তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে অভিষেকের পর এবার পশ্চিমবঙ্গেও সাংগঠনিকভাবে যাত্রা শুরু করলো তামিল অভিনেতা থালাপতি বিজয়ের দল তামিলাগা ভেত্রি কাজাঘম (টিভিকে)। পূর্ব বর্ধমানের ফাগুপুরে দলের প্রথম কার্যালয় খুলেছে।
রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) পূর্ব বর্ধমানের ফাগুপুরে টিভিকে-এর পশ্চিমবঙ্গের প্রথম দলীয় কার্যালয়ের উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দলের পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যের কো-অর্ডিনেটর চৈতালি রায়সহ বিভিন্ন জেলার দলীয় নেতারা।
দলীয় নেতৃত্ব জানিয়েছে, আপাতত ভোটের রাজনীতির চেয়ে সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছানোই তাদের মূল লক্ষ্য। তবে, ভবিষ্যতে পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনে লড়ার ইচ্ছাও রয়েছে দলটির।
তামিলনাড়ু থেকে নির্দেশ অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গেও সংগঠন বিস্তারের শুরুতে সামাজিক কর্মকাণ্ডকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বাড়াতে বিভিন্ন সামাজিক কর্মসূচি নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন দলীয় নেতারা।
ফাগুপুরে কার্যালয় উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে পূর্ব বর্ধমানে টিভিকে-এর সাংগঠনিক কার্যক্রম শুরু হলো বলে জানিয়েছেন দলীয় নেতারা। আগামী দিনে জেলার বিভিন্ন এলাকায় সংগঠন বিস্তারের পাশাপাশি সামাজিক কর্মসূচি চালানোর পরিকল্পনাও রয়েছে তাদের।
টিভিকে-এর রাজ্যের কো-অর্ডিনেটর চৈতালি রায় বলেন, প্রথমে আমরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারমূলক কাজ চালাব। পরে মানুষের কাছে আরও বেশি করে পৌঁছালে তাদের সুবিধা-অসুবিধা ও সমস্যার কথা শুনব। শিক্ষা ও চাকরিকে আমরা অগ্রাধিকার দেব।
পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ইচ্ছার কথাও জানিয়েছেন চৈতালি রায়। তিনি বলেন, আমরা চাই টিভিকে এখানে ভোটে অংশ নিক। তবে, বিষয়টি নির্ভর করবে মানুষ কী চাইছেন, তার ওপর। কোন নির্বাচনে দল লড়বে, সে সিদ্ধান্ত নেবে আমাদের শীর্ষ নেতৃত্ব। এখন থালাপতি বিজয় উপ-নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত। সফল হলে নিশ্চয়ই বিজয় স্যার আসবেন।
অনুষ্ঠানে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলা থেকে সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন। বাংলায় টিভিকে-এর প্রায় পাঁচ হাজার সমর্থক রয়েছেন বলে জানিয়েছেন চৈতালি রায়।
তামিলনাড়ুতে প্রথমবার বিধানসভা নির্বাচনে লড়েই কংগ্রেসসহ একাধিক দলের সঙ্গে জোট গড়ে সরকার গঠন করেছে বিজয়ের দল।
বিজয়ের রাজনৈতিক উত্থানের মধ্যেই এবার পশ্চিমবঙ্গে টিভিকে-এর সাংগঠনিক কার্যক্রম শুরু হলো। ফাগুপুরে প্রথম দলীয় কার্যালয় খোলার মধ্য দিয়ে বাংলায় দলের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন নেতারা।
সময়র আলো/ইউএমএইচ