতা ও জলবায়ু-সহনশীল উন্নয়নের কার্যকর মডেল হয়ে উঠতে পারে।
সামুদ্রিক অর্থনীতির সম্ভাবনা কাজে লাগাতে তিন ধাপের কর্মপরিকল্পনা নেওয়া যেতে পারে। প্রথমত, স্বল্পমেয়াদি পর্যায়ে (১-২ বছর) বঙ্গোপসাগর ও মেঘনা মোহনায় মাছের মজুদ জরিপ, মাছের মোট জৈবভর নিরূপণ, সুনীল অর্থনীতির পরিসংখ্যানভিত্তিক হিসাবব্যবস্থা চালুর সম্ভাব্যতা যাচাই এবং আধুনিক তথ্যভান্ডার গড়ে তোলা জরুরি।
একই সঙ্গে মৎস্যজীবী নিবন্ধনব্যবস্থা পুনর্মূল্যায়ন করে মাছ আহরণের পর প্রক্রিয়াজাত কাজে নিয়োজিত নারীসহ প্রকৃত শ্রমজীবীদের তথ্যভান্ডারে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। মাছের প্রজনন মৌসুমে আহরণ নিষিদ্ধ রাখার পাশাপাশি জেলে পরিবারগুলোর জন্য সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি জোরদার করা প্রয়োজন।
দ্বিতীয়ত, মধ্যমেয়াদি পর্যায়ে (৩-৫ বছর) হাতিয়ার উপকূলে সৌরবিদ্যুৎচালিত সমন্বিত শীতল সংরক্ষণব্যবস্থা গড়ে তোলা, আধুনিক মৎস্য অবতরণকেন্দ্র নির্মাণ এবং নিঝুম দ্বীপে পরিবেশের ধারণক্ষমতা বিবেচনায় নিয়ে স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করে পর্যটন সম্প্রসারণ করা যেতে পারে। এ সময় পরিবেশগত মানদণ্ড মেনে সামুদ্রিক কাঁকড়া ও শৈবাল চাষ বাড়ানো এবং বাস্তুতন্ত্রভিত্তিক মৎস্য ব্যবস্থাপনা জোরদার করতে হবে। স্থানীয় নারী সংগঠনের মাধ্যমে মাছের গুঁড়া ও শৈবালজাত পণ্যের বাণিজ্যিক উৎপাদন সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি করা যেতে পারে।
মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞার সময় জেলে পরিবারগুলোর আয় সচল রাখতে বিকল্প জীবিকা ও কারিগরি প্রশিক্ষণও অব্যাহত রাখা জরুরি। তৃতীয়ত, দীর্ঘমেয়াদি পর্যায়ে (৫ বছরের বেশি) গভীর সমুদ্রে টুনাসহ উচ্চমূল্যের মাছ আহরণের সক্ষমতা গড়ে তোলা, আঞ্চলিক সহযোগিতার মাধ্যমে ইলিশের আন্তঃসীমান্ত টেকসই ব্যবস্থাপনা জোরদার এবং সামুদ্রিক শৈবালভিত্তিক প্রসাধনী ও ওষুধশিল্পের বিকাশে উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। পাশাপাশি বায়ুশক্তি ও জোয়ার-ভাটার শক্তি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সম্ভাবনা যাচাই, সুনীল বন্ডের মাধ্যমে টেকসই অর্থায়ন এবং সামুদ্রিক স্থানিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন প্রয়োজন। এ কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি ও প্রাকৃতিক সম্পদের টেকসই ব্যবহারের মাধ্যমে হাতিয়ার দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক রূপান্তরের ভিত্তি গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় পরিকল্পনা, বদ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০ ও জলবায়ু অভিযোজন কৌশলের সঙ্গে উপকূলীয় প্রান্তিক মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা গেলে হাতিয়া বাংলাদেশের সমুদ্রনির্ভর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির অন্যতম কেন্দ্রে পরিণত হতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি মোকাবিলা করে বঙ্গোপসাগরের বিপুল সম্পদকে জাতীয় উন্নয়নের মূলধারায় যুক্ত করার উদ্যোগ বাংলাদেশের বদ্বীপভিত্তিক অর্থনীতির দিগন্ত প্রসারিত করবে। হাতিয়ার ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে সমুদ্র ও উপকূলের সম্পদ কতটা বিজ্ঞানসম্মত, ন্যায়সংগত ও পরিবেশবান্ধব উপায়ে কাজে লাগানো যায় তার ওপর। সমুদ্রের সম্ভাবনাকে স্থানীয় মানুষের সমৃদ্ধি, কর্মসংস্থান ও টেকসই অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে রূপান্তর করতে পারলেই হাতিয়া বাংলাদেশের সুনীল অর্থনীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে উঠতে পারে।
লেখখ : শিক্ষার্থী, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর
মতামত লেখকের নিজস্ব