আফগানিস্তানের তালেবান শাসকরা জানিয়েছেন, তারা আলোচনায় বসতে প্রস্তুত। তাদের এ মন্তব্য এমন সময় এলো যখন পাকিস্তান প্রধান শহরগুলোতে তাদের বাহিনীর ওপর বোমা হামলা চালিয়েছে এবং এতে গুরুতর সংঘর্ষে কয়েক ডজন সেনা নিহত হয়েছে।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুল এবং তালেবান নেতৃত্বের ঘাঁটি কান্দাহার শহরে লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়, যা দুই ইসলামী প্রতিবেশী দেশের সম্পর্কের গভীর ভাঙনকে স্পষ্ট করে। কাবুলের দুটি স্থানে ঘন কালো ধোঁয়া উঠতে দেখা যায় এবং রয়টার্স যাচাই করা ভিডিওতে বিশাল অগ্নিকাণ্ডও দৃশ্যমান ছিল।
কাবুলের ট্যাক্সিচালক তামিম জানান, বিমান এসে দুটি বোমা ফেলে আবার চলে যায়। এরপর তারা বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পায়।
তিনি আরও জানান, এ সময় তিনি ঘুমিয়ে ছিলেন। পরে আতঙ্কে সবাই বাড়ির দ্বিতীয় তলা থেকে নিচে নেমে যায়।
আফগান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি টেলিফোনে কাতারের প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন আবদুলআজিজ আল-খালিফিকে বলেন, ‘আফগানিস্তান কখনো সহিংসতার সমর্থক ছিল না এবং সবসময় পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সম্মানের ভিত্তিতে সমস্যা সমাধানকে অগ্রাধিকার দিয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘তবে এই পন্থা তখনই কার্যকর হবে, যদি অপর পক্ষ সমাধান খুঁজে পেতে বাস্তব ও আন্তরিক আগ্রহ প্রদর্শন করে।’
এতে আওে জানানো হয়, গত বছর দুই দেশের মধ্যে সংঘর্ষ থামাতে সহায়তা করা কাতার অন্যান্য দেশের সঙ্গে মিলে সর্বশেষ সংকট সমাধানে কাজ করছে।
সময়ের আলো/কেএইচও