যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে সাধারণ মানুষের ক্ষমতার পুনরুত্থান

মো. নূর হামজা পিয়াস

মতামত

এই নির্বাচনে আমেরিকার তরুণ প্রজন্ম এবং জেন-জি ভোটাররা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছেন। প্রথাগত বর্ণবাদী বা সংকীর্ণ রাজনৈতিক

2026-11-08T06:56:38+00:00
2026-11-08T06:56:38+00:00
 
  রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬,
২৪ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬
মতামত
যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে সাধারণ মানুষের ক্ষমতার পুনরুত্থান
মো. নূর হামজা পিয়াস
প্রকাশ: রোববার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ এএম 
গ্রাফিক : সময়ের আলো
এই নির্বাচনে আমেরিকার তরুণ প্রজন্ম এবং জেন-জি ভোটাররা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছেন। প্রথাগত বর্ণবাদী বা সংকীর্ণ রাজনৈতিক ধারার প্রতি অনীহা প্রকাশ করে তরুণরা পরিবর্তনের পক্ষে নিজেদের রায় দিয়েছেন। আল-সায়েদের আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গি, সোশ্যাল মিডিয়ায় স্বচ্ছ যোগাযোগ এবং জাস্টিসভিত্তিক রাজনীতি তরুণ সমাজকে ভোটকেন্দ্রে টেনে আনতে বড় অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছে।

বিশ্ব রাজনীতি ও ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন সবসময়ই বিশ্ববাসীর নজর কাড়ে। সাম্প্রতিক নির্বাচনগুলো প্রমাণ করেছে যে গণতন্ত্রের মূল সৌন্দর্য এর জনসম্পৃক্ততা ও ক্ষমতার প্রকৃত উৎসের মধ্যে নিহিত। শত শত কোটি টাকার বিজ্ঞাপন বা প্রভাবশালী মহলের লবিংয়ের চেয়ে সাধারণ মানুষের সক্রিয় ভোট অনেক বেশি শক্তিশালী হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া একটি ঐতিহাসিক ঘটনা এই সত্যকে আবারও জলজ্যান্তভাবে প্রমাণ করেছে যে, জনগণের ঐক্য যেকোনো রাজনৈতিক সমীকরণ বদলে দিতে সক্ষম।

যুক্তরাষ্ট্রের জনগণ আবারও প্রমাণ করেছে যে, গণতন্ত্রে রাজনৈতিক ক্ষমতার চূড়ান্ত উৎস ভোটারদের হাতেই থাকে, শত কোটিপতি, ধনী স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী বা এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের হাতেও নয়। ক্ষমতার কুশীলবরা যতই অর্থ ও পেশিশক্তি প্রয়োগ করুক না কেন, শেষ পর্যন্ত সাধারণ মানুষের দলমত নির্বিশেষে দেওয়া ভোটই নির্ধারণ করে দেয় রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা। এই মৌলিক সত্যটি যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনব্যবস্থার প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি এবং এর অন্তর্নিহিত গণতান্ত্রিক শক্তির সবচেয়ে বড় পরিচয় বহন করে।

গত ৩ নভেম্বর মিশিগানের যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট নির্বাচনে আব্দুল আল-সায়েদের অপ্রত্যাশিত ও গৌরবোজ্জ্বল বিজয় এই নীতির এক উল্লেখযোগ্য ও উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে ইতিহাসের পাতায় স্থান করে নিয়েছে। মূলধারার প্রভাবশালী রাজনৈতিক দলগুলোর ভেতরের হিসাব-নিকাশ ও নানা জটিলতাকে পেছনে ফেলে সাধারণ মানুষের অধিকারের পক্ষে কথা বলা এই প্রার্থীর জয় রাজনীতিতে এক নতুন ধারার সূচনা করেছে। তার এই বিজয় কেবল একজন ব্যক্তির ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং এটি প্রমাণ করে যে সততা ও জনকল্যাণমূলক রাজনীতি এখনও সাধারণ মানুষের মন জয় করতে পারে।

আব্দুল আল-সায়েদের এই নির্বাচনি লড়াইটি মোটেও সহজ ছিল না, বরং এটি ছিল এক বহুল আলোচিত ও অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লড়াই। প্রচারের পুরো সময় তাকে নানা ধরনের ক্রমাগত ব্যক্তিগত আক্রমণ, ধর্মীয় ও বর্ণবিদ্বেষ, ইসলামোফোবিয়া এবং কুৎসার মুখোমুখি হতে হয়েছে। প্রতিপক্ষ শিবির থেকে শুরু করে প্রভাবশালী বিভিন্ন লবিং গ্রুপ তার বিরুদ্ধে ধর্মীয় পরিচয়কে হাতিয়ার বানিয়ে ভোটারদের মেরুকরণের চেষ্টা চালিয়েছিল। তবে সব ধরনের সংকীর্ণতা ও বিদ্বেষের দেয়াল ভেঙে তিনি সামনের দিকে এগিয়ে যান।

আমেরিকান নির্বাচনে করপোরেট ফান্ডিং এবং সুপার প্যাকের বিপুল পরিমাণ অর্থ প্রার্থীর জয়ের ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখে। আল-সায়েদের বিরুদ্ধে প্রতিপক্ষ শিবিরে পানির মতো অর্থ ঢালা হয়েছিল এবং নানা ধরনের রাজনৈতিক কূটকৌশল ও প্রপাগান্ডা চালানো হয়েছিল। 

কোটি কোটি ডলারের বিজ্ঞাপন বাজেট এবং প্রভাবশালী গণমাধ্যমের বিরূপ মনোভাব থাকা সত্ত্বেও তিনি করপোরেট অর্থের অন্ধ প্রভাবকে অস্বীকার করে তৃণমূলের সাধারণ মানুষের ছোট ছোট অনুদান ও স্বেচ্ছাশ্রমের ওপর নির্ভর করে নির্বাচনি বৈতরণী পার হয়েছেন।

রিপাবলিকান পার্টির অত্যন্ত প্রভাবশালী ও অভিজ্ঞ প্রার্থী মাইক রজার্সের মুখোমুখি হয়ে আব্দুল আল-সায়েদ এক অবিশ্বাস্য জয় ছিনিয়ে এনেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রতিষ্ঠিত ও দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন এই হেভিওয়েট প্রার্থীর বিরুদ্ধে জয়লাভ করা চাট্টিখানি কথা ছিল না। রক্ষণশীল ভোটারদের দুর্গ বলে পরিচিত এলাকায় নিজের নীতি, আদর্শ ও প্রগতিশীল চিন্তার বার্তা পৌঁছে দিয়ে তিনি সাধারণ ভোটারদের মন জয় করেন, যা ঐতিহ্যগত রাজনৈতিক দলগুলোর হিসাব-নিকাশ ও সমীকরণকে পুরোপুরি উল্টে দেয়।

এই বিজয়ের ফলে আব্দুল আল-সায়েদ যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভা বা সিনেটে নির্বাচিত প্রথম মুসলিম হিসেবে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। অভিবাসী ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের একজন প্রতিনিধি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরামে এই আসন অর্জন করা এক বিরাট মাইলফলক। এটি কেবল মিশিগান রাজ্যের মুসলিম বা আরব আমেরিকানদের জন্য নয়, বরং গোটা বিশ্বের প্রান্তিক ও সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর জন্য এক ঐতিহাসিক অনুপ্রেরণা, যা মূলধারার রাজনীতিতে তাদের রাজনৈতিক অংশীদারিত্বের পথকে আরও প্রশস্ত করবে।

অভিন্ন স্বার্থ এবং মৌলিক গণতান্ত্রিক নীতিকে কেন্দ্র করে সাধারণ মানুষকে যদি সঠিকভাবে একত্রিত করা যায়, তবে তারা যেকোনো দুর্ভেদ্য রাজনৈতিক ও আর্থিক প্রতিবন্ধকতাও সহজে অতিক্রম করতে পারে। আল-সায়েদের নির্বাচনি প্রচারে এই ঐক্যবদ্ধকরণের কৌশলটি নিখুঁতভাবে বাস্তবায়িত হয়েছিল। ধনী ও অভিজাত শ্রেণির স্বার্থের বাইরে গিয়ে সাধারণ শ্রমিক, ছাত্র, শিক্ষক এবং নিম্নবিত্ত মানুষের স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের এজেন্ডা সামনে এনে তিনি পুরো সমাজকে এক সুতায় বাঁধতে সক্ষম হন।

আধুনিক করপোরেট আমেরিকার রাজনীতিতে যেখানে অর্থ এবং মিডিয়া শো-ডাউন সবচেয়ে বেশি প্রভাব বিস্তার করে, সেখানে আল-সায়েদ ফিরে গিয়েছিলেন তৃণমূলের রাজনীতি বা গ্রাসরুট ক্যাম্পেইনের ক্লাসিক মডেলে। ঘরে ঘরে গিয়ে মানুষের সঙ্গে কথা বলা, তাদের প্রকৃত সমস্যাগুলো শোনা এবং তার সুনির্দিষ্ট সমাধান তুলে ধরার কৌশল ভোটারদের সঙ্গে তার এক গভীর মানসিক সেতুবন্ধ তৈরি করেছিল। সাধারণ মানুষের এই স্বতঃস্ফূর্ত ও সক্রিয় অংশগ্রহণই তার প্রচারকে এক গণআন্দোলনে রূপ দিয়েছিল।

আল-সায়েদের এই বিজয়ের পেছনে তার সুনির্দিষ্ট ও জনকল্যাণমুখী নীতিগুলো অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করেছিল। সবার জন্য উন্মুক্ত স্বাস্থ্যসেবা, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ, উচ্চ শিক্ষার খরচ কমানো এবং কর ব্যবস্থায় ধনীদের ওপর সঠিক অংশীদারিত্ব আরোপ করার মতো প্রগতিশীল এজেন্ডাগুলো তরুণ ও মধ্যবিত্ত ভোটারদের গভীরভাবে আকৃষ্ট করেছিল। আমেরিকান সমাজের দীর্ঘদিনের কাঠামোগত বৈষম্য দূর করার এই সাহসী প্রতিশ্রুতিগুলোই তাকে সাধারণ মানুষের মণিকোঠায় স্থান করে দেয়।

এই নির্বাচনে আমেরিকার তরুণ প্রজন্ম এবং জেন-জি ভোটাররা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছেন। প্রথাগত বর্ণবাদী বা সংকীর্ণ রাজনৈতিক ধারার প্রতি অনীহা প্রকাশ করে তরুণরা পরিবর্তনের পক্ষে নিজেদের রায় দিয়েছেন। আল-সায়েদের আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গি, সোশ্যাল মিডিয়ায় স্বচ্ছ যোগাযোগ এবং জাস্টিসভিত্তিক রাজনীতি তরুণ সমাজকে ভোটকেন্দ্রে টেনে আনতে বড় অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতির দীর্ঘমেয়াদি গতিপ্রকৃতি পরিবর্তন করে দিতে পারে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক মানচিত্রে মুসলিম ও আরব আমেরিকান সম্প্রদায় অত্যন্ত সুসংগঠিত ও সচেতন রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে মিশিগান রাজ্যে এই সম্প্রদায়ের ভোটারদের জনমিতি বেশ শক্তিশালী। আল-সায়েদের এই বিজয় প্রমাণ করে যে, এই জনগোষ্ঠী এখন আর কেবল নীরব দর্শক বা ভোটব্যাংক নয়, বরং তারা মূলধারার নীতিনির্ধারণী পদে নিজেদের প্রার্থী জয়ী করে আনার মতো রাজনৈতিক সক্ষমতা ও পরিপক্বতা অর্জন করেছে।

আমেরিকার মতো উন্নত রাষ্ট্রেও ইসলামোফোবিয়া এবং প্রাতিষ্ঠানিক বৈষম্যের উপস্থিতি অস্বীকার করার উপায় নেই। আল-সায়েদ তার পুরো রাজনৈতিক যাত্রায় এই গোঁড়ামি ও বিদ্বেষের বিরুদ্ধে সরাসরি কোনো আক্রমণাত্মক পথ বেছে না নিয়ে নিজের যোগ্যতা, সততা এবং জনসেবার নিখুঁত নজির দিয়ে তার জবাব দিয়েছেন। তার এই জয় প্রমাণ করেছে যে, ঘৃণা ও বিদ্বেষের রাজনীতি শেষ পর্যন্ত দীর্ঘস্থায়ী হয় না; বরং সত্য ও ন্যায়ভিত্তিক আদর্শের কাছে সংকীর্ণতা সবসময় পরাজিত হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে এআইপ্যাক বা অন্য করপোরেট লবিং গ্রুপগুলোর প্রভাব সর্বজনবিদিত। কোটি কোটি ডলার খরচ করে তারা নিজেদের পছন্দমতো প্রার্থীকে বিজয়ী করতে সবসময় তৎপর থাকে। তবে আল-সায়েদের এই জয় লবিং গ্রুপগুলোর অপরাজেয় ধারণাকে এক বিরাট ধাক্কা দিয়েছে। এটি প্রমাণ করেছে যে, কোনো সুপার প্যাক বা লবিস্টের অঢেল অর্থও সাধারণ মানুষের আবেগ, পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা এবং সম্মিলিত ভোটাধিকারের জোয়ারের সামনে টিকতে পারে না।

আব্দুল আল-সায়েদের এই জয় ডেমোক্রেটিক পার্টির ভেতরের প্রগতিশীল এবং মধ্যপন্থি অংশের মধ্যকার আদর্শগত লড়াইয়ে প্রগতিশীল ধারাকে আরও শক্তিশালী করবে। তরুণ ও পরিবর্তনকামী ভোটাররা যে দলের ভেতরে আরও বেশি সাহসী ও জনমুখী নীতি দেখতে চান, এই নির্বাচন তার স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে। ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থী মনোনয়ন এবং নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে এই বিজয় ডেমোক্রেটিক পার্টিকে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করবে।

বহু প্রতিকূলতা, বর্ণবাদ ও রাজনৈতিক মেরুকরণের মধ্য দিয়ে যাওয়ার পরেও আমেরিকান গণতন্ত্রের যে আত্মশুদ্ধি এবং স্থিতিস্থাপকতা রয়েছে, এই নির্বাচন তা পুনরায় প্রমাণ করেছে। সমাজ যত বিভক্তই হোক না কেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার ভেতরে থেকে ভোট নামক শান্তিপূর্ণ অস্ত্রের মাধ্যমেই যে ক্ষমতার কাঠামোগত পরিবর্তন আনা সম্ভব, তা আল-সায়েদের বিজয় বিশ্ববাসীকে মনে করিয়ে দিয়েছে। এটি গণতন্ত্রের মৌলিক সৌন্দর্য ও শক্তির অন্যতম সেরা বহিঃপ্রকাশ।

আমেরিকার ভূখণ্ডে একজন মুসলিম প্রার্থীর এমন অভাবনীয় জয় বিশ্বজুড়ে ধর্মনিরপেক্ষতা, মানবাধিকার এবং বৈচিত্র্যের পক্ষে লড়াই করা মানুষের মনে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। যখন বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে উগ্র জাতীয়তাবাদ ও স্বৈরাচারী প্রবণতা মাথা চাড়া দিয়ে উঠছে, ঠিক সেই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে এই বিজয় প্রমাণ করে যে বহুত্ববাদ এবং অন্তর্ভুক্তির রাজনীতি আজও মানুষের কাছে সমানভাবে সমাদৃত। এই ঘটনা বৈশ্বিক রাজনৈতিক সংস্কৃতিতেও একটি ইতিবাচক বার্তা বয়ে এনেছে।

লেখক :  শিক্ষার্থী, আইন বিভাগ, ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ
মতামত লেখকের নিজস্ব

সময়ের আলো/প্রিন্ট/এসএকে
  বিষয়:   যুক্তরাষ্ট্র  রাজনীতি  সময়ের আলো 


Advertisement
Loading...
Loading...
মতামত- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: