বাংলা কিউআরে বাধা দিলে কঠোর পদক্ষেপ নেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক

নিজস্ব প্রতিবেদক

অর্থনীতি

ক্যাশলেস লেনদেন বাড়াতে মার্চেন্ট পর্যায়ে বাংলা কিউআর ব্যবহার বাধ্যতামূলক করার পর এর বাস্তবায়নে কোনো ধরনের বাধা মেনে নেওয়া হবে না

2026-09-30T15:24:04+00:00
2026-09-30T15:28:00+00:00
 
  বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
১৫ আশ্বিন ১৪৩৩
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অর্থনীতি
বাংলা কিউআরে বাধা দিলে কঠোর পদক্ষেপ নেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:২৪ পিএম  আপডেট: ৩০.০৯.২০২৬ ৩:২৮ পিএম
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান। ছবি : সময়ের আলো
ক্যাশলেস লেনদেন বাড়াতে মার্চেন্ট পর্যায়ে বাংলা কিউআর ব্যবহার বাধ্যতামূলক করার পর এর বাস্তবায়নে কোনো ধরনের বাধা মেনে নেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ব্যাংক, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) ও পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডারদের (পিএসপি) মধ্যে ব্যবসায়িক স্বার্থের দ্বন্দ্ব কিংবা কোনো প্রতিষ্ঠানের অনীহার কারণে বাংলা কিউআর কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হলে নিয়ন্ত্রক সংস্থার হাতে থাকা নীতিগত বিভিন্ন ‘টুলস’ ব্যবহার করা হবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বাংলা কিউআরকে সরকারের ক্যাশলেস অর্থনীতি গড়ার এজেন্ডার অংশ হিসেবে উল্লেখ করে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান বলেন, ‘এটি শুধু কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কোনো একক উদ্যোগ নয়। ফলে, সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানকে নিজেদের সক্ষমতা অনুযায়ী এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখতে হবে।’

বাংলা কিউআর চালু হলে নিজেদের ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে- এমন ধারণাকে ভুল হিসেবে দেখছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বরং অভিন্ন কিউআর ব্যবস্থার ফলে লেনদেন বাড়লে ব্যাংক, এমএফএস ও পিএসপির ব্যবসা আরও বাড়ার সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করছে তারা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, ব্যাংক ও এমএফএসের কার্যক্রমের ক্ষেত্র নির্ধারিত রয়েছে। ফলে, বাংলা কিউআর চালুর কারণে একটি প্রতিষ্ঠান অন্য প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায় ভাগ বসাবে- এমন আশঙ্কার কারণ নেই। কোনো প্রতিষ্ঠান বাংলা কিউআর প্রবর্তনের কারণে লেনদেন কমে যাওয়ার আশঙ্কা করলে সেটি বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।


কিউআর আছে, পেমেন্ট নিচ্ছে না

১ জুলাই থেকে মার্চেন্ট পর্যায়ে বাংলা কিউআর ব্যবহারের বাধ্যবাধকতা কার্যকর হলেও মাঠপর্যায়ে এর ব্যবহার নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। কোথাও কিউআর কোড প্রদর্শন করা হলেও সেটির মাধ্যমে পেমেন্ট নেওয়া হচ্ছে না- এমন অভিযোগও রয়েছে।

রাজধানীর একটি প্রতিষ্ঠানে বাংলা কিউআর থাকা সত্ত্বেও তা দিয়ে পেমেন্ট না নেওয়ার ঘটনা সামনে এসেছে। সেখানে ডিভাইস নষ্ট থাকার কথা বলা হলেও এ ধরনের অনীহার পেছনে লেনদেনের হিসাব স্বচ্ছ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কাও থাকতে পারে বলে আলোচনা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মতে, বাংলা কিউআরের অন্যতম উদ্দেশ্যই হচ্ছে অর্থনীতির লেনদেনগুলোকে আরও হিসাবযোগ্য ও স্বচ্ছ করা। এর মাধ্যমে দেশের অর্থনীতির প্রকৃত আকার সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া সম্ভব হবে। একইসঙ্গে করযোগ্য অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডও আরও দৃশ্যমান হবে।

তবে, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের সবাই করের আওতায় পড়বেন না বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আয় করযোগ্য সীমার নিচে থাকলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি করের আওতার বাইরে থাকবেন। কিন্তু প্রকৃত আয় গোপন করে করের আওতা এড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা থাকা উচিত নয়।

এমএফএস নিয়ে ব্যবসায়িক দ্বন্দ্ব

বাংলা কিউআর নিয়ে ব্যাংক ও এমএফএস প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ব্যবসায়িক প্রতিযোগিতা বা দ্বন্দ্বের অভিযোগও সামনে এসেছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে একটি ব্যাংকের বাংলা কিউআর গ্রহণ করায় সংশ্লিষ্ট এমএফএস এজেন্টকে এজেন্সি বাতিলের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

এ ধরনের পরিস্থিতিতে কোনো প্রতিষ্ঠান বাংলা কিউআর প্রচারে কতটা সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছে, তারচেয়ে বাস্তবে কতটা লেনদেন করছে সেটিকেই গুরুত্ব দেবে বাংলাদেশ ব্যাংক।

ব্যাংক, এমএফএস ও পিএসপিগুলো নিয়মিত লেনদেনের তথ্য কেন্দ্রীয় ব্যাংককে দেয়। এসব তথ্য বিশ্লেষণ করে কোন প্রতিষ্ঠান বাংলা কিউআর সম্প্রসারণে কতটা ভূমিকা রাখছে, তা পর্যবেক্ষণ করা হবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বক্তব্য- প্রচারে কেউ কতটা অংশ নিলো, সেটি মূল বিষয় নয়; ডেটাই বলে দেবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বাস্তবে বাংলা কিউআরের সঙ্গে আছে কি না।


 বাধা দিলে ‘পলিসি টুলস’ 

বাংলা কিউআর বাস্তবায়নে কোনো প্রতিষ্ঠান বা চক্র বাধা দিলে বাংলাদেশ ব্যাংক কীভাবে ব্যবস্থা নেবে, সে বিষয়েও স্পষ্ট অবস্থান জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র বলেন, ‘সরকারের ক্যাশলেস অর্থনীতির এজেন্ডা বাস্তবায়নে কেউ বাধা দিলে নিয়ন্ত্রক সংস্থার হাতে থাকা বিভিন্ন নীতিগত টুলস ব্যবহার করা হবে। এটি সরাসরি শক্তি প্রয়োগের বিষয় নয়; বরং নীতিমালা ও নিয়ন্ত্রক ক্ষমতার মাধ্যমে প্রতিবন্ধকতা দূর করার বিষয়।’

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতে, বাংলা কিউআরকে বাধাগ্রস্ত করে কোনো প্রতিষ্ঠান দীর্ঘমেয়াদে নিজেদের ব্যবসায়িক স্বার্থ রক্ষা করতে পারবে না। কারণ, ক্যাশলেস লেনদেনের পরিমাণ বাড়লে পুরো পেমেন্ট ইকোসিস্টেমের লেনদেন বাড়বে।

তিন মাসে মার্চেন্ট প্রায় ৪০ লাখ

বাংলা কিউআর বাস্তবায়নের অগ্রগতি সম্পর্কে বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, জুলাইয়ের শুরুতে এ ব্যবস্থায় অনবোর্ড মার্চেন্টের সংখ্যা ছিল প্রায় ১৩ লাখ। বর্তমানে তা বেড়ে প্রায় ৪০ লাখে দাঁড়িয়েছে।

তবে, একজন মার্চেন্ট একাধিক ব্যাংক বা এমএফএসের মাধ্যমে অনবোর্ড হয়ে থাকতে পারেন। ফলে, এ সংখ্যায় কিছুটা ওভারল্যাপ থাকার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

৩০ জুনের সঙ্গে ৩০ সেপ্টেম্বরের তথ্য তুলনা করে দেখা গেছে, তিন মাসে বাংলা কিউআরের মাধ্যমে লেনদেনের সংখ্যা বেড়েছে প্রায় সাড়ে ৩ গুণ। একই সময়ে লেনদেনের অর্থের পরিমাণ বেড়েছে প্রায় ৫ গুণ।

তবে, এত দ্রুত প্রবৃদ্ধির পরও বাংলা কিউআরের ব্যবহার এখনো সব জায়গায় দৃশ্যমান হয়নি। বিশেষ করে স্ট্রিট ভেন্ডর, মাছের বাজার, সবজি বাজারসহ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মধ্যে এর ব্যবহার আরও বাড়ানোর প্রয়োজন রয়েছে।


অক্টোবর থেকে কমছে মার্চেন্টের খরচ

বাংলা কিউআর ব্যবহারে মার্চেন্টদের উৎসাহিত করতে ১ অক্টোবর থেকে একাধিক সুবিধা কার্যকর করছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বাংলা কিউআর পেমেন্টের ক্ষেত্রে অ্যাকোয়ারিং প্রতিষ্ঠানের এমডিআর সর্বনিম্ন ১ শতাংশ রাখার বাধ্যবাধকতা তুলে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ইস্যুয়িং প্রতিষ্ঠানের আইআরএফ চার্জ শূন্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর ফলে ব্যাংক, এমএফএস ও পিএসপিগুলো নিজেদের ব্যবসায়িক কৌশল অনুযায়ী মার্চেন্ট পর্যায়ে ফি নির্ধারণ করতে পারবে। কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান চার্জ ছাড়াই বাংলা কিউআর পেমেন্ট সেবা দিতে পারবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আশা, এতে মার্চেন্টদের পেমেন্ট গ্রহণের খরচ কমবে এবং বাংলা কিউআর ব্যবহারে আগ্রহ বাড়বে।

পেমেন্ট হলেই মার্চেন্টের হিসাবে টাকা

১ অক্টোবর থেকে বাংলা কিউআরভিত্তিক পেমেন্টের অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট মার্চেন্টের হিসাবে জমা দেওয়ার ব্যবস্থাও চালু হচ্ছে।

আগে কোনো কোনো ক্ষেত্রে পেমেন্ট করার পর মার্চেন্টের হিসাবে অর্থ জমা হতে এক দিন বা তারও বেশি সময় লাগত। নতুন ব্যবস্থায় লেনদেন সম্পন্ন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অর্থ জমা হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মতে, এই তাৎক্ষণিক সেটেলমেন্ট মার্চেন্টদের জন্য বাড়তি স্বস্তি তৈরি করবে এবং বাংলা কিউআর ব্যবহারে তাদের আগ্রহ বাড়াবে।

২ হাজার টাকা পর্যন্ত লেনদেনে ভর্তুকি

ছোট অঙ্কের লেনদেনকে উৎসাহিত করতে মার্চেন্ট পয়েন্টে বাংলা কিউআর ব্যবহার করে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত নির্দিষ্ট লেনদেনে ভর্তুকির ব্যবস্থা করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

এনপিএসবি প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বাংলা কিউআর ব্যবহার করে সম্পন্ন হওয়া এসব লেনদেনে অ্যাকোয়ারিং ও ইস্যুয়িং প্রতিষ্ঠানকে নির্দিষ্ট হারে ভর্তুকি দেওয়া হবে। ফলে, ছোট ব্যবসায়ীদের জন্য বাংলা কিউআরভিত্তিক পেমেন্ট সেবা আরও সহজ ও সাশ্রয়ী করার সুযোগ তৈরি হবে।


স্বাস্থ্য-শিক্ষা-যোগাযোগে বাংলা কিউআর

শুধু ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে নয়, মানুষের দৈনন্দিন সেবার সঙ্গে বাংলা কিউআরকে যুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। প্রথম পর্যায়ে স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও যোগাযোগ খাতকে দ্রুত ক্যাশলেস ব্যবস্থার আওতায় আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

হাসপাতালের আউটডোর টিকিট, সরকারি স্কুলের বেতন, ক্যান্টিন ও স্টেশনারি কেনাকাটা এবং টোল আদায়ের মতো লেনদেনেও বাংলা কিউআর ব্যবহারের সুযোগ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের যুক্তি, এসব ছোট অঙ্কের লেনদেনে নগদ টাকা ও খুচরার ঝামেলা কমানোর পাশাপাশি দীর্ঘ লাইনে দাঁড়ানোর প্রয়োজনও কমবে।

নভেম্বর থেকে পিটুপি বাংলা কিউআর

নভেম্বর থেকে বাংলা কিউআরভিত্তিক পারসন-টু-পারসন বা পিটুপির লেনদেন চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে একজন গ্রাহক অন্য গ্রাহকের বাংলা কিউআর স্ক্যান করে সরাসরি অর্থ পাঠাতে পারবেন।

মোবাইল অ্যাপে কিউআর কোডের ছবি আপলোড করেও ইন্টারঅপারেবল ফান্ড ট্রান্সফারের সুযোগ থাকবে। রেস্টুরেন্টের কর্মীকে টিপস দেওয়া কিংবা অন্য কোনো এককালীন ছোট অঙ্কের অর্থ পাঠানোর ক্ষেত্রেও এ ব্যবস্থা ব্যবহার করা যাবে।

ভুল লেনদেনে দ্রুত রিফান্ড

বাংলা কিউআরের ব্যবহার বাড়াতে গ্রাহকের আস্থা নিশ্চিত করাকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কোনো লেনদেন ব্যর্থ হলে গ্রাহকের অর্থ দ্রুত ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে।

বাংলা কিউআর লেনদেনসংক্রান্ত বিরোধ দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ২৭ সেপ্টেম্বর এ সংক্রান্ত একটি গাইডলাইন জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

গ্রাহকদের অভিযোগ জানানোর জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের হটলাইন ১৬২৩৬ ব্যবহারের সুযোগ থাকবে। পাশাপাশি বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য সংশ্লিষ্ট ডেস্ক কাজ করবে।

ক্যাশআউট নয়, লক্ষ্য ক্যাশলেস পেমেন্ট

বাংলা কিউআর ব্যবহার করে ক্যাশআউটের মতো লেনদেন হচ্ছে- এমন অভিযোগের বিষয়েও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অবস্থান স্পষ্ট। ক্যাশআউট ও বাংলা কিউআরভিত্তিক পেমেন্টকে দুটি পৃথক সেবা হিসেবে দেখছে তারা।

কোনো এমএফএস অ্যাকাউন্টে অস্বাভাবিকভাবে বড় অঙ্কের অর্থ বারবার ঢোকানো বা সন্দেহজনক লেনদেন হলে, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান তা শনাক্ত করে ব্যবস্থা নিতে পারে। কারণ, লেনদেনের সময় গ্রাহকের কার্যক্রম সরাসরি পর্যবেক্ষণের সুযোগ ওই প্রতিষ্ঠানেরই থাকে।

বাংলা কিউআরের মূল উদ্দেশ্য ক্যাশআউট নয়, বরং নগদ অর্থের পরিবর্তে সরাসরি পণ্য ও সেবার মূল্য পরিশোধ করা।

সব মিলিয়ে, ১ জুলাই থেকে বাধ্যতামূলক করার পর বাংলা কিউআর ব্যবহারে দ্রুত প্রবৃদ্ধি এলেও মাঠপর্যায়ে এর পূর্ণ বাস্তবায়ন এখনো নিশ্চিত হয়নি। মার্চেন্টদের অনীহা, ব্যাংক ও এমএফএসের ব্যবসায়িক দ্বন্দ্ব এবং লেনদেনের স্বচ্ছতা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের উদ্বেগ- এসব বিষয়ই সামনে এসেছে।

এসব বাধা দূর করতে ফি কমানো, ভর্তুকি, তাৎক্ষণিক সেটেলমেন্ট, বিরোধ নিষ্পত্তির ব্যবস্থা এবং প্রয়োজনে নিয়ন্ত্রক নীতির বিভিন্ন ‘টুলস’ ব্যবহারের পথে এগোচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

সময়ের আলো/মহু
  বিষয়:   বাংলা কিউআর  কেন্দ্রীয় ব্যাংক  সময়ের আলো 


Advertisement
Loading...
Loading...
অর্থনীতি- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: