পারিবারিক কলহের জেরে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী সীমা রানী দাসকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামী উদ্ভব দাসের বিরুদ্ধে। হত্যার পর জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশকে ঘটনাটি জানান তিনি। পরে ঘটনাস্থল থেকে ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার এবং অভিযুক্ত স্বামীকে আটক করে পুলিশ।
রোববার (১১ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার রাজাবাড়ি ইউনিয়নের চিনাশুকানিয়া গ্রামের বড়চালা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আটক উদ্ভব দাস (৩৫) ওই গ্রামের নকুল দাসের ছেলে।
আরও পড়ুন
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক কলহের জেরে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই ঝগড়াঝাঁটি হতো। রোববার রাতেও তাদের মধ্যে বিরোধের একপর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে উদ্ভব দাস ধারালো অস্ত্র দিয়ে স্ত্রীকে এলোপাতাড়ি আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। পরে নিজেই জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশকে খবর দেন তিনি।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘরের ভেতর থেকে সীমা রানী দাসের মরদেহ উদ্ধার করে। এ সময় ঘরের ভেতরে রক্তের ছোপ এবং মরদেহের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন দেখতে পায় পুলিশ। নিহত নারী অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন বলে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহীনুর আলম বলেন, ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহিদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামীকে আটক করা হয়েছে। মামলা প্রক্রিয়াধীন।
সময়ের আলো/জোই