ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রস্তাবিত বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার (বিএনএসএস) ১৬৩ ধারা জারি করেছে দিল্লি পুলিশ। শুক্রবার (২ অক্টোবর) এক কর্মকর্তা এ তথ্য জানান।
নিষেধাজ্ঞার আওতায় পূর্বানুমতি ছাড়া পাঁচ বা তার বেশি মানুষের জমায়েত, সভা, মিছিল, বিক্ষোভ, পিকেটিং ও অবস্থান ধর্মঘট নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি স্লোগান ও বক্তৃতা এবং আগ্নেয়াস্ত্র, ব্যানার, প্ল্যাকার্ড, লাঠি, তলোয়ার, ইটসহ বিভিন্ন বস্তু বহনেও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
একজন ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা পিটিআইকে জানান, জননিরাপত্তা নিশ্চিত, জনশৃঙ্খলা বজায় এবং যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে এই আদেশ কার্যকর করা হয়েছে।
আইসা বা অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন (এআইএসএ), রাজ্যসভার সদস্য মনোজ ঝা এবং আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিলেন। গান্ধী জয়ন্তী উপলক্ষে শুক্রবার সকাল ১১টায় যন্তর মন্তরে এই কর্মসূচি হওয়ার কথা ছিল। তবে দিল্লি পুলিশ এতে অনুমতি দেয়নি।
পুলিশের ধারণা ছিল, বিক্ষোভে প্রায় ৩ হাজার থেকে ৪ হাজার মানুষ অংশ নিতে পারেন। এ কারণে যন্তর মন্তরসহ নয়াদিল্লির বিভিন্ন স্পর্শকাতর এলাকায় অতিরিক্ত দিল্লি পুলিশ ও সেন্ট্রাল আর্মড পুলিশ ফোর্সের (সিএপিএফ) সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। অননুমোদিত জমায়েত ঠেকাতে বিভিন্ন স্থানে ব্যারিকেডও বসানো হয়েছে।
আয়োজকদের অভিযোগ, ভোটার তালিকা এবং স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (এসআইআর) কার্যক্রম নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। একই সঙ্গে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও জানিয়েছেন তারা।
সময়ের আলো/এমকে