আমরা অনেকেই অ্যালার্ম বাজলে, তা বন্ধ করে আরও খানিকটা সময় ঘুমিয়ে নিতে পছন্দ করি। এই ঘুমটা খুব আরামদায়ক মনে হয়। এর মূল কারণ হলো আমাদের মস্তিষ্ক ও শরীরের জৈবিক প্রতিক্রিয়া এবং মানসিক স্বস্তি।
স্থিরতা
অ্যালার্মের কর্কশ শব্দ হঠাৎ আমাদের ঘুম ভাঙিয়ে দেয়। তখন এক ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়। এই অস্থিরতা ও ঝটকার পর বিছানার উষ্ণতা ও আরামের অনুভূতি কয়েকগুণ বেশি তীব্র মনে হয়।
ডোপামিন ও মানসিক স্বস্তি
অ্যালার্ম বন্ধ করার মানে হলো তাৎক্ষণিক দায়িত্ব বা তাড়া থেকে মুক্তি পাওয়া। এই স্বস্তি মস্তিষ্ককে ক্ষণিকের জন্য আনন্দ দেয় এবং ডোপামিন হরমোন নিঃসরণ করায়।
ঘুমের ঋণ
রাতে আমাদের শরীরের কাঙ্ক্ষিত ঘুম বা চক্র পুরোপুরি না হলে শরীর আরও ঘুমের জন্য আকুলিবিকুলি করে। ফলে, সকালের এই অতিরিক্ত কয়েক মিনিট লোভনীয় মনে হয়।
স্বপ্নের রেশ
সকালে সাধারণত আমাদের ঘুম হালকা থাকে। এই সময়ে চমৎকার বা অদ্ভুত সব স্বপ্ন দেখতে থাকে বেশিরভাগ মানুষ, যা ভাঙতে ইচ্ছে করে না। তাই মানুষ আরেকটু ঘুমিয়ে নিয়ে স্বপ্নগুলোকে পরিপূর্ণ করতে চায়।
মাঝেমধ্যে এভাবে অ্যালার্ম বন্ধ করে খানিকক্ষণ ঘুমিয়ে নেওয়া স্বাভাবিক, তবে বারবার স্নুজ করলে ব্রেন নতুন করে ঘুমের চক্রে ঢুকে যায়, যা পরে আরও বেশি ক্লান্তি তৈরি করে। তাই এ ব্যাপারে সতর্ক থাকা উচিত।
সময়ের আলো/মহু