ইসরায়েলের নির্বাচনেও লেবাননে বদলাবে না নিরাপত্তা নীতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক

ইসরায়েলে আগামী মাসের সাধারণ নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক পালাবদলের আলোচনা শুরু হলেও লেবানন নিয়ে দেশটির সামরিক ও নিরাপত্তা নীতিতে বড় ধরনের

2026-09-30T05:52:25+00:00
2026-09-30T05:52:25+00:00
 
  বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
১৫ আশ্বিন ১৪৩৩
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আন্তর্জাতিক
ইসরায়েলের নির্বাচনেও লেবাননে বদলাবে না নিরাপত্তা নীতি
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৫২ এএম 
ইসরায়েলের নির্বাচনেও লেবাননে বদলাবে না নিরাপত্তা নীতি। ছবি : সংগৃহীত
ইসরায়েলে আগামী মাসের সাধারণ নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক পালাবদলের আলোচনা শুরু হলেও লেবানন নিয়ে দেশটির সামরিক ও নিরাপত্তা নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের সম্ভাবনা দেখছেন না দক্ষিণ লেবাননের বাসিন্দারা। তাদের আশঙ্কা, সরকার বদল হলেও সীমান্তে ইসরায়েলের সামরিক অবস্থান খুব একটা বদলাবে না।

গত তিন বছর ধরে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বে ইসরায়েলি বাহিনী বিশেষ করে দক্ষিণ লেবাননে ধারাবাহিক হামলা চালিয়েছে। এতে হাজারো মানুষ হতাহত হয়েছে এবং সীমান্তবর্তী কিছু এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনী অবস্থান নিয়েছে। হামলা কমলেও সংঘাতের প্রভাব কাটেনি; অনেক এলাকায় এখনো বিরাজ করছে নিরাপত্তাহীনতা।

নেতানিয়াহুর প্রধান রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকোটও লেবানন নিয়ে কঠোর অবস্থানের পক্ষে। সাবেক এই ইসরায়েলি সেনাপ্রধান ২০০৬ সালে হিজবুল্লাহর সঙ্গে যুদ্ধের সময় ব্যাপক সামরিক শক্তি ব্যবহারের কৌশল প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলাকেও প্রতিরোধমূলক কৌশলের অংশ হিসেবে বিবেচনা করা ওই নীতির প্রয়োগ গত দুই বছরে বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলে দেখা গেছে।

আইজেনকোট নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের চাপের কাছে নতি স্বীকারের অভিযোগ তুলেছেন। তাঁর মতে, লেবাননের যেকোনো স্থানে হিজবুল্লাহকে লক্ষ্য করে অভিযান চালানোর স্বাধীনতা ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর থাকা উচিত। নেতানিয়াহুর মতো তিনিও হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করার পক্ষে।

দক্ষিণ সিরিয়াতেও একই ধরনের উদ্বেগ রয়েছে। সেখানে ইসরায়েলি বাহিনী কয়েক শ বর্গকিলোমিটার এলাকা দখলে নিয়েছে। বর্তমান সরকার সেনা প্রত্যাহারের পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছে। আইজেনকোটও দ্রুত প্রত্যাহারের পক্ষে নন; বরং দখল করা অঞ্চলকে কৌশলগত চাপ তৈরির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের পক্ষপাতী বলে ধারণা করা হচ্ছে।


এদিকে বৈরুতের সঙ্গে কূটনৈতিক উদ্যোগও পিছিয়ে দিয়েছে নেতানিয়াহু সরকার। পাশাপাশি লেবাননে ইসরায়েলি সামরিক তৎপরতা বাড়ছে এবং অভিযানের নতুন ধাপ নিয়ে আলোচনা চলছে।

ফলে ইসরায়েলের আসন্ন নির্বাচনে নেতৃত্বে পরিবর্তন এলেও লেবানন নিয়ে মূল বিতর্ক সামরিক আধিপত্য বজায় রাখা হবে কি না, তা নিয়ে নয়; বরং সেই আধিপত্য কীভাবে বজায় রাখা হবে, তা নিয়েই।

সময়ের আলো/জেডি 

  বিষয়:   ইসরায়েল  নির্বাচন  লেবানন  নিরাপত্তা নীতি  সময়ের আলো 


Advertisement
Loading...
Loading...
আন্তর্জাতিক- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: