ই-পেপার মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪
মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪

কৃষি শুমারি: দেশে বেড়েছে গরু ছাগলের সংখ্যা
প্রকাশ: বুধবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২২, ১:২৫ এএম  (ভিজিট : ৫৫৮)
দেশে গরু, ছাগল, মহিষ ও হাঁস-মুরগির সংখ্যা বেড়েছে। জমির মালিকানা, জমির ব্যবহার, ফসল, কৃষিতে কর্মসংস্থান, কৃষি যন্ত্রপাতির সংখ্যা ও প্রাণিসম্পদের তথ্য জরিপে উঠে এসেছে এ তথ্য। ২০১৮ সালের ১৪ এপ্রিল থেকে ২০১৯ সালের ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত এ জরিপ করা হয়।

গতকাল মঙ্গলবার বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) অডিটরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কৃষি শুমারি-২০১৯ শীর্ষক এ জরিপ প্রকাশ করা হয়। শুমারিতে প্রকাশিত ফলে দেখা গেছে, এক বছরে কৃষকের গরুর সংখ্যা বেড়েছে ৩৮ লাখ। ২০১৮ সালে সারা দেশের পল্লি ও শহর এলাকায় গরু ছিল ২ কোটি ৫৬ লাখ, যা ২০১৯ সালে বেড়ে দাঁড়ায় ২ কোটি ৯৪ লাখে। একইভাবে ২০১৮ সালে ছাগলের সংখ্যা ছিল ১ কোটি ৬৩ লাখ, যা ২০১৯ সালে হয়েছে ১ কোটি ৯৫ লাখ।

কৃষি শুমারির প্রাপ্ত তথ্য থেকে দেখা যায়, ২০১৯ সালে অনুষ্ঠিত কৃষি শুমারি অনুযায়ী খানার সংখ্যা ৩ কোটি ৫৫ লাখ ৫২ হাজার, যা ২০০৮ সালে ছিল ২ কোটি ৮৬ লাখ ১৫ হাজার। এ শুমারিতে প্রাপ্ত মোট কৃষি খানার সংখ্যা ১ কোটি ৬৮ লাখ ৮১ হাজার, যা ২০০৮ সালে ছিল ১ কোটি ৫১ লাখ ৮৩ হাজার। 

শুমারির তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, দেশে সাধারণ খানার সংখ্যা যে হারে বেড়েছে কৃষি খানা সে হারে বাড়েনি। দেশে নিট আবাদি জমির পরিমাণ ১ কোটি ৮৬ লাখ ৮১ হাজার একর, যার মধ্যে নিট অস্থায়ী ফসলের জমির পরিমাণ ১ কোটি ৬৪ লাখ ২৩ হাজার একর এবং স্থায়ী ফসলের জমির পরিমাণ ১১ লাখ ৭০ হাজার একর। 
প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০০৮ সালের তুলনায় ২০১১ সালের শুমারিতে আউশ ফসলের চাষের অধীন জমি কিছুটা কমলেও আমন, বোরো, আলু, গম, ভুট্টা, পাট ইত্যাদি ফসল চাষের অধীন জমির পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এ শুমারিতে ফসলের নিবিড়তা ২১৪ যা ২০০৮ সালে ছিল ১৭০। ফসলের নিবিড়তা বলতে বোঝানো হয়েছে, একটি জমি বছরে কতবার চাষ করা হয়।

মোট মোরগ-মুরগি ও হাঁসের সংখ্যা যথাক্রমে ১৯ কোটি ৯৪ লাখ ৩ হাজার ও ৭ কোটি ৪৪ লাখ ১৩ হাজার। ২০০৮ সালের শুমারিতে ছিল যথাক্রমে ১ কোটি ৭৮ লাখ ১০ হাজার ও ৩ কোটি ১৪ লাখ ৩০ হাজার। কৃষি শুমারি ২০১৯-এ মোট মৎস্য চাষাধীন জমির পরিমাণ ১২ লাখ ১২ হাজার ১০৭ একর। ব্যবহারভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায় পুকুরে মাছ চাষ জমির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি, ৬ লাখ ৮১ হাজার একর। কৃষি শুমারি সাধারণত ১০ বছর অন্তর হয়। এটি স্বাধীনতার আগে প্রথম ১৯৬০ সালে পরিচালিত হয়। স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম ১৯৭৭ সালে কৃষি শুমারি হয়। এর পরবর্তী সময়ে ১৯৮৩-৮৪ সালে দুই বছরে দুই ভাগে পৌর এলাকাসহ সব কৃষি থানায় শুমারি পরিচালনা করা হয়। ১৯৯৬ সালে কৃষি শুমারিতে শুধু পল্লি এলাকায় তথ্য সংগ্রহ করা হয়। ২০০৮ সালে পুরো দেশে শহর ও পল্লি এলাকায় সব সাধারণ খানায় তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে শুমারি পরিচালনা করা হয়। সারা দেশে ২০১৯ সালের ৯ জুন থেকে ২০ জুন ৫ম কৃষি শুমারি পরিচালিত হয়। এ শুমারিতে কৃষি জমির পরিমাণ, মালিকানা, সেচ ব্যবস্থা, আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ, ভূমির ব্যবহার, হাঁস-মুরগির ও গবাদিপশুর সংখ্যা ইত্যাদির তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।



আরও সংবাদ   বিষয়:  কৃষি শুমারি   গরু ছাগল  




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫ | ই-মেইল : shomoyeralo@gmail.com
close