প্রকাশ: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:০০ এএম
পার্লামেন্ট নির্বাচনে কোনো দল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলেও সরকার গঠনে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে দেশটির ফিলিস্তিনি নাগরিকদের ভোট। ছবি : সংগৃহীতইসরায়েলের পার্লামেন্ট নির্বাচনে কোনো দল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলেও সরকার গঠনে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে দেশটির ফিলিস্তিনি নাগরিকদের ভোট। তবে বড় দুই ইহুদি রাজনৈতিক শিবিরই আরব দলগুলোর সমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় যেতে অনাগ্রহী।
নির্বাচনে ফিলিস্তিনি ভোটারদের প্রায় ৮০ শতাংশ ভোট দিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এতে তাদের প্রতিনিধিত্বকারী ইউনাইটেড আরব লিস্ট ও জয়েন্ট লিস্ট মিলিয়ে ১৯টি আসন পেয়েছে, যা সরকার গঠনের সমীকরণে বড় ভূমিকা রাখছে।
তবু প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি আরব ভোটের বৈধতা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছে। দলটি শিন বেতকে ব্যাপক ফিলিস্তিনি ভোটের পেছনে বিদেশি হস্তক্ষেপ ছিল কি না, তা তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে।
অন্যদিকে, নেতানিয়াহুবিরোধী ইহুদি দলগুলোর বড় অংশও আরব দলগুলোর সঙ্গে জোট গঠনের পথ বন্ধ করে দিয়েছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট, ইয়াইর লাপিদ ও ইসরায়েল বেইতেনু নেতা আভিগদর লিবারম্যান প্রকাশ্যে এমন জোটে না যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। লিবারম্যান বলেন, ‘বিবি বা তিবি, কারও সঙ্গেই বসব না।’
সব ভোট গণনা শেষে নেতানিয়াহুপন্থী জোট পেয়েছে ৫৩টি আসন এবং বিরোধী ইহুদি দলগুলো পেয়েছে ৪৮টি। ফিলিস্তিনি দলগুলোর ১৯টি আসন যোগ করলে নেতানিয়াহুবিরোধী সংখ্যাগরিষ্ঠতা তৈরি হলেও সেই সমর্থন নিতে অনীহা দেখাচ্ছে বিরোধীরা।
বিশ্লেষকদের মতে, ইসরায়েলের মূলধারার রাজনীতি এখনো ইহুদি আধিপত্যের ধারণার ওপর দাঁড়িয়ে আছে। ২০১৮ সালের নেশন স্টেট আইনও সেই বৈষম্যকে আরও প্রাতিষ্ঠানিক করেছে বলে সমালোচনা রয়েছে। তাদের মতে, আরব ভোটকে সমান রাজনৈতিক গুরুত্ব না দেওয়ায় নির্বাচনের ফলেও সেই বৈষম্যের প্রতিফলন স্পষ্ট হয়েছে।
সূত্র : আল-জাজিরা
সময়ের আলো/এমকে