চট্টগ্রামের সদ্য ঘোষিত ‘ফটিকছড়ি উত্তর’ উপজেলার সদর দফতর যৌক্তিক স্থানে স্থাপনের দাবিতে ফের ৪৮ ঘণ্টার হরতাল ও অবরোধ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে ‘উত্তর উপজেলা বাস্তবায়ন পরিষদ’। উত্তরের তিন ইউনিয়নে আগামী রোববার (২৬ জুলাই) থেকে হরতাল ও অবরোধ কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাতে উপজেলার দাঁতমারা ইউনিয়নে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পরিষদের পক্ষে লিখিত বক্তব্যে এ ঘোষণা দেন সাবেক চেয়ারম্যান একরামুল হক বাবুল।
ঘোষণা অনুযায়ী, রোববার সকাল থেকে বাগানবাজার, দাঁতমারা ও নারায়ণহাট ইউনিয়ন এলাকায় এ অবরোধ পালন করা হবে। কর্মসূচির আওতায় থাকবে ঢাকা-খাগড়াছড়ি ও বারইয়ারহাট-ফটিকছড়ি সড়ক। তবে অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিসসহ যেকোনো জরুরি সেবার যানবাহন এই হরতাল ও অবরোধের আওতামুক্ত থাকবে।
সংবাদ সম্মেলনে একরামুল হক বাবুল বলেন, সদ্য ঘোষিত ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার সদর দফতর উত্তরাঞ্চলের সাধারণ মানুষের সুবিধাজনক স্থানে না করে, তা পূর্বের ফটিকছড়ি উপজেলার নিকটবর্তী ‘পশ্চিম ভুজপুর’ মৌজায় স্থাপনের গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। এর ফলে উত্তরাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের যাতায়াত দুর্ভোগ ও ভোগান্তি থেকেই যাবে।
তিনি আরও জানান, দাঁতমারা ও নারায়ণহাটের মধ্যবর্তী কোনো যৌক্তিক স্থানে উপজেলা সদর দফতর স্থাপনের দাবিতেই তাদের এই আন্দোলন। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত প্রয়োজনে কর্মসূচির মেয়াদ আরও বাড়ানো হবে বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক নুরুল আমীন, বিএনপি নেতা আবুল খায়ের, জামায়াত নেতা এ বি এম সিদ্দিক, ইউপি সদস্য জসিম উদ্দিন, যুবদল নেতা শাহাদাত হোসেন ও মো. কবির, ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর হায়দার, মো. নুরুল আলম নুরু, মো. আলমগীর, সাইফুল ইসলাম ও জামাল উদ্দিন এবং ছাত্র প্রতিনিধি শেখ জাহিদ ও মো. ইমাম উদ্দিনসহ স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ।
সময়ের আলো/জোই