সিরিয়া থেকে নিজেদের সব সেনা প্রত্যাহার করে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। গত সপ্তাহে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি খালি করে তা সিরিয়ার সরকারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল–এর বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।
সিরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক সামরিক ঘাঁটি রয়েছে, যেগুলো এক যুগ আগে গড়ে তোলা হয় জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস)-এর উত্থানের সময়।
২০১৪ সালে সিরিয়ার গৃহযুদ্ধ চলাকালে আইএস দ্রুত বিস্তার লাভ করে এবং সিরিয়া ও ইরাকের বিস্তীর্ণ এলাকা দখল করে তথাকথিত ‘খিলাফত’ ঘোষণা করে। সে সময় আইএসকে দমনে প্রায় ২ হাজার সেনা সিরিয়ায় পাঠায় যুক্তরাষ্ট্র। বর্তমানে সেখানে প্রায় ১ হাজার মার্কিন সেনা অবস্থান করছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আইএস এখনও বৈশ্বিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি। তবে সিরিয়ায় বর্তমান পরিস্থিতির পরিবর্তন এবং আইএসের দুর্বল অবস্থানের প্রেক্ষাপটে সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
কর্মকর্তা বলেন, সিরিয়ায় এখন একটি তুলনামূলক স্থিতিশীল সরকার রয়েছে এবং আইএসের হুমকি আগের মতো শক্তিশালী নয়। ইতোমধ্যে একদল সেনাকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট ঘাঁটি সিরিয়ার সরকারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বাকি সেনাদেরও শিগগিরই ধাপে ধাপে দেশে ফিরিয়ে আনা হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, এ সিদ্ধান্ত মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতির নতুন কৌশলগত অবস্থান নির্দেশ করতে পারে।
/ইউএমএইচ