ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো মার্কিন আদালতে হাজির হয়ে তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো নিউ ইয়র্কের ফেডারেল আদালতে মাদক-সন্ত্রাস, কোকেন আমদানি ষড়যন্ত্র এবং অস্ত্র রাখাসহ চারটি অভিযোগে নিজেকে ‘অপরাধী নয়’ বলে দাবি করেছেন। তার স্ত্রী ও ফার্স্ট লেডি সিলিয়া ফ্লোরেসও একইভাবে ‘নন গিল্টি’ ঘোষণা করেছেন। পরবর্তী শুনানি ১৭ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে।
মাদুরোর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ, তিনি ২০০০ সাল থেকে ভেনেজুয়েলার জাতীয় সংসদ সদস্য ও পরবর্তীতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে এক বড় কোকেন-চক্র চালিয়েছেন। এই চক্রে মেক্সিকোর সিনালোয়া ও জেটাস কার্টেল, কলোম্বিয়ার ফার্ক বিদ্রোহী এবং ভেনেজুয়েলার ট্রেন দে আরাগুয়া নামের গ্যাং জড়িত ছিল।
বিচারক তাদের কনস্যুলার সহায়তার অধিকার জানালে দুজনই কনস্যুলার সাক্ষাৎ চান। আপাতত কেউই জামিনের আবেদন করেননি।
একটি কথিত ‘মাদক-সন্ত্রাসী’ ষড়যন্ত্রসহ মাদুরোর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে চলা চারটি অভিযোগ আনা হয়েছে।
মার্কিন প্রসিকিউটরদের দাবি, তিনি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রে মাদক পাচারে সহায়তা করেছেন।
আদালতে মাদুরো বলেন, তাকে অপহরণ করা হয়েছে।
ভেনেজুয়েলার কার্যনির্বাহী প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ প্রথমে অভিযানের তীব্র সমালোচনা করেন, পরে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতা করার প্রস্তাব দিয়েছেন। তিনি বলেন, আমরা শান্তি ও সংলাপ চাই, যুদ্ধ নয়।
শনিবার রাতে এক মার্কিন অভিযানে মাদুরো ও তার স্ত্রীকে ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাস থেকে আটক করে নিউইয়র্কে আনা হয়। বর্তমানে তারা ব্রুকলিনের একটি ফেডারেল ডিটেনশন সেন্টারে আটক রয়েছেন।
/ইউএমএইচ