গৌরব, পরিবর্তন ও রাজনৈতিক বাস্তবতা

ড. মো. আনোয়ার হোসেন

মতামত

বাংলাদেশের শাসনতান্ত্রিক ইতিহাসে রাষ্ট্রপ্রধানের পদটি এক অনন্য গৌরব, মর্যাদা ও সর্বোচ্চ সাংবিধানিক ঐতিহ্যের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা সংগ্রামের

2026-08-20T05:06:31+00:00
2026-08-20T05:06:31+00:00
 
  বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬,
৫ ভাদ্র ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬
মতামত
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন
গৌরব, পরিবর্তন ও রাজনৈতিক বাস্তবতা
ড. মো. আনোয়ার হোসেন
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ৫:০৬ এএম 
গ্রাফিক : সময়ের আলো
বাংলাদেশের শাসনতান্ত্রিক ইতিহাসে রাষ্ট্রপ্রধানের পদটি এক অনন্য গৌরব, মর্যাদা ও সর্বোচ্চ সাংবিধানিক ঐতিহ্যের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা সংগ্রামের মধ্য দিয়ে জন্ম নেওয়া গণপ্রজাতন্ত্রী এই বদ্বীপে রাষ্ট্রপতির পদটি সংসদীয় ও রাষ্ট্রপতিশাসিত ব্যবস্থার দোলাচলে বহু পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে বিবর্তিত হয়েছে। আজকের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে সামনে রেখে এই পদের ঐতিহাসিক গুরুত্ব এবং রাজনৈতিক বিবর্তনের রূপরেখা জানা প্রতিটি নাগরিকের জন্য অত্যন্ত জরুরি ও তাৎপর্যপূর্ণ।

‘রাষ্ট্রপতি’ শব্দটির উৎপত্তিগত উৎস সন্ধান করলে আমরা প্রাচীন সংস্কৃত ভাষার গভীর শিকড়ে পৌঁছাতে পারি, যেখানে ‘রাষ্ট্র’ এবং ‘পতি’ শব্দের অপূর্ব সমন্বয় ঘটেছে। সংস্কৃত ‘রাষ্ট্রম’ শব্দের অর্থ একটি সুনির্দিষ্ট ভূখণ্ড বা শাসন এলাকা এবং ‘পতি’ শব্দের অর্থ অধিপতি, প্রভু, রক্ষক বা স্বামী। ফলে ব্যুৎপত্তিগতভাবে রাষ্ট্রপতি বলতে রাষ্ট্রের প্রধান অভিভাবক, সর্বোচ্চ শাসক বা সার্বভৌম ক্ষমতার প্রতীকী রূপকে নির্দেশ করে।

বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল শনিবার, স্বাধীন বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার বা মুজিবনগর সরকার গঠনের এক ঐতিহাসিক মহতী মাহেন্দ্রে। এই নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীন দেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি হিসেবে সর্বসম্মতিক্রমে নির্বাচিত হন।

দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি বুধবার, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঠিক পরপরই এক নবজাতক রাষ্ট্রের সংসদীয় শাসনব্যবস্থার ঐতিহাসিক ক্রান্তিলগ্নে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করার পর বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরীকে দেশের দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতি হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয়।

তৃতীয় রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৩ সালের ৮ এপ্রিল রোববার, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর এক বিশেষ সংসদীয় পরিবেশের মধ্য দিয়ে। এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী পুনরায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন এবং তার বিপরীতে অন্য কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী দল প্রার্থী দেয়নি।

চতুর্থ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালের ২৪ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার, রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী পদত্যাগ করার পর শূন্য পদটি পূরণের উদ্দেশ্যে। জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে তৎকালীন স্পিকার মোহাম্মদ উল্লাহ বাংলাদেশের চতুর্থ রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হন। এই নির্বাচনেও কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ছিলেন না।

পঞ্চম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি শনিবার, বাংলাদেশের শাসনতান্ত্রিক ইতিহাসের এক বিশাল রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

ষষ্ঠ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শুক্রবার, ইতিহাসের এক নির্মম হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করার পর। খন্দকার মোশতাক আহমেদ সামরিক জান্তার প্রত্যক্ষ মদদে অসাংবিধানিক উপায়ে নিজেকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে ঘোষণা করেন।

সপ্তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৫ সালের ৬ নভেম্বর। প্রধান বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি ও প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক হিসেবে বঙ্গভবনে শপথবাক্য পাঠ করানো হয়।

অষ্টম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৭ সালের ২১ এপ্রিল বৃহস্পতিবার। তৎকালীন সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রপতির দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।

নবম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৮ সালের ৩ জুন। এই নির্বাচনে জাতীয়তাবাদী ফ্রন্টের প্রার্থী জিয়াউর রহমান ১ কোটি ৫৭ লাখ ৩৩ হাজার ৮০৭ ভোট (৭৬.৬৩ শতাংশ) পেয়ে বিজয়ী হন। তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী জেনারেল আতাউল গণি ওসমানী পান ৪৪ লাখ ৫৫ হাজার ২০০ ভোট (২১.৭০ শতাংশের বেশি)।

দশম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৮১ সালের ১৫ নভেম্বর রোববার, রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এক নৃশংস সামরিক অভ্যুত্থানে নিহত হওয়ার পর শূন্য পদটি পূরণের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতায়। এই নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী বিচারপতি আবদুস সাত্তার ১ কোটি ৪২ লাখ ৩ হাজার ৯৫৮ ভোট (৬৫.৫২ শতাংশ) পেয়ে বিজয়ী হন। তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের প্রার্থী ড. কামাল হোসেন পান ৫৬ লাখ ৩৬ হাজার ১১৩ ভোট (২৬ শতাংশ)।

একাদশ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৮৩ সালের ১১ ডিসেম্বর রোববার। প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক এরশাদ বিচারপতি আ হ ম আহসান উদ্দিন চৌধুরীকে সরিয়ে রাষ্ট্রপতির আসনটি দখল করে নেন।

দ্বাদশ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৮৬ সালের ১৫ অক্টোবর বুধবার। জাতীয় পার্টির প্রার্থী হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ২ কোটি ১৭ লাখ ৯৫ হাজার ৩৩৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, যা ছিল মোট বৈধ ভোটের ৮৪.১ শতাংশ। তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন মাওলানা হাফেজ্জী হুজুর।

ত্রয়োদশ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার। তিন জোটের রূপরেখা অনুযায়ী ঐকমত্যের ভিত্তিতে তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দিন আহমদ অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।


চতুর্দশ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৯১ সালের ৮ অক্টোবর মঙ্গলবার। এই সংসদীয় নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আবদুর রহমান বিশ্বাস ১৭২টি ভোট পেয়ে বিজয়ী হন এবং তার প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরী পান ৯২টি ভোট।

পঞ্চদশ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৯৬ সালের ২৩ জুলাই মঙ্গলবার। সর্বদলীয় শ্রদ্ধার পাত্র ও নির্দলীয় ব্যক্তিত্ব বিচারপতি সাহাবুদ্দিন আহমদকে আওয়ামী লীগ প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেয় এবং অন্য কোনো দল প্রার্থী দেয়নি।

ষোড়শ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ২০০১ সালের ১২ নভেম্বর সোমবার। বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হিসেবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।

সপ্তদশ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ২০০২ সালের ৫ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার, অধ্যাপক বদরুদ্দোজা চৌধুরী আকস্মিক ও নাটকীয়ভাবে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করার পর উদ্ভূত পরিস্থিতিতে। বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক ড. ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ কোনো প্রকার প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছাড়াই দেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।

অষ্টাদশ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ২০০৯ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি বুধবার। আওয়ামী লীগ মনোনীত রাজনৈতিক নেতা মো. জিল্লুর রহমান কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী না থাকায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।

ঊনবিংশ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ২০১৩ সালের ২৯ এপ্রিল সোমবার, রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমানের সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আকস্মিক মৃত্যুর কারণে। তৎকালীন সংসদের স্পিকার মো. আবদুল হামিদকে ২০তম রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হিসেবে আওয়ামী লীগ মনোনয়ন দেয় এবং অন্য কোনো দল প্রার্থী দেয়নি।

বিংশ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ২০১৮ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি বুধবার, রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের প্রথম মেয়াদের পাঁচ বছরের কার্যকাল সফলভাবে সমাপ্ত হওয়ার পর। আওয়ামী লীগ পুনরায় মো. আবদুল হামিদকেই মনোনয়ন দেয় এবং অন্য কোনো রাজনৈতিক দল প্রার্থী দেয়নি।

একবিংশ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ২০২৩ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি সোমবার, রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের টানা দুই মেয়াদের সাংবিধানিক সময়সীমা শেষ হওয়ার ঐতিহাসিক প্রাক্কালে। এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মো. সাহাবুদ্দিন দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।

দ্বাবিংশ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে ২০ আগস্ট ২০২৬ বৃহস্পতিবার, বর্তমান বাংলাদেশের এক অভূতপূর্ব অভ্যুত্থান-পরবর্তী নতুন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে। এই বিশেষ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন, যেখানে জাতীয় সংসদ দীর্ঘ সময় পর নতুন রাজনৈতিক শক্তির রূপরেখা ধারণ করেছে।

এই ঐতিহাসিক রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দেশের অধিকাংশ প্রধান রাজনৈতিক দলের সম্মতিতে দুজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন- একজন বিএনপি ও সমমনা রাজনৈতিক জোটের প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, অন্যজন কর্নেল (অব.) অলি আহমদ। বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী সংখ্যাগরিষ্ঠতার আলোকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন।

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ইতিহাস মূলত দেশের শাসনতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক বিবর্তনেরই প্রতিচ্ছবি। কখনো সংসদীয় গণতন্ত্র, কখনো রাষ্ট্রপতিশাসিত ব্যবস্থা, কখনো সামরিক শাসন এবং কখনো রাজনৈতিক ঐকমত্য- বিভিন্ন সময়ের নানা পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রপতির পদটি আজকের অবস্থানে এসেছে। ফলে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব কেবল সাংবিধানিক আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদ হিসেবে এই পদ জাতীয় ঐক্য, গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা ও রাষ্ট্রীয় মর্যাদার প্রতীক।

আজকের নির্বাচন সেই দীর্ঘ পথপরিক্রমায় একটি নতুন অধ্যায় যুক্ত করতে যাচ্ছে। রাজনৈতিক মতপার্থক্য ও প্রতিযোগিতা গণতন্ত্রের স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য হলেও রাষ্ট্রপতির পদে সর্বোচ্চ মর্যাদা, নিরপেক্ষতা, প্রজ্ঞা ও সাংবিধানিক দায়িত্ববোধের প্রতিফলন প্রত্যাশিত। যিনি এই পদে আসীন হবেন, তার কাছে তাই দলীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে সংবিধান, রাষ্ট্র ও জনগণের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার প্রত্যাশাই থাকবে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দীর্ঘ ইতিহাস আমাদের সেই শিক্ষাই দেয়- পদটি যতটা সম্মানের, দায়িত্বও ততটাই গভীর।


লেখক : প্রাবন্ধিক
মতামত লেখকের নিজস্ব


সময়ের আলো/প্রিন্ট/এমকে


  বিষয়:   গৌরব  পরিবর্তন  রাজনৈতিক  বাস্তবতা  সময়ের আলো 


Loading...
Loading...
মতামত- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: