ইরানের সঙ্গে সাম্প্রতিক যুদ্ধে ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর প্রবল চাপ সৃষ্টি হয়েছে। সাম্প্রতিক একাধিক জনমত জরিপে ওঠে এসেছে বলছে, প্রতি তিনজনের মধ্যে দুজন মার্কিন নাগরিক এই যুদ্ধের সমাপ্তি চান। তারা মনে করেন, এই যুদ্ধ এখন সীমা ছাড়িয়ে গেছে। খবর আলজাজিরার।
জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি এবং নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষ ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। নতুন করে মূল্যস্ফীতি বাড়তে থাকায় ট্রাম্প প্রশাসন রাজনৈতিকভাবে কোণঠাসা হয়ে পড়েছে। এমনটি প্রশাসনের ভেতরেও এই যুদ্ধ শুরু করা নিয়ে ঐকমত্য ছিল না।
প্রসঙ্গত, এই যুদ্ধ শুরুর বিরুদ্ধে সবচেয়ে জোরালো কণ্ঠস্বর ছিলেন খোদ ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। ইসলামাবাদে শান্তি আলোচনার মার্কিন প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বও দিচ্ছেন তিনি।
মার্কিন নাগরিকরা মনে করেন, জেডি ভ্যান্স যেহেতু শুরু থেকেই এই যুদ্ধের বিপক্ষে ছিলেন। তাই ইরানের সঙ্গে একটি টেকসই ও শক্তিশালী যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে পৌঁছাতে তার ওপর চাপ থাকবে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তি আলোচনায় অংশ নিতে পাকিস্তানে পৌঁছেছে ইরানের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল। ইরান রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের টেলিগ্রাম চ্যানেলের তথ্য অনুযায়ী, এই দলের নেতৃত্বে রয়েছেন দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ। তার সঙ্গে রয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি, প্রতিরক্ষা কাউন্সিলের সচিব আলী আকবর আহমাদিয়ান এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আবদুল নাসের হেমমতি। প্রতিনিধি দলে ইরানের পার্লামেন্টের বেশ কয়েকজন সদস্যও রয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে আলোচনার নেতৃত্ব দিতে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও পাকিস্তানের পথে রয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগের সময় ভ্যান্স সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, তিনি এই আলোচনার ব্যাপারে অত্যন্ত আশাবাদী এবং এর জন্য মুখিয়ে আছেন।
সময়ের আলো/আআ